ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রংপুর পার্ক মোড়ের নাম ‌‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’ দিলেন শিক্ষার্থীরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩১ পিএম
ফাইল ছবি

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবির আন্দোলনে উত্তাল পুরো দেশ। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পুলিশের গুলিতে নিহত কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয় কমিটির সদস্য ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মরণে রংপুর পার্ক মোড়ের নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ আবু সাঈদ চত্বর’ নামকরণ করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৭ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রোফাইল, বিভিন্ন পেজ এবং গ্রুপে এ দাবি জানান সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এদিকে এদিন সকালের পর থেকে বর্তমানে গুগল ম্যাপের পার্ক মোড়ের জায়গায় শহীদ আবু সাঈদ চত্বর নাম দেখা যাচ্ছে।

ফেসবুকে ওবায়দুর রহমান নামের একজন লিখেছেন, ‘এরইমধ্যে গুগল ম্যাপে পার্ক মোড়ের নাম পরিবর্তন করে শহীদ আবু সাইদ চত্বর নাম করা হয়েছে। এখন বাকিটুকু আপনাদের। তাকে সম্মান করে তার নামে এই চত্বরকে ডাকবেন নাকি অন্য নামে!’

আরেক শিক্ষার্থী ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘আজ থেকে রংপুর পার্ক মোড়ের নাম শহীদ আবু সাঈদ চত্বর- সাধারণ শিক্ষার্থী।’

উল্লেখ্য, চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’ প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি’ বলা হয়েছে অভিযোগ করে রোববার রাত থেকে প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এরপর আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীজুড়ে। মঙ্গলবার সেই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে ৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সারাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বুধবারও কর্মসূচি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জি নিউজের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট: প্রেস উইং ফ্যাক্টস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের চিফ অ্যাডভাইজার (সিএ) প্রেস উইং ফ্যাক্টস। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানান হয়। এতে বলা হয়, ভারতের জি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় মিডিয়া দ্বারা শুরু করা একটি সুপরিচিত প্রচারণার একটি অংশ। আমরা সুস্পষ্টভাবে এই খবরের প্রতিটি বিষয়বস্তু অস্বীকার করছি এবং বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত এই ধরনের অপপ্রচারে দৃষ্টি না দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রেস উইং ফ্যাক্টস আরও জানায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নেতৃত্ব গ্রহণের পরপরই অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ভারতীয় গণমাধ্যমকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবেদন প্রকাশ করার অনুরোধ জানান। দুর্ভাগ্যবশত, এমনকি কিছু শীর্ষ ভারতীয় মিডিয়াও এতে সাড়া দেয়নি। এর পরিবর্তে সুবিধাজনকভাবে নামহীন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে গল্প উদ্ভাবন চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, জি নিউজের প্রকাশিত সেই খবরে দাবি করা হয়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আই আর জি সি) আদলে বাংলাদেশ একটি নতুন সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের উত্থানের ঘটনা দেখা গেছে। সেখানে আরও দাবি করা হয়, ড. ইউনূস ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি (আইআরএ) নামে একটি জঙ্গি বাহিনী প্রতিষ্ঠার আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই উত্থান আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলেও খবরে প্রকাশ করা হয়। আরটিভি/আরএ/এস
জি নিউজের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট: প্রেস উইং ফ্যাক্টস
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৩ দাবি ঘোষণা করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট রাজনীতিকে চূড়ান্তভাবে কবর দেওয়াসহ তিনটি দাবি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।   রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান। তার দাবিগুলো হলো ১. আওয়ামী ফ্যাসিস্ট রাজনীতিকে চূড়ান্তভাবে কবর দিতে হবে। আওয়ামী রাজনীতির প্রত্যাবর্তন অসম্ভব করে দিতে হবে।   ২. ভারতীয় আধিপত্যবাদের অবসান ঘটাতে হবে। স্বাধীন, সার্বভৌম, আত্মনির্ভর মর্যাদার নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।   ৩. বাংলাদেশে একটা সাম্য ও ইনসাফের সমাজ গড়তে হবে। এর আগে, রাজধানীর বাংলামোটরের সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র ৫ আগস্ট না হওয়ার কারণে বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে ফ্যাসিস্টরা। এটি গণঅভ্যুত্থানের লেজিটিমেসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে এবং ’৭২-এর সংবিধান যে মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তার একটি দালিলিক প্রমাণ হিসেবে ৩১ ডিসেম্বর জাতির সামনে মুজিববাদী ’৭২-এর সংবিধানের কবর রচিত হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ঘোষণার জন্য ৩১ ডিসেম্বর মানুষ শহীদ মিনারে জড়ো হবে। আরটিভি/কেএইচ-টি
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৩ দাবি ঘোষণা করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, যা বললেন সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দেয়। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতের এ ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। ছাগল-কাণ্ডে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট সাইয়েদ আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মেট্রোরেলের পিলার থেকে এই গ্রাফিতিটা গতকাল গভীর রাতে মুছে ফেলা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গভীর রাতেই অনলাইনে সরব হই আমরা কয়েকজন। ওইটা মোছা হয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে কয়েকজন হাসিনার অন্য একটা ক্যারিকেচার আঁকে। কিন্তু কথাটা হলো, ভিন্নটা কেন করা হবে, আগেরটাই লাগবে। হুবহু আগেরটাই এবং ওইটার ওপরও কালি মেখে, রক্তের মতো লাল রঙ দিয়ে ডা–ই–নি টাইপ ভাইবই রাখতে হবে। আর ওইটাতে যেভাবে জুতার মালা দেওয়া ছিলো, ওই একইভাবে রাখতে হবে। মানে হুবহু রিস্টোর করতে হবে।  তিনি লিখেছেন, ওইটার ভেতর যে মেসেজ ছিলো, নতুনটার ভেতর সেটা নাই। গণঅভ্যুত্থানে দেশের জনগণ হাসিনাকে যেভাবে প্রত্যাখ্যান করে উৎখাত করেছিলো, সেটার অটো রিপ্রেজেনটেশন ছিলো ওইটাতে৷ আর হুটহাট করে যারা এইটা মোছার প্ল্যান করেছিলো বা যাদের মাথা দিয়ে এই প্ল্যান বের হয়েছিলো, তাদের প্রত্যেককে আইডেন্টিফাই করে কঠোর জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসা উচিত।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এই সাবেক ছাত্র লিখেছেন, এই নির্দেশ এসেছিলো কোন সংস্থা থেকে? এবং ক্যাম্পাসের ভেতর বড় টেকনিক্যাল ভেহিকেল নিয়ে এসে এই কাজ করা হয়েছে, তার মানে হলো এটার পারমিশনের সঙ্গে ভিসি বা প্রক্টরের এফিলিয়েশন থাকবার কথা। অর্থাৎ কোনো এজেন্সি থেকে যদি বলা হয় এবং প্রক্টর বা ভিসি যারা এইটা প্রতিরোধ করে নাই, তাদের প্রত্যেককে কঠোর জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসতে হবে। স্বৈরাচারী হাসিনাকে প্রত্যাখ্যান করার চিহ্নগুলো মুছে দিয়ে এরা কী করতে চায়, সেটা বোঝার দরকার আছে। এবং একইসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ওই জুতারমালা গলায় দেওয়া প্রত্যাখ্যাত হাসিনার ডা-ই-নি রূপ ফুটিয়ে তোলা দরকার। যতবার মুছতে চাইবে, ততবার আরও বেশি করে সব জায়গায় ফুটিয়ে তুলতে হবে। সবশেষে তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে এরা প্রথমে গ্রাফিতি মুছতে চাইবে, তারপর দেশের মানুষের মন থেকেই ওই হয়েনাদের অপকর্মের ফিরিস্তি মুছে দিতে চাইবে। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না। দেশের জনগণের উচিত সেটা কোনো অবস্থাতেই না হতে দেওয়া। এর আগে, সিটি করপোরেশনের কিছু লোক শনিবার মধ্যরাতে রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি মুছতে ক্রেন নিয়ে আসে। সে সময় হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। যা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সম্ভব হয়নি। আরটিভি/আইএম
হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, যা বললেন সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে, প্রশ্ন উমামা ফাতেমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য-সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দেয়। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতের এ ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, প্রক্টররে পদত্যাগ করতে হবে। এনএসআইয়ের প্রেসক্রিপশন নাকি ‘র’ এর প্রেসক্রিপশন এসব আমি চিনি না।  এ সময় প্রশ্ন রেখে তিনি আরও লিখেছেন, কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে? এর আগে, সিটি করপোরেশনের কিছু লোক শনিবার মধ্যরাতে রাজু ভাস্কর্য-সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি মুছতে ক্রেন নিয়ে আসে। সে সময় হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। যা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সম্ভব হয়নি। আরটিভি/আইএম/এস
কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে, প্রশ্ন উমামা ফাতেমার
পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে: সারজিস আলম
এখনও পুলিশের অনেক সদস্য দেদারছে ঘুষ গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।  শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন। সারজিস আলম বলেন, শতশত পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে। যেসব বেহায়ার রক্তে দুর্নীতি, তাদের শাস্তি না দিয়ে কি করে সংস্কার করবেন? এ সময় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শুধু বদলি করে? হাস্যকর... এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্ট্যাটাসটিতে সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি পাঠক মন্তব্য করেছেন। রায়হান আহমেদ তামিম নামে একজন লিখেছেন, ওদের ওপর প্রেশার তৈরি করে ওদেরকে মানুষ বানানোর দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার। আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তো স্ট্রং না, মিনমিনে স্বভাবের। পরিবর্তন কীভাবে আসবে, কার হাত ধরে আসবে? আদিলুর রহমান মোহসীন লিখেছেন, প্রায় সবখানে তাদের দুর্নীতি এখনও অব্যাহত আছে। বিভিন্ন স্থানে আগের মতো দুর্নীতি করতে না পেরে কাজের প্রতি অবহেলা করতেছে। আব্দুল মতিন লিখেছেন, এটা দেখার কেউ নেই। এবি মামুন নামে আরেকজন লিখেছেন, যারা সরাসরি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বদলি নয় স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে। আরটিভি/আইএম/এস
পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে: সারজিস আলম
আরও পড়ুন
আবু সাঈদ মারা যায়নি, আছেন ফ্রান্সে: ফ্যাক্ট চেক যা বলছে
শহীদ আবু সাঈদের বাবাকে হেলিকপ্টারে আনা হলো ঢাকা সিএমএইচে
আবু সাঈদ হত্যা মামলা: বেরোবির সাবেক প্রক্টর বরখাস্ত
শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে মাসকাট তৈরি, মুগ্ধকে নিয়েও বিশেষ পরিকল্পনা বিসিবির