• ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১
logo
বকেয়া বেতনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন হাফিজ!
ওয়ানডে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর জাতীয় ক্রিকেট দলের ডিরেক্টর ও হেড কোচ হিসেবে মোহাম্মদ হাফিজকে নিয়োগ দিয়েছিলেন তৎকালীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান জাকা আশরাফ। দায়িত্ব পেয়ে মাত্র দুই সিরিজ (নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে) দায়িত্ব পালন করতে পেরেছেন হাফিজ। এরপর মহসিন নকভি পিসিবির নতুন চেয়ারম্যান হয়ে আসলে পদ হারান হাফিজ। এতদিনেও হাফিজকে তার প্রাপ্য বেতন তাকে পরিশোধ করেনি পিসিবি। নিজের বকেয়া বেতন নিতে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার। জানা গেছে, যে বেতনে পিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন হাফিজ, সে অর্থ পাননি তিনি। এমনকি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের দৈনিক ভাতাও তাকে পরিশোধ করেনি দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে এই সমস্যাটি সমাধানের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। ব্যস্ততার কারণে মহসিন নকভির সঙ্গে দেখা করা এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারেননি হাফিজ। ফলে বকেয়া বেতনও আদায় করতে পারেননি তিনি। হাফিজের অধীনে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় পাকিস্তান। শান মাসুদের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হারে তারা। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শাহিন শাহ আফ্রিদির নেতৃত্বে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ৪-১ ব্যবধানে হারে পাকিস্তান। দলের দুই ব্যর্থ মিশন শেষে নতুন চেয়ারম্যান মহসিন নকভি সিদ্ধান্ত নেন বাবর-রিজওয়ানদের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতেই কোচ ও ডিরেক্টরের পদ থেকে হাফিজকে সরানো হয়।
০৭ এপ্রিল ২০২৪, ১৭:০১

বকেয়া বেতনের দাবিতে পাকিস্তানে শিক্ষকদের বিক্ষোভ
তিন মাসের বকেয়াসহ ৩৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করেছে বেলুচিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি’ (জেএসি) ব্যানারে সম্প্রতি তারা একটি মিছিল নিয়ে কোয়েটায় প্রেস ক্লাবের সামনে হাজির হন। বেলুচিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক দুরাবস্থার দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তারা। দ্য বেলুচিস্তান পোস্ট জানিয়েছে, গত বছরের শিক্ষা বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়টির গবেষণা সেন্টারের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। সেটির বাস্তবায়ন আর বকেয়া বেতনের দাবিতে তারা বিক্ষোভ করেন। মিছিল নিয়ে তারা কোয়েটার সচিবালয়, কমিশনার অফিস, হকি চৌক, কাছেরি চৌক, মান্নান চৌক এলাকা ঘুরে কোয়েটা প্রেস ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ করেন।  বিক্ষোভে নেতৃত্বে দেন অধ্যাপক কলিম উল্লাহ বারেচ, এপিএলএফ চেয়ারম্যান শাহ আলী বুগতি, নাজির আহমেদ লেহরি, পিকেএমএপি’র মোহাম্মদ ঈসা রোশন, বিএসও’র সামাদ বেলুচ, নাজার মেঙ্গল, বেলুচিস্তান লেবার ফেডারেশনের আবিদ বাট, ফরিদ খান আচাকজাই, ফারহানা উমর মাগসি। বিক্ষোভকারীরা বলেন, রোজার মাসে বেলুচিস্তান বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মজুরি ও পেনশনের জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে, যা নিয়ে তারা হতাশ। এই ঘটনায় বেলুচিস্তান সরকার ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের অবহেলা ও সদিচ্ছার অভাবের কথা বলেন তারা। রোজার মধ্যে এভাবে মজুরি আর বেতন না বাড়ানোয় আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরেন শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাক্তন উপাচার্যের অবৈধ নিয়োগ কার্যক্রম ও অদক্ষতার নিয়ে তারা সমালোচনা করেন।
২৩ মার্চ ২০২৪, ১৫:৫২

ট্রেইনি চিকিৎসকদের বকেয়া ভাতার দাবি, ২ দিনের আল্টিমেটাম
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা গত ৯ মাস যাবৎ কোনো ধরনের ভাতা না পাওয়ায় বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এ সময় আগামী দুই দিনের মধ্যে বকেয়া ভাতা পরিশোধ না হলে বৃহৎ আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। শনিবার (১৬ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে বিসিপিএস ভবনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। জানা গেছে, বিসিপিএস ভবনের ৯ তলায় সমবেত হন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেইনি চিকিৎসকরা। পরে বিসিপিএসের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাসহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। এ সময় বিসিপিএস থেকে এক মাসের সময় চাইলেও তা মানতে আপত্তি জানায় আন্দোলনকারীরা। ‘টাকা নেই ডিউটি নেই’ এমন স্লোগান তুলে ভাতা দিতে না পারলে ব্যর্থতার দায় নিয়ে কর্মকর্তাদের পদত্যাগের দাবি জানান তারা। চিকিৎসকদের অভিযোগ, প্রতিমাসে ২৫ হাজার টাকা করে ছয় মাসে দেড় লাখ টাকা ভাতা দেওয়ার কথা। এর আগে ২০ হাজার করে যখন ভাতা ছিল তখন ছয় মাস পর পর এক লাখ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। এ হিসfবে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের টাকা জানুয়ারির শুরুতে দেওয়ার কথা। কিন্তু মার্চের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও ভাতা দিতে নানাভাবে তালবাহানা করা হচ্ছে। নিয়মিত যদি ভাতা না পাই তাহলে আমরা কীভাবে চলব, আর পরিবার কীভাবে চলবে?  এ সময় আগামী দুদিনের মধ্যে ভাতা পরিশোধ না হলে বৃহৎ আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন চিকিৎসকরা। এ বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাবির হোসাইন বলেন, এফসিপিএস করতে প্রতিদিন বহু রোগী আমাদের দেখতে হয়। চিকিৎসক হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্ব, তাই আমরা করব সমস্যা নেই। কিন্তু ভাতাটা আমাদের ঠিকঠাক দিতে হবে।  তিনি বলেন, ছয় মাস পরপর ভাতা দেওয়ার কথা। কিন্তু এবার সেটা ৯ মাস হয়ে গেছে। এটা দিয়েই আমাদের চলতে হয়, পরিবারকে চালাতে হয়। জানুয়ারির শুরুতে ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও এখন বলা হচ্ছে আরও এক মাস সময় লাগবে। আমরা এটি চাই না। দুদিনের মধ্যে না দিতে পারলে আমরা চূড়ান্ত আন্দোলনে যাব। তিনি আরও বলেন, আমরা মানুষের সেবা দিই, কিন্তু আমাদের ভাতা পেতে আন্দোলন করতে হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক। কর্মকর্তাদের ঈদ আছে, পরিবার আছে। আমাদের কিছু নেই? বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহিদুল্লা ট্রেইনি ডাক্তারদের বলেন, ভাতা প্রদানের বিষয়টির ব্যাপারে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছেন। ভাতার টাকা তিন ভাগে আসে। দুইভাগ চলে এসেছে, বাকিটা পরে আসবে।  তিনি বলেন, বর্তমানে ভাতার যে টাকাটা আছে তা একহাজার জনকে দেওয়া যাবে। সবাইকে দিতে হলে এক মাস সময় দরকার। একইসঙ্গে ভাতার পরিমাণ বাড়ায় তা সমন্বয় করতে সময় লাগছে।
১৬ মার্চ ২০২৪, ১৪:৪০
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়