ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

কিছু কিছু মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত কষ্টের, বেদনার: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ০৮:১৪ পিএম
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২০, ১১:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা (ফাইল ছবি)

সত্যিই আমাদের দুর্ভাগ্য, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বর্তমান সংসদের চারজন সংসদ সদস্য মারা গেলেন। মানুষ জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত। কিন্তু কিছু কিছু মৃত্যু সত্যিই অত্যন্ত কষ্টের, বেদনার। প্রয়াত সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের কর্মজীবনে সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দেশপ্রেম ছিল অসামান্য। হঠাৎ করেই এত তাড়াতাড়ি তিনি এভাবে চলে যাবেন, তা কখনও ভাবতেও পারিনি।

বললেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ সব কথা বলেন।

আবেগজড়িত কণ্ঠে এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, এবারের সংসদের দুর্ভাগ্য পরপর চারজন সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার, ডা. মোজাম্মেল হক, আবদুল মান্নান এবং সবশেষ আজ (মঙ্গলবার) ইসমাত আরা সাদেক মারা গেলেন। ইসমাত আরা সাদেক অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে সব কাজ করতেন। তার সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা, দেশপ্রেমও ছিল অসামান্য।

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন তোফায়েল আহমেদ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ, সরকারি দলের কাজী নাবিল আহমেদ, ওয়াশিকা আয়েশা খান, আ ক ম সারোয়ার জাহান ও জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নান।

আলোচনা শেষে শোক প্রস্তাবটি সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়। পরে প্রয়াত সংসদ সদস্য ইসমাত আরা সাদেকের রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন এবং মোনাজাত শেষে রেওয়াজ অনুযায়ী সংসদের বাকি কার্যক্রম স্থগিত রেখে সংসদের অধিবেশন বুধবার বিকাল সোয়া চারটা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী।

শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জন্ম নিলে মৃত্যু অবধারিত। কিন্তু সেই মৃত্যু এমন সময় হয়, সেটা সত্যি খুব কষ্টকর। মিসেস সাদেক আসলে একজন গৃহিণী ছিলেন। বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে জড়িত থাকলেও কখনও রাজনীতিতে খুব সক্রিয় ছিলেন না। তার স্বামী প্রয়াত এএসএইচকে সাদেক যখন ১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগ যোগদান করেন। ১৯৯৬ সালে যখন প্রথম সরকার গঠন করি, তখন প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেকের স্বামী এএসএইচকে সাদেককে মন্ত্রী বানিয়েছিলাম। শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালে তিনি অনেক কাজ করে গেছেন। ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস করা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করার জন্য গঠিত কমিটিও তারই নেতৃত্বে ছিল। মন্ত্রী সাদেক ওই কমিটির সভাপতি হিসেবে বারবার ভিয়েনাতে গেছেন, প্ল্যান্টের অনেক কাজ তিনি করে গিয়েছেন। এ ছাড়া সুন্দরবনকে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণার ক্ষেত্রেও তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষামন্ত্রী সাদেকের মৃত্যুর পর মিসেস সাদেককে যখন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুরোধ করলাম, তখন প্রথমে তিনি ঘাবড়ে গিয়ে বলেছিলেন, আমি এটা করতে পারব? আমি বলেছিলাম, আপনি পারবেন। ওই নির্বাচন করে জিতে আসার পর প্রথমে তাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিলাম। তখন প্রয়াত ইসমাত আরা সাদেক বললেন, আমি তো কখনও এভাবে অফিস চালাইনি, কখনও কিছু করিনি, আমি তো গৃহিণী ছিলাম। আমি কিভাবে করব? আমি বলেছিলাম, যেহেতু আপনি শিক্ষিত মহিলা, আমি আছি আপনার সঙ্গে, কোনো চিন্তা নেই। যখন যা দরকার হবে আপনি বলবেন, আর আপনি পারবেন এটা আমার বিশ্বাস। এরপর প্রতিটি কাজ অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সততার সঙ্গে করে গেছেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ইসমাত আরা সাদেককে জনপ্রশাসনের দায়িত্ব দিলাম। তখনও তিনি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিলেন। প্রতি সপ্তাহে তার সঙ্গে বসতাম। সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি কাজ করতেন। প্রতিটি কাজে তার সততা ও একাগ্রতা ছিল অসামান্য।

তিনি বলেন, মাত্র এক সপ্তাহ আগে আমার সঙ্গে দেখা করে মিসেস সাদেক আমাকে বললেন- শরীরটা খুব খারাপ। অপারেশন করতে হবে। তখন তাকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলাম- অপারেশনের আগে দ্বিতীয় অভিমত নিন। অনেকক্ষণ কথা হলো। কিন্তু উনি আজ আর নেই। কেশবপুরের উন্নয়নে তিনি অনেক কাজ করে গেছেন। তাকে ভুগতে হলো না।কিন্তু তিনি এত তাড়াতাড়ি চলে যাবেন ভাবতেও পারিনি।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ইসমাত আরা সাদেক অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন। তার স্বামী প্রয়াত শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেকও ছিলেন অত্যন্ত উচ্চশিক্ষিত ও অভিজাত পরিবারের সদস্য। আমাদেরও চলে যেতে হবে। কিন্তু পরপর আমাদের কয়েকজন সংসদ সদস্য মারা গেলেন। এটা অত্যন্ত কষ্টের ও বেদনার।

এসজে/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক মোজাম্মেল হক বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার দীর্ঘদিন পরেও স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে কিছু মানুষ ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। স্বাধীনতাযুদ্ধকে তারা ‘ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ’ হিসেবে মিথ্যার করছেন। সম্প্রতি তুর্কির এক মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তুর্কির মন্ত্রী বলেছিলেন- ভারতের প্রয়োচনায় বাঙালিরা পশ্চিম ও পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছেন। তারা ভাবেন ইসলামকে ধ্বংস করেছি আমরা। সেই সুর আবারও গাইছে, যা ২৩ বছর শুনেছি। এসব বিষয় নিয়ে তর্কির ওই মন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় আধাঘণ্টা ঝগড়া হয়েছিল বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গবেষণা গ্রন্থ ‘নৌ যুদ্ধ একাত্ত’-এর মোড়ক উন্মোচনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। স্বাধীনতাযুদ্ধের লিখিত ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই বলে মিথ্যাচারের জবাব দিতে পারছি না। এজন্য একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আগামী দুই থেকে তিন মাসের ভেতর ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাঁথা’ নামে একটি গল্প রেকর্ডিং করা হবে। স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা কি করেছেন এবং সহযোদ্ধারা কি দেখেছেন সেটি রেকর্ড করা হবে। এতে বিশ্ববাসী জানতে পারবেন মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ঘটনাটা কি ছিল? মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘদিন পরও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন। এই যুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে চালিয়ে ইসলামপন্থী দেশগুলোর মগজ ধোলাই করেছে, যেন বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধে কিছুই করেনি। ভারত এসে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়ে আমাদের দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লিখিত জবাব দিতে হবে। এসআর/এফএ  
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
খৃষ্টীয় নববর্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, নানা ঘটনা দূর্ঘটনার কালের সাক্ষী হয়ে বছরটি বিদায় নিলো। গত বছরের সকল ব্যর্থতা ও হতাশার গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে এবং সাফল্যকে সঞ্চয় করে আগামী পথ চলার দৃঢ় প্রত্যয় গ্রহণ করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে এক বানীতে তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও হৃত গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার সংগ্রামে সকলকে নতুনভাবে ব্রতী হতে হবে। আমাদের কর্মে নতুন বছরটি যাতে সাফল্য এবং সমৃদ্ধির বছরে পরিণত হয় সে লক্ষ্যে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ণ, নির্যাতন। বন্ধ হউক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সকল ধরণের দমনমুলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। হৃত গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। এমকে
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকার উদ্দেশে সাতক্ষীরা থেকে যশোর বিমান বন্দরে আসার পথে কলোরা বাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি। আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পৌনে তিনটার দিকে কলারোয়া–যশোর মহাসড়কের কলারোয়া বাজারে রিজভীকে বহনকারী গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এসময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ঘটনাস্থল থেকে মুঠোফোনে রুহুল কবির রিজভী জানান, তাকে বহনকারী প্রাইভেট কারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।  সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে যশোর বিমান বন্দরে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে একটি ভ্যান প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে। এসময় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও  প্রাইভেট কারে থাকা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও হাবিব উভয়েই আল্লাহ্ অসীম রহমতে ও দেশবাসীর দোয়ায় ঠিক আছেন। আঘাত পেলেও তেমন গুরুতর নয় বলে জানান রিজভী। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য ছিল। এই মামলায় সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে আসামি করা হয়। এম
অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি সরকারের উন্নয়ন দেখেও দেখে না। তারা চোখ বন্ধ করে রাখে। আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে বলে আশা করেন তিনি।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রযুক্তির কারণে আমরা অনেক কিছু চালু রাখতে পেরেছি। করোনার যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশ হওয়ায় আমরা মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের দলের লোকজন করোনায় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অনেক নেতাকর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মী করোনায় মারা গেছেন। বিএনপি করোনায় জনগণের পাশে ছিল না। তারা দলীয় স্বার্থের বাইরে যেতে পারে না। তিনি আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে দেশ শক্তিশালী হবে। আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করি। সমালোচনাবিহীন দেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না। সংবাদমাধ্যম ক্ষমতাবানকে ক্ষমতাহীন করতে পারে। আবার ক্ষমতাহীনকেও ক্ষমতাবান করতে পারে। তাই আমরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে লালন করি। এসএস
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না, জনগণ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চায়। আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে চায়। আর এজন্যই বিএনপির ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি ও মিথ্যাচারে জনগণ সাড়া দেয় না।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।  ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই নিয়মিত নির্বাচন, উপ নির্বাচন হচ্ছে, সেই নির্বাচনে বিএনপিও নিয়মিত অংশ নিতে পারছে এবং জয়লাভও করছে। দেশে কোনও স্বৈরতন্ত্র নেই, আছে গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ আর বাক-স্বাধীনতা। আর তাই বিএনপি প্রতিনিয়ত সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারছে, পারছে অবিরাম বিষোদগার করতে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে বিএনপির নেতিবাচক ও অতি ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিই প্রধান বাধা। বিএনপি এতোদিন ‘না’ ছাড়া কিছুই দেখতে পেতো না, এখন তারা ‘ধ্বংস’ দেখতে পায়। তিনি আরও বলেন, ধ্বংস নয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন সৃষ্টিশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযজ্ঞ চলছে। এসএস
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
আরও পড়ুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’
করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে না: প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও)