logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

আ.লীগ কর্মীদের পকেট ভর্তি করতে বঞ্চিত করা হচ্ছে কৃষকদের: ফখরুল

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৫ মে ২০১৯, ১৪:২৭ | আপডেট : ২৫ মে ২০১৯, ১৪:৪৫
ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পকেট ভারী করার জন্য তাদের ধান কেনার অনুমতি দিয়ে সরকার কৃষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে। বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (২৫ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ দাবিগুলো তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমরা কৃষকের পণ্যের ন্যায্য মূল্য, বিশেষ করে ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’ দাবিগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে, কৃষিঋণ মওকুফ করতে হবে। অন্য দাবির মধ্যে আছে কৃষকদের উৎপাদিত ধানের বিপরীতে সরকার ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী কৃষককে কমপক্ষে তিন মাসের জন্য সমপরিমাণ টাকা বিনা সুদে প্রদান করা, সরকারি পর্যায়ের ধান–চাল গুদামজাত করার ক্ষমতা হলো প্রায় ২১ দশমিক ৮ লাখ মেট্রিক টন, এই ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে বেশি পরিমাণে সরকারকে ধান ক্রয় করতে হবে। 

তিনি বলেন, কৃষকদের সহায়তার জন্য বেসরকারি গুদাম ভাড়া করে সেখানে ধান–চাল সংগ্রহ করতে হবে, কৃষকের কাছ থেকে বেশি পরিমাণ ধান ক্রয়ের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দ দিতে হবে। কৃষকদের হয়রানি কমিয়ে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান বা চাল কিনতে হবে, প্রান্তিক চাষি ও খেতমজুরদের জন্য বিশেষ সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, ধান–চাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে অসৎ কর্মকর্তাদের জড়িত করা যাবে না এবং অসৎ কর্মকর্তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

ফখরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দলীয় নেতাকর্মীদের পকেট ভারী করার জন্য তাদের ধান কেনার অনুমতি দিয়ে সরকার কৃষকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে। দেশে ধান উৎপাদন সম্পর্কে সরকার মিথ্যাচার করছে। মৌসুমের আগেই ধানের সংগ্রহ মূল্য ঘোষণা করা এবং সংগ্রহ মূল্য অবশ্যই উৎপাদন খরচের চেয়ে যৌক্তিক পরিমাণ বেশি হবে। 

তিনি বলেন, দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যের জোগানদাতা কৃষক পরিবারের অবস্থা আজ খুবই নাজুক ও দুর্বিষহ। কিন্তু কৃষকেরা ধানের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে হতাশাগ্রস্ত। দেশের প্রায় দেড় কোটি কৃষক পরিবারের আজ ত্রাহি অবস্থা।

এসজে/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়