• ঢাকা শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

আমরা আর বক্তব্যের মধ্যে থাকতে চাই না: ফখরুল

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:০৬ | আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৩৫
ফাইল ছবি
আন্দোলন-সংগ্রাম সফল না হলেও নেতাকর্মীদের হতাশ হওয়ার কোনও সুযোগ নেই বলে মনে করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুধু বক্তব্য নয় কাজের মাধ্যমে দলকে শক্তিশালী ও ডায়নামিক করেই কারাবন্দি দলনেত্রীর মুক্তির আন্দোলনও বেগবান করতে চান তিনি।

whirpool
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সব মামলা প্রত্যাহার এবং দলের নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মুক্তির দাবিতে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ফোরাম প্রতিবাদ সভাটির আয়োজন করে।

বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা স্বীকার করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমাদের হতাশ হওয়ার কোনও সুযোগ নেই। বুঝতে হবে, আমরা অত্যন্ত কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছি। আশা করি, শক্তিশালী সংগঠনের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন আর বক্তব্যের মধ্যে থাকতে চাই না। কিছু কাজ করতে চাই। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে ডাইনামিক সংগঠনে পরিণত করে দেশনেত্রীর মুক্তি, গণতন্ত্রের মুক্তি এবং আমাদের নেতাদের মুক্তির জন্য আমরা আন্দোলন করতে চাই।

আন্দোলন-লড়াইয়ের কোনও বিকল্প নেই এবং বড় কিছু পেতে হলে সংগ্রামের মধ্যেই পেতে হয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সরকার সুচিন্তিতভাবে অত্যন্ত গুছিয়ে একদলীয় শাসনের দিকে যাওয়া শুরু করেছে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা সেভাবে প্রতিরোধ করতে পারিনি।’

‘কারণ আওয়ামী লীগ সব রাষ্ট্রযন্ত্রকে দুঃশাসনের মধ্যে নিয়ে নজিরবিহীন নির্যাতন, নিপীড়ন চালিয়েছে। আপনাদের বুঝতে হবে ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক লড়াই সবসময় অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।’

বর্তমান সময় খুব কঠিন সময় আর এই সংগ্রামও খুব কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই সংগ্রামকে হাসি-খেলার মধ্য দিয়ে উত্তরণ সম্ভব নয়। আজকে আমরা যদি আন্তর্জাতিক রাজনীতির দিকে তাকাই দেখবেন সব জায়গায় কর্তৃত্ববাদ ঝুঁকে বসে আছে। গণতন্ত্র পিছিয়ে যাচ্ছে। যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন তারা সেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারছেন না।’

‘নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান আর ২০১৯ এক সময় নয়। এই কথাটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। এটা মাথায় রেখেই আমাদের পরবর্তী রণকৌশল নির্ধারণ করতে হবে। এর জন্য ভাবতে হবে, পড়তে হবে, আন্তর্জাতিক বিশ্ব সম্পর্কে জানতে হবে। আমাদের চিন্তা করতে হবে, বর্তমান পেক্ষাপটে সংগঠনকে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়। যাতে বিশ্ব রাজনীতির সঙ্গে লড়াই করতে পারি।’

এসজে/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়