জায়ানের মরদেহ দেশে, দেখতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ | ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:৩৬ | আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:৪০

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
বিমানবন্দর থেকে বনানী আসছে জায়ানের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স, ছবি: আরটিভি অনলাইন

শ্রীলঙ্কায় সংঘটিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি জায়ান চৌধুরীর মরদেহ ঢাকায় এসেছে।

আট বছরের জায়ানের মরদেহ বহনকারী শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের বিমান ইউএল-১৮৯ ফ্লাইটটি বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের টারমার্কে নাতি জায়ানের মরদেহ গ্রহণ করেন নানা শেখ ফজলুল করিম সেলিম। পরে সেখান থেকে সরাসরি বনানী ৯ নম্বর রোডের বাড়িতে নেয়া হয় জায়ানের মরদেহ। 

এদিকে, জায়ানকে শেষবারের মতো দেখতে দুপুর ২টার দিকে শেখ ফজলুল করিম সেলিমের বনানীর বাসায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে বাদ আসর বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। জায়ান চৌধুরী রাজধানীর উত্তরার সানবিমস স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

গেল রোববার শ্রীলঙ্কায় সংঘটিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপির নাতি জায়ান চৌধুরী প্রাণ হারান। এছাড়া তার জামাতা মশিউল হক চৌধুরী গুরুতর আহত হয়ে শ্রীলঙ্কার আনশ্রী সেন্ট্রাল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। শেখ ফজলুল করিম সেলিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই।

সম্প্রতি শেখ ফজলুল করিম সেলিমের মেয়ে শেখ সোনিয়া তার স্বামী মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স ও দুই ছেলেকে নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তারা কলম্বোর পাঁচ তারকা হোটেল শাংরি-লায় উঠেছিলেন।

গত রোববার শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডের প্রার্থনায় তিনটি চার্চ ও তিনটি হোটেলে ধারাবাহিক বোমা হামলায় অন্তত ৩২১ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন প্রায় ৫শ জন। এদিন কলম্বোর পাঁচ তারকা হোটেল শাংরি-লায় হোটেলেও বোমা হামলা হয়েছিল। সেসময় মশিউল হক চৌধুরী ও জায়ান চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছিলেন। এ সময়ে ছোট ছেলে জোহানকে নিয়ে হোটেল কক্ষে অবস্থান করছিলেন আমেনা সুলতানা সোনিয়া। তাই তারা প্রাণে বেঁচে যান।

এমসি/পি