logo
  • ঢাকা শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

যাদের বদলি গ্রামাঞ্চলে, তাদের গ্রামেই থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:১৫
 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাদের বদলি গ্রামাঞ্চলে, তাদের গ্রামেই থাকতে হবে। বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনমন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, একনেকে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতে মাঠ পর্যায়ে থাকেন, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

তবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গ্রামে ধরে রাখার উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্যও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।

এম এ মান্নান জানান যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তারা গ্রামে থাকতে চান না। আবার তারা গ্রামে থাকলেও তাদের পরিবার থাকে ঢাকায়। এ অবস্থায় তাদের মন পড়ে থাকে পরিবারের কাছে। ফলে জনগণকে সঠিক সেবা দিতে পারেন না। এ অবস্থায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যেন পরিবার নিয়ে গ্রামের কর্মস্থলেই থাকতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

মঙ্গলবারের একনেকে আটটি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে উপস্থাপিত প্রকল্পগুলো হলো- রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের আখাউড়া-সিলেট সেকশনের মিটারগেজ রেললাইনকে ডুয়েলগেজ রেললাইনে রূপান্তর’ প্রকল্প; পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ‘মাগুরা-শ্রীপুর জেলা মহাসড়ক বাঁক সরলীকরণসহ সম্প্রসারণ’ প্রকল্প; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের নতুন কার্যালয় ভবন এবং অডিটরিয়াম নির্মাণ’ প্রকল্প; প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন’ প্রকল্প; বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ‘বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন ফ্যাক্টরি স্থাপন, ডেমরা, ঢাকা’ প্রকল্প; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘বিসিএসআইআর ঢাকা ও চট্টগ্রাম কেন্দ্রে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শুটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ এবং ইনডোর ফার্মিং গবেষণা সংক্রান্ত সুবিধাদি স্থাপন’ প্রকল্প এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ঘুঘুমারী থেকে ফুলুয়ার চর ঘাট ও রাজিবপুর উপজেলা সদর (মেম্বার পাড়া) থেকে মোহনগঞ্জ বাজার পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন থেকে বাম তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্প।

এর মধ্যে সাতটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবি প্রায় ৬,৬২২ কোটি টাকা এবং প্রায় প্রকল্প ঋণ ১১ হজার ৫৬৯ কোটি টাকা।

এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়