
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বলছে তাদের প্রার্থী মাঠে নামতে পারছে না, কখনও বলছে নির্বাচনে থাকবে। আমরা মনে করি এগুলো তাদের অপকৌশল। এসব নির্বাচন ভণ্ডুল করার ষড়যন্ত্র। বললেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বুধবার দুপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নানক এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শুরু থেকেই নির্বাচন ভণ্ডুল করার জন্য কৌশল নিয়েছে। ভোটের মাত্র তিনদিন আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগ দাবি করে নির্বাচন ভণ্ডুল করার অপকৌশল মাত্র।
জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, তারা (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট) আসলে কী করতে চায় আমরা এবং দেশবাসী তা বুঝতে পারছি না। এসব ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের এই নেতা।
নানক বলেন, নির্বাচনে থাকা না থাকা যার যার ব্যাপার। কেউ নির্বাচনে না থাকলে তাতেও কোনো সমস্যার সম্ভাবনা নেই। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।
নানক আরও বলেন, কামাল হোসেনরা নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নানারকম উসকানি দিলেও নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন এবং কোনও প্রতিক্রিয়া দেখাননি। ড. কামাল হোসেনরা লাল কার্ড পাওয়ার মতো একাধিক ফাউল করলেও নির্বাচন কমিশন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে অত্যন্ত নমনীয় ভূমিকা পালন করছেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুর সবুর, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এমসি/এমকে




