DMCA.com Protection Status
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১২ বৈশাখ ১৪২৬

গাজীপুর সিটির নির্বাচন স্থগিতের শুনানি বৃহস্পতিবার

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৯ মে ২০১৮, ০৯:৫৩ | আপডেট : ০৯ মে ২০১৮, ১০:১১
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন স্থগিতের বিরুদ্ধে দুই মেয়র প্রার্থীর আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে এ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গতকাল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে হাইকোর্টের দেয়া স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

মঙ্গলবার আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার জজ আদালত এই আদেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশের বিষয়ে চেম্বার বিচারপতি নতুন করে কোনো আদেশ না দেয়ায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন স্থগিতই থাকছে বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : জনপ্রিয়তার কারণেই কারাগারে খালেদা জিয়া: মওদুদ
--------------------------------------------------------

হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। সোমবার সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। এদিন দুপুর দুইটায় এ শুনানির কথা ছিল। একইদিন হাইকোর্টের দেয়া তিন মাসের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। চেম্বার জজ আদালতে তার পক্ষে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী প্রার্থীরাও প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজা গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ হাইকোর্টে রোববার রিট করেন। তার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি। নির্বাচন স্থগিতে চারটি যুক্তি আদালতে তুলে ধরেন তিনি।

একইদিন রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সিটি করপোরেশন-২), ঢাকা জেলা প্রশাসক, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ ৯ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আরও পড়ুন :

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়