ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

৩০০ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:৩২ পিএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৩০০ আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার (২৬ নভেম্বর) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা শুরু করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

৩০০ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের তালিকা -

পঞ্চগড়-১ মো. নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া
পঞ্চগড়-২ মো. নূরুল ইসলাম সুজন

ঠাকুরগাঁও-১ রমেশ চন্দ্র সেন
ঠাকুরগাঁও-২ মো. মাজহারুল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-৩ মো. ইমদাদুল হক

দিনাজপুর-১ মনোরঞ্জন শীল গোপাল
দিনাজপুর-২ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী
দিনাজপুর-৩ ইকবালুর রহিম
দিনাজপুর-৪ আবুল হাসান মাহমুদ আলী
দিনাজপুর-৫ মোস্তাফিজুর রহমান
দিনাজপুর-৬ মো. শিবলী সাদিক

নীলফামারী-১ মো. আফতাব উদ্দিন সরকার
নীলফামারী-২ আসাদুজ্জামান নূর
নীলফামারী-৩ মো. গোলাম মোস্তফা
নীলফামারী-৪ মো. জাকির হোসেন বাবুল

লালমনিরহাট-১ মো. মোতাহার হোসেন
লালমনিরহাট-২ নুরুজ্জামান আহমেদ
লালমনিরহাট-৩ মো. মতিয়ার রহমান

রংপুর-১ মো. রেজাউল করিম রাজু
রংপুর-২ আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী
রংপুর-৩ তুষার কান্তি মন্ডল
রংপুর-৪ টিপু মুনশি
রংপুর-৫ রাশেক রহমান
রংপুর-৬ শিরীন শারমিন চৌধুরী

কুড়িগ্রাম-১ মো. আছলাম হোসেন সওদাগর
কুড়িগ্রাম-২ মো. জাফর আলী
কুড়িগ্রাম-৩ সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে
কুড়িগ্রাম-৪ মো. বিপ্লব হাসান

গাইবান্ধা-১ আফরুজা বারী
গাইবান্ধা-২ মাহাবুব আরা বেগম গিনি
গাইবান্ধা-৩ উম্মে কুলসুম স্মৃতি
গাইবান্ধা-৪ মো. আবুল কালাম আজাদ
গাইবান্ধা-৫ মাহমুদ হাসান

জয়পুরহাট-১ সামছুল আলম দুদু
জয়পুরহাট-২ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন

বগুড়া-১ সাহাদারা মান্নান
বগুড়া-২ তৌহিদুর রহমান মানিক
বগুড়া-৩ মো. সিরাজুল ইসলাম খান রাজু
বগুড়া-৪ মো. হেলাল উদ্দিন কবিরাজ
বগুড়া-৫ মো. মজিবর রহমান (মজনু)
বগুড়া-৬ রাগেবুল আহসান রিপু
বগুড়া-৭ মো. মোস্তফা আলম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মু. জিয়াউর রহমান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো. আব্দুল ওদুদ

নওগাঁ-১ সাধন চন্দ্র মজুমদার
নওগাঁ-২ মো. শহীদুজ্জামান সরকার
নওগাঁ-৩ সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্ত্তী
নওগাঁ-৪ মো. নাহিদ মোর্শেদ
নওগাঁ-৫ নিজাম উদ্দিন জলিল (জন)
নওগাঁ-৬ মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল

রাজশাহী-১ ওমর ফারুক চৌধুরী
রাজশাহী-২ মোহাম্মদ আলী
রাজশাহী-৩ মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ
রাজশাহী-৪ মো. আবুল কালাম আজাদ
রাজশাহী-৫ মো. আব্দুল ওয়াদুদ
রাজশাহী-৬ মো. শাহরিয়ার আলম

নাটোর-১ মো. শহিদুল ইসলাম (বকুল)
নাটোর-২ শফিকুল ইসলাম শিমুল
নাটোর-৩ জুনাইদ আহমেদ পলক
নাটোর-৪ মো. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী

সিরাজগঞ্জ-১ তানভীর শাকিল জয়
সিরাজগঞ্জ-২ মোছা. জান্নাত আরা হেনরী
সিরাজগঞ্জ-৩ মো. আব্দুল আজিজ
সিরাজগঞ্জ-৪ মো. শফিকুল ইসলাম
সিরাজগঞ্জ-৫ আব্দুল মমিন মন্ডল
সিরাজগঞ্জ-৬ চয়ন ইসলাম

পাবনা-১ মো. শামসুল হক টুকু
পাবনা-২ আহমেদ ফিরোজ কবির
পাবনা-৩ মো. মকবুল হোসেন
পাবনা-৪ গালিবুর রহমান শরীফ
পাবনা-৫ গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স

মেহেরপুর-১ ফরহাদ হোসেন
মেহেরপুর-২ আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক

কুষ্টিয়া-১ আ কা ম সরওয়ার জাহান
কুষ্টিয়া-২ পরে প্রকাশ করা হবে
কুষ্টিয়া-৩ মো. মাহবুবউল আলম হানিফ
কুষ্টিয়া-৪ সেলিম আলতাফ জর্জ

চুয়াডাঙ্গা-১ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন)
চুয়াডাঙ্গা-২ মো. আলী আজগার
ঝিনাইদহ-১ মো. আব্দুল হাই
ঝিনাইদহ-২ তাহজীব আলম সিদ্দিকী
ঝিনাইদহ-৩ মো. সালাহ উদ্দিন মিয়াজী
ঝিনাইদহ-৪ মো. আনোয়ারুল আজীম (আনার)

যশোর-১ শেখ আফিল উদ্দিন
যশোর-২ মো. তৌহিদুজজামান
যশোর-৩ কাজী নাবিল আহমেদ
যশোর-৪ এনামুল হক বাবুল
যশোর-৫ স্বপন ভট্টাচার্য্য
যশোর-৬ শাহীন চাকলাদার

মাগুরা-১ সাকিব আল হাসান
মাগুরা-২ শ্রী বীরেন শিকদার

নড়াইল-১ বি এম কবিরুল হক
নড়াইল-২ মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা

বাগেরহাট-১ শেখ হেলাল উদ্দীন
বাগেরহাট-২ শেখ তন্ময়
বাগেরহাট-৩ হাবিবুন নাহার
বাগেরহাট-৪ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ

খুলনা-১ ননী গোপাল মন্ডল
খুলনা-২ সেখ সালাহউদ্দিন
খুলনা-৩ এস এম কামাল হোসেন
খুলনা-৪ আব্দুস সালাম মূর্শেদী
খুলনা-৫ নারায়ন চন্দ্র চন্দ
খুলনা-৬ মো. রশীদুজ্জামান

সাতক্ষীরা-১ ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন
সাতক্ষীরা-২ মো. আসাদুজ্জামান বাবু
সাতক্ষীরা-৩ আ ফ ম রুহুল হক
সাতক্ষীরা-৪ এস এম আতাউল হক

বরগুনা-১ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু
বরগুনা-২ সুলতানা নাদিরা

পটুয়াখালী-১ মো. আফজাল হোসেন
পটুয়াখালী-২ আ স ম ফিরোজ
পটুয়াখালী-৩ এস এম শাহজাদা
পটুয়াখালী-৪ মো. মহিববুর রহমান

ভোলা-১ তোফায়েল আহমেদ
ভোলা-২ আলী আজম
ভোলা-৩ নুরন্নবী চৌধুরী
ভোলা-৪ আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব

বরিশাল-১ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্
বরিশাল-২ তালুকদার মো. ইউনুস
বরিশাল-৩ সরদার মো. খালেদ হোসেন
বরিশাল-৪ শাম্মী আহমেদ
বরিশাল-৫ জাহিদ ফারুক
বরিশাল-৬ আবদুল হাফিজ মল্লিক

ঝালকাঠি-১ বজলুল হক হারুন
ঝালকাঠি-২ আমির হোসেন আমু

পিরোজপুর-১ শ ম রেজাউল করিম
পিরোজপুর-২ কানাই লাল বিশ্বাস
পিরোজপুর-৩ মো. আশরাফুর রহমান

টাঙ্গাইল-১ মো. আব্দুর রাজ্জাক
টাঙ্গাইল-২ ছোট মনির
টাঙ্গাইল-৩ মো. কামরুল হাসান খান
টাঙ্গাইল-৪ মো. মোজহারুল ইসলাম তালুকদার
টাঙ্গাইল-৫ মো. মামুন-অর-রশিদ
টাঙ্গাইল-৬ আহসানুল ইসলাম (টিটু)
টাঙ্গাইল-৭ খান আহমেদ শুভ
টাঙ্গাইল-৮ অনুপম শাহজাহান জয়

জামালপুর-১ নূর মোহাম্মদ
জামালপুর-২ মো. ফরিদুল হক খান
জামালপুর-৩ মির্জা আজম
জামালপুর-৪ মো. মাহবুবুর রহমান
জামালপুর-৫ মো. আবুল কালাম আজাদ

শেরপুর-১ মো. আতিউর রহমান আতিক
শেরপুর-২ মতিয়া চৌধুরী
শেরপুর-৩ এ ডি এম শহিদুল ইসলাম

ময়মনসিংহ-১ জুয়েল আরেং
ময়মনসিংহ-২ শরীফ আহমেদ
ময়মনসিংহ-৩ নিলুফার আনজুম
ময়মনসিংহ-৪ মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান
ময়মনসিংহ-৫ মো. আব্দুল হাই আকন্দ
ময়মনসিংহ-৬ মো. মোসলেম উদ্দিন
ময়মনসিংহ-৭ মো. হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী
ময়মনসিংহ-৮ মো. আব্দুছ ছাত্তার
ময়মনসিংহ-৯ আব্দুস সালাম
ময়মনসিংহ-১০ ফাহমী গোলন্দাজ (বাবেল)
ময়মনসিংহ-১১ কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ

নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী
নেত্রকোনা-২ মো. আশরাফ আলী খান খসরু
নেত্রকোনা-৩ অসীম কুমার উকিল
নেত্রকোনা-৪ সাজ্জাদুল হাসান
নেত্রকোনা-৫ আহমদ হোসেন

কিশোরগঞ্জ-১ সৈয়দা জাকিয়া নূর
কিশোরগঞ্জ-২ আবদুল কাহার আকন্দ
কিশোরগঞ্জ-৩ মো. নাসিরুল ইসলাম খান
কিশোরগঞ্জ-৪ রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক
কিশোরগঞ্জ-৫ মো. আফজাল হোসেন
কিশোরগঞ্জ-৬ নাজমুল হাসান


মানিকগঞ্জ-১ মো. আব্দুস সালাম
মানিকগঞ্জ-২ মমতাজ বেগম
মানিকগঞ্জ-৩ জাহিদ মালেক
মুন্সীগঞ্জ-১ মহিউদ্দিন আহমেদ
মুন্সীগঞ্জ-২ সাগুফতা ইয়াসমিন
মুন্সীগঞ্জ-৩ মৃনাল কান্তি দাস

ঢাকা-১ সালমান ফজলুর রহমান
ঢাকা-২ মো. কামরুল ইসলাম
ঢাকা-৩ নসরুল হামিদ
ঢাকা-৪ সানজিদা খানম
ঢাকা-৫ হারুনর রশীদ মুন্না
ঢাকা-৬ মোহাম্মদ সাইদ খোকন
ঢাকা-৭ মোহাম্মদ সোলায়মান সেলিম
ঢাকা-৮ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম
ঢাকা-৯ সাবের হোসেন চৌধুরী
ঢাকা-১০ ফেরদৌস আহমেদ
ঢাকা-১১ মোহাম্মদ ওয়াকিল উদ্দিন
ঢাকা-১২ আসাদুজ্জামান খান
ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক
ঢাকা-১৪ মো. মাইনুল হোসেন খান
ঢাকা-১৫ কামাল আহমেদ মজুমদার
ঢাকা-১৬ মো. ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ
ঢাকা-১৭ মোহাম্মদ আলী আরাফাত
ঢাকা-১৮ মোহাম্মদ হাবিব হাসান
ঢাকা-১৯ ডা. মো. এনামুর রহমান
ঢাকা-২০ বেনজীর আহমদ

গাজীপুর-১ আ ক ম, মোজাম্মেল হক
গাজীপুর-২ মো. জাহিদ আহসান রাসেল
গাজীপুর-৩ রুমানা আলী
গাজীপুর-৪ সিমিন হোসেন (রিমি)
গাজীপুর-৫ মেহের আফরোজ

নরসিংদী-১ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম
নরসিংদী-২ আনোয়ারুল আশরাফ খান
নরসিংদী-৩ ফজলে রাব্বি খান
নরসিংদী-৪ নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন
নরসিংদী-৫ রাজি উদ্দিন আহমেদ

নারায়ণগঞ্জ-১ গোলাম দস্তগীর গাজী
নারায়ণগঞ্জ-২ মো. নজরুল ইসলাম বাবু
নারায়ণগঞ্জ-৩ আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার
নারায়ণগঞ্জ-৪ শামীম ওসমান
নারায়ণগঞ্জ-৫ পরে প্রকাশ করা হবে

রাজবাড়ী-১ কাজী কেরামত আলী
রাজবাড়ী-২ মো. জিল্লুল হাকিম
ফরিদপুর-১ মো. আব্দুর রহমান
ফরিদপুর-২ শাহদাব আকবর
ফরিদপুর-৩ শামীম হক
ফরিদপুর-৪ কাজী জাফর উল্যাহ

গোপালগঞ্জ-১ মুহাম্মদ ফারুক খান
গোপালগঞ্জ-২ শেখ ফজলুল করিম সেলিম
গোপালগঞ্জ-৩ শেখ হাসিনা

মাদারীপুর-১ নূর-ই-আলম চৌধুরী
মাদারীপুর-২ শাজাহান খান
মাদারীপুর-৩ মো. আবদুস সোবহান মিয়া

শরীয়তপুর-১ মো. ইকবাল হোসেন
শরীয়তপুর-২ এ কে এম এনামুল হক শামীম
শরীয়তপুর-৩ নাহিম রাজ্জাক

সুনামগঞ্জ-১ রনজিত চন্দ্র সরকার
সুনামগঞ্জ-২ চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
সুনামগঞ্জ-৩ এম এ মান্নান
সুনামগঞ্জ-৪ মোহম্মদ সাদিক
সুনামগঞ্জ-৫ মুহিবুর রহমান মানিক

সিলেট-১ এ কে আব্দুল মোমেন
সিলেট-২ শফিকুর রহমান চৌধুরী
সিলেট-৩ হাবিবুর রহমান
সিলেট-৪ ইমরান আহমদ
সিলেট-৫ মাসুক উদ্দিন আহমদ
সিলেট-৬ নুরুল ইসলাম নাহিদ

মৌলভীবাজার-১ মো. শাহাব উদ্দিন
মৌলভীবাজার-২ শফিউল আলম চৌধুরী
মৌলভীবাজার-৩ মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান
মৌলভীবাজার-৪ মো. আব্দুস শহীদ

হবিগঞ্জ-১ ডা. মো. মুশফিক হুসেন চৌধুরী
হবিগঞ্জ-২ ময়েজ উদ্দিন শরীফ
হবিগঞ্জ-৩ মো. আবু জাহির
হবিগঞ্জ-৪ মো. মাহাবুব আলী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ মো. শাহজাহান আলম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আনিসুল হক
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ ফয়জুর রহমান
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ ক্যাপ্টেন (অব.) এ বি তাজুল ইসলাম

কুমিল্লা-১ মো. আবদুস সবুর
কুমিল্লা-২ সেলিমা আহমাদ
কুমিল্লা-৩ ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন
কুমিল্লা-৪ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল
কুমিল্লা-৫ আবুল হাসেম খান
কুমিল্লা-৬ আ ক ম বাহাউদ্দীন
কুমিল্লা-৭ প্রান গোপাল দত্ত
কুমিল্লা-৮ আবু জাফর মোহাম্মদ শফি উদ্দিন
কুমিল্লা-৯ মো. তাজুল ইসলাম
কুমিল্লা-১০ আহম মুস্তফা কামাল
কুমিল্লা-১১ মো. মুজিবুল হক

চাঁদপুর-১ সেলিম মাহমুদ
চাঁদপুর-২ মোফাজ্জল হোসাইন চৌধুরী
চাঁদপুর-৩ ডা. দীপু মনি
চাঁদপুর-৪ মুহম্মদ শফিকুর রহমান
চাঁদপুর-৫ রফিকুল ইসলাম

ফেনী-১ আলাউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী
ফেনী-২ নিজাম উদ্দিন হাজারী
ফেনী-৩ মো. আবুল বাশার

নোয়াখালী-১ এইচ এম ইব্রাহিম
নোয়াখালী-২ মোরশেদ আলম
নোয়াখালী-৩ মো. মামুনুর রশীদ কিরন
নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী
নোয়াখালী-৫ ওবায়দুল কাদের
নোয়াখালী-৬ মোহাম্মদ আলী

লক্ষ্মীপুর-১ আনোয়ার হোসেন খান
লক্ষ্মীপুর-২ নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন
লক্ষ্মীপুর-৩ মোহাম্মদ গোলাম ফারুক
লক্ষ্মীপুর-৪ ফরিদুন্নাহার লাইলী

চট্টগ্রাম-১ মাহাবুব উর রহমান
চট্টগ্রাম-২ খাদিজাতুল আনোয়ার
চট্টগ্রাম-৩ মাহফুজুর রহমান
চট্টগ্রাম-৪ এস এম আল মামুন
চট্টগ্রাম-৫ মোহাম্মদ আবদুস সালাম
চট্টগ্রাম-৬ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী
চট্টগ্রাম-৭ মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ
চট্টগ্রাম-৮ নোমান আল মাহমুদ
চট্টগ্রাম-৯ মহিবুল হাসান চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১০ মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু
চট্টগ্রাম-১১ এম আবদুল লতিফ
চট্টগ্রাম-১২ মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৩ সাইফুজ্জামান চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৪ মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৫ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন
চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী


কক্সবাজার-১ সালাহ উদ্দীন আহমদ
কক্সবাজার-২ আশেক উল্লাহ রফিক
কক্সবাজার-৩ সাইমুম সরওয়ার কমল
কক্সবাজার-৪ শাহীন আক্তার

খাগড়াছড়ি- কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা
রাঙ্গামাটি- দীপংকর তালুকদার
বান্দরবান- বীর বাহাদুর উ শৈ সিং

এদিকে দুটি আসনের প্রার্থীর নাম আজ ঘোষণা করা হয়নি। একটি হলো নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন এবং আরেকটি কুষ্টিয়া-২ আসন।

এর আগে, সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বেশির ভাগ আসনের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হলেও কৌশলগত কারণে সে তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছিল না। চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের আগে সকাল ১০টার পর গণভবনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভায় তিনি বলেন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ পাস করে আসতে পারবেন না। প্রত্যেক প্রার্থীকেই একজন করে দলীয় ডামি প্রার্থী রাখতে হবে।

মনোনয়ন ঘোষণা হবে জেনে এদিন সকাল থেকেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কার্যালয়ের বাইরেও বহু নেতাকর্মী নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর মনোনয়ন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। সেখানে নেতাকর্মীরা মনোনয়নপ্রত্যাশীদের পক্ষে নানান স্লোগান দিচ্ছেন।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ৩ হাজার ৩৬২ জন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেরপুরে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, হামলার অভিযোগ 
শেরপুর-১ (সদর) আসনের ট্রাক মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন ছানু অভিযোগ করে বলেছেন, শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নৌকার প্রার্থী হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক তার নিশ্চিত পরাজয় জেনে আমার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার করছেন।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে শেরপুর টাউনের নিউ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সাংবাদিক মত বিনিময় সভায় ট্রাক মার্কার প্রার্থী এসব কথা বলেন।  তিনি বলেন, প্রকাশ্যে আমাকে ও আমার কর্মীদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে আমার কর্মীদের হামলা করে অন্তত ১০ জনকে আহত করেছেন। আমার কর্মীদের মোটর সাইকেল ভাঙচুর, ট্রাক মার্কার নির্বাচনী কেন্দ্র করতে বাধা দিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, তিনি সদর উপজেলার চিহ্নিত কামারিয়া, রৌহা, বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ও ধলা ইউনিয়নে সিল মারাসহ নির্বাচন ভন্ডুল করার ষড়যন্ত্র করছেন। ওইসব এলাকায় আমার কর্মীরা নীরাপত্তহীনতায় আতংকের মধ্যে রয়েছেন। নৌকার প্রার্থী বৈধ-অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন করে ট্রাকের কর্মীদের হুমকি দিয়ে ভীতি প্রদর্শন করছেন।  তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অবৈধ টাকা, কম্বল, শাড়ী, লুঙ্গীসহ উপঢৌকন দিয়ে ভোট কেনার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। নৌকার প্রার্থীর মেয়ে একজন সরকারী কর্মকর্তা হয়েও নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তার অধীনস্থ কর্মচারীদের দিয়ে উঠান বৈঠকের নামে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছে। কেউ প্রচারনা না করলে তাকে বদলীসহ নানা শাস্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।  ছানোয়ার হোসেন বলেন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র তারা নিজস্ব গাড়ীতে চলাচল করছেন, তারা সরকারী গাড়ী ব্যবহার করছেন না। অথচ আতিক সাহেব তার গানম্যানের অস্ত্র দেখিয়ে ভীতির সঞ্চার করে যাচ্ছেন।  তিনি আরও বলেন, আমরা সুনামের সাথে ব্যবসা করি। যে কারণে শেরপুরের ১৫টি ব্যবসায়ী সংগঠন আমাকে সমর্থন দিয়েছে। তিনি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করতে চাই। আর হুইপ সাহেবের বিশেষ বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত কামারিয়া, রৌহা, বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ও ধলা ইউনিয়নে নিরপেক্ষ ভোট চাই। সদর আসনের ভোটাররা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে অবাধে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ করেন।  এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, শেরপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর রুমান, শেরপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির নেতা আলহাজ্ব মো. ইলিয়াছ উদ্দিন, শেরপুর জেলা জাসদ সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুন্নাহার কামাল, জেলা যুবলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মো. হাবিবুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ফারহানা পারভীন মুন্নীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মত বিনিময় সভায় ছানু সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনসহ সত্য, সঠিক সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান। একই সময় তিনি প্রতিবারের ন্যায় যেন এবারো বিশেষ চারটি ইউনিয়নে সীল না মারতে পারে সে ব্যাপারে ভূমিকা রাখার জন্য অনুরোধ করেন।
শেরপুরে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, হামলার অভিযোগ 
কুড়িগ্রাম-২  / আ.লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে হবে জাপার লড়াই
কুড়িগ্রাম-২ আসনটি কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট ও ফুলবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত। আর এ আসনে এবার ভোটের লড়াই হবে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ট্রাক প্রতীকের বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. হামিদুল হক খন্দকারের সঙ্গে জাতীয় পার্টির লাঙল প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদের।এ আসনে আ.লীগের প্রার্থী ও সাবেক এমপি মো. জাফর আলী নৌকার প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলেও বাংলাদেশ আ.লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শরিক দল হিসেবে জাপাকে শেষ পর্যন্ত আসনটি ছেড়ে দেয়া হয়। পরবর্তীতে এ আসনে আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চিকিৎসাক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন এমন একজন প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা ড. হামিদুল হক খন্দকার। তিনি আ. লীগের প্রার্থী হলেও মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ট্রাক প্রতীকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আর এ প্রার্থীর সাথে দলীয় অনেক নেতা কর্মীও প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে একসাথে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ার তুলে ধরছেন। বিগত দিনে এলাকায় যে উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়েছে তা ভোটারদের সামনে তুলে ধরছেন। তাকে নতুন একজন প্রার্থী হিসেবে ভোটাররাও আনন্দের সাথে সাড়া দিচ্ছেন বলে ভোটাররা জানান। ভোটারদের মতে, এ আসনটিতে এবার ট্রাক ও লাঙলের হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। স্বতন্ত্র প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক খন্দকার তার নিজ এলাকা ফুলবাড়ী উপজেলাসহ সদর উপজেলা ও রাজারহাটে চালাচ্ছেন ব্যাপক প্রচার প্রচারণা। স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, কুড়িগ্রাম-২ আসনটি উন্নয়নের জন্য আ. লীগ সরকার অনেক কিছু করলেও জাপার প্রার্থী বারবার এমপি হওয়ায় তা কাঙ্খিত সফলতা হয়নি। তাই সকল ভোটার এবার নতুন মুখ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা ডা. হামিদুল হক খন্দকারকে বেছে নেবেন বলে জানান। এজন্য তার পক্ষে জেলার অনেক নেতাকর্মী সরাসরি গণসংযোগে অংশ নিয়েছেন। ট্রাক প্রতীকে প্রার্থীসহ উঠোন বৈঠক ও বিভিন্ন মিটিং মিছিলে অংশ নিচ্ছেন তারা। এছাড়াও ভোট চাওয়ার পাশাপাশি মাইকিং, পোষ্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ ও পথসভায় অংশগ্রহণেও চলছে দুই প্রার্থীরগণসংযোগ।  অপরদিকে, জাপার প্রার্থী লাঙল প্রতীকের পনির উদ্দিন আহমেদও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দলটিতে সাংগঠনিক দুর্বলতা থাকায় তার কর্মী সমর্থক মাঠে কম দেখা যায়। তবে ভোটারদের মধ্যে অনেকেই এ আসনটি লাঙলের ঘাটি বলে এবারেও লাঙল জয়ী হবে বলে আশা অনেকের। লাঙলের প্রার্থীর সঙ্গে আ. লীগের একাংশ যুক্ত হয়ে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন বলেও দাবি প্রার্থীর। মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লাঙলের প্রার্থী এরুপ দাবি করেন। কুড়িগ্রামে ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে কুড়িগ্রাম-২ আসনে মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৭জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. হামিদুল হক খন্দকার ও লাঙলের প্রার্থী পনির উদ্দিন আহমেদের মধ্যেই হবে মূল ভোটের লড়াই। এছাড়াও রয়েছেন আরও দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫ জন। 
আ.লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সঙ্গে হবে জাপার লড়াই
লক্ষ্মীপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এসপিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হুমকি
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় লক্ষীপুর জেলা প্রশাসক নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ করেছেন। ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র এ প্রার্থী বাংলাদেশ যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান নির্বাচন কমিশন (ইসি) বরাবর স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ করেন বলে জানা যায়। জেলা প্রশাসক সুপারিশ পত্রে বলা হয়, নির্বাচন কার্যক্রম শুরু থেকে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান পবনের আচরণের বিষয়ে সময়ে সময়ে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়। কিন্তু এ স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটার্নিং অফিসারকে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি প্রদানের ঘটনায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে তাদের মধ্যে ভয়-ভীতি ও শঙ্কা কাজ করছে। নির্বাচন কমিশনকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সুপারিশ পত্রে বলা হয়, ১৯৭২-এর ৮৪ (ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে লক্ষ্মীপুর-১ সংসদীয় আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন (প্রতীক-ঈগল) অপরাধ করেছেন। তার অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ অবস্থা বজায় রাখাসহ মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনের দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের মনোবল অক্ষুন্ন রাখার স্বার্থে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। লক্ষ্মীপুর-১ আসনের নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ইসি বরাবর জানিয়ে জেলা প্রশাসক পক্ষ থেকে বলা হয়, চলমান দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, র‍্যাব, আনসার, কোস্টগার্ডসহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী দায়িত্ব পালন কাজে নিয়োজিত রয়েছে। সবার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও জেলার আইনশৃঙ্খলা ও নির্বাচনী পরিবেশ এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। প্রার্থীদের সহাবস্থান নিশ্চিতে নির্বাচনী এলাকায় জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ টহল চলমান রয়েছে। জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাতটা ২২ মিনিটে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহানকে হোয়াটসএ্যাপে ফোন করেন। এ সময় তিনি ফোন কলে নির্বাচনী বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে আলোচনার উচ্চবাচ্য শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অকথ্য ভাষায় আপত্তিকর বক্তব্য দেন। ইসি বরাবর জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী তার বক্তব্যে রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে তিন দিনের মধ্যে বদলিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে মন্তব্য করেন ও হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আপনার সব কথা রেকর্ড হচ্ছে। আমি বুঝে গেছি আপনারা থাকলে আমি নির্বাচন করতে পারব না। আপনি যা যা বলেছেন কিছুই করেননি। আমি (স্বতন্ত্র প্রার্থী) আপনাকে (২৮ ডিসেম্বর) ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। দৃশ্যমান কিছুই করেন নাই, কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। কোনো অভিযোগ দিলে আপনি পাঠান এসপির কাছে, এসপি পাঠায় আপনার কাছে। এসপি আমাকে আইন দেখায়। আপনি আর এসপি এখানে কীভাবে কাজ করেন তা আমি দেখে নিব। আপনি আর এসপি আগামী তিন দিনের মধ্যে এর ফলাফল জানতে পারবেন। আপনারা জানেন না আমি কোথায় যেতে পারি। আগামীকাল নির্বাচন কমিশনে যাবো, আপনারা কীভাবে এখানে থাকেন তা আমি দেখবো।’ প্রায় ৪ মিনিট বক্তব্য প্রদানকালে জেলা প্রাশাসক ও পুলিশ সুপারকে বিভিন্ন হুমকি দেন বলে ওই পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।  
লক্ষ্মীপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও এসপিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর হুমকি
সিরাজগঞ্জে বিএনপির ৫ নেতা বহিষ্কার 
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ সিরাজগঞ্জে বিএনপির পাঁচ নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্র।  রোববার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।  বিএনপির বহিষ্কৃত নেতারা হলেন সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল, এনায়েতপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম মাস্টার, চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সহসভাপতি বাবুল সরকার ও সদস্য ইউনুছ শিকদার। জেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, বহিষ্কৃত বিএনপি নেতারা সিরাজগ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) স্বতন্ত্রপ্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে নির্বাচনি প্রচরণায় অংশ নিয়েছিলেন এমন অভিযোগ করা হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে। এ কারণে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে।  তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে বেলকুচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহপ্রচার সম্পাদক আমীরুল ইসলাম আলীম ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাদের বহিষ্কার করেছেন। গত শুক্রবার আমার নেতৃত্বে বেলকুচিতে লিফলেট বিতরণ করা হয়। বরং আলীমকে ২৮ ডিসেম্বর পর থেকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি এই এলাকায় বিএনপিকে ধংসের পাঁয়তারা করছেন। দলের কোনো নেতাকর্মী তার সঙ্গে নেই। যারা আন্দোলনে মাঠে রয়েছে তাদের বহিষ্কার করতে আলীম উঠেপড়ে লেগেছেন।  সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান বলেন, বিএনপির পাঁচ নেতাকে বহিষ্কার করার বিষয় ফেসবুকে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে অবগত হয়েছি।  
সিরাজগঞ্জে বিএনপির ৫ নেতা বহিষ্কার 
জাতিসংঘসহ দূতাবাসগুলোর দ্বারস্থ বিএনপি
ফের জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কাছে যাচ্ছে বিএনপি। এ দফায় তারা দূতাবাসগুলোতে চিঠি দিয়েছে। আর এ চিঠি জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তর গ্রহণ করেছে বলে দাবি করছেন তারা। দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার এ চিঠি ঢাকাস্থ বিভিন্ন দূতাবাসে দেয়া হয়েছে। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষে চিঠির বিষয়টি তুলে ধরেন রুহুল কবীর রিজভী।  চিঠিতে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করতে রাষ্ট্রীয় মদদে অগ্নিসন্ত্রাস ও নাশকতা চলানো হচ্ছে দেশে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী তালিকা করে বিএনপির সক্রিয় নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসাচ্ছে। বিশেষত অগ্নিসন্ত্রাসের বানোয়াট অভিযোগে তারা ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীদের টার্গেট করছে। এই নির্বাচনকে ‘ডামি নির্বাচন’ দাবি করে চিঠিতে বিএনপি জানায়, বর্তমান সরকারের অধীনে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের দুটি বিতর্কিত নির্বাচনের পটভূমিতে আবারও আগামী ৭ জানুয়ারি নির্বাচনের নামে একটি প্রহসনমূলক ও সহিংস কারচুপির নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তথাকথিত এই ‘ডামি নির্বাচনকে’ সামনে রেখে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যে নাশকতা চলছে, তাতে শুধু গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নন, নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন খেটে খাওয়া প্রান্তিক মানুষ। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান-কাঠামোতে বিশেষত বাস-ট্রেনে পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে জনগণের জান-মাল ও নিরাপত্তা-স্বাধীনতা বিনষ্ট করছে আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাংশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে (ডিএমপি) দায়ী করা হয় চিঠিতে। তারা বলেন, ঢাকায় চলন্ত ট্রেনের তিনটি বগিতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং এতে চার যাত্রী নিহত হন। রাষ্ট্রযন্ত্রের একটি চিহ্নিত অংশের যোগসাজশে এই নাশকতা সংঘটিত হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন আগেই ১৯ ডিসেম্বর জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিশেষভাবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা, জরুরি পরিষেবা, ডাক্তার এবং অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার জন্য ডিএমপি নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। এখানে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, এই নির্দেশনাটি কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। ডিএমপির এই প্রস্তুতিমূলক উদ্যোগ কেন নেওয়া হয়েছিল, নাশকতার সুস্পষ্ট তথ্য ও পরিকল্পনা তাদের কাছে কীভাবে এলো এবং তারপরও এটি রোধে কেন তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, জনমনে এসব প্রশ্ন রয়েছে। বানোয়াট ও গায়েবি মামলাসমূহ সাজানো হচ্ছে দাবি করে ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, দেশে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার পুনরুদ্ধারে বিএনপির আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের যৌথ এই উদ্যোগ আসলে সরকারের মাস্টার প্লানেরই অংশ। সরকার প্রথমে মিডিয়া কাভারেজ দিয়ে নাশকতার ঘটনা তৈরি করে। এরপর বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তিসমূহের উপর দায় চাপিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার করছে। অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার ঘটনার সঙ্গে সরকারের যোগসাজশ রয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি জানায়, এর মধ্যে ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও পুলিশের যৌথ তাণ্ডবে বেশ কয়েকটি যানবাহন ও বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। একটি গাড়ির চালক ও সহকারী স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, পুলিশ তাদের গাড়িতে আগুন দিয়েছে। মালিবাগে পুলিশের ইউনিফর্ম পড়া ব্যক্তিরা একটি বাসে আগুন দেয় বলে একজন প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ৩১ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাছে, ৬ নভেম্বর ফেনীতে, ১৪ নভেম্বর নাটোরে, ২১ নভেম্বর ভোলায় এক ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। ২৪ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত হন। ক্ষমতাসীন দলের ভাবমূর্তি রক্ষা করার জন্য পুলিশ সমস্ত প্রমাণ এরই মধ্যে ধ্বংস করে ফেলেছে।
জাতিসংঘসহ দূতাবাসগুলোর দ্বারস্থ বিএনপি
আরও পড়ুন
নৌকার সাচ্চা কর্মীরা বাইরে ভোট দেয় না : শিল্পমন্ত্রী
‘আমার জন্য না, আপনাদের সন্তানের জন্য ভোটটা চেয়ে গেলাম’
নির্বাচনে ২১ সদস্যের আইনশৃঙ্খলা মনিটরিং সেল গঠন
মশিউর রহমান রাঙ্গাঁকে ফের শোকজ