Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
discover

জনগণকে বিভ্রান্ত করে সরকার পতন সম্ভব নয় : হানিফ

মাহবুবউল আলম হানিফ।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করে সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। বিষয়টি বুঝতে পেরে বিএনপি এখন বেগম জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে আন্দোলন করতে চায়। তারা বেগম জিয়ার লাশ নিয়ে রাজনীতি করতে চায়।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর উত্তরাস্থ আজমপুর রবীন্দ্র স্মরণিতে ঢাকা মহানগর উত্তর ১নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামী লীগের ত্রি-বাষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, তিনি দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত কয়েদি। দেশে আইন আছে, কারাবিধান যা আছে সেগুলো অনুসরণ করতে হবে। বেগম খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুলের জন্য আলাদা আইনের সুযোগ নেই। আইন সকলের জন্য সমান।

হানিফ আরও বলেন,প্রধানমন্ত্রী মানবতা দেখিয়ে তাঁকে নির্বাহী ক্ষমতায় বাসায় থাকার সুযোগ করে দিয়েছেন। জেলে গৃহপরিচারিকা রাখার সুযোগ দিয়েছেন। দণ্ড স্থগিত রেখে তার চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছেন। পৃথিবীর কোথাও কয়েদিকে এমন সুযোগ দেওয়ার নজির নেই।

তিনি বলেন, এখন একটা উপায় আছে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। রাষ্ট্রপতির ক্ষমার মাধ্যমে তিনি বিদেশে চিকিৎসা নিতে পারবেন। বিএনপি নেতাদের জিজ্ঞেস করবো, আপনারা সেটাতে কেন যাচ্ছেন না? সত্যিকার অর্থে যদি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আপনাদের দরদ নেই। যদি থাকতো তাহলে আপনাদের প্রথম কাজ ছিল রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারেক রহমান তার অসুস্থ মাকে দেখতে আসবে না। কারণ তার কাছে মায়ের মমতার চেয়ে ক্ষমতার লোভ বেশি। বেগম জিয়ার প্রাণের জন্য বিএনপিই এখন বড় হুমকি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্দোলন করে সরকার পতন ঘটানোর ক্ষমতা বিএনপির নেই। তাই মিথ্যাচার করে তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছেন। বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর তাঁর ব্যাক্তিগত পরিচারিকা ছিলেন, বাসায় আসার পর নেতা-কর্মীরা, ব্যক্তিগত চিকিৎসক ছিলেন। মির্জা ফখরুল সাহেবকে জিজ্ঞেস করতে চাই, হঠাৎ করে স্লো পয়জনিং আসলো কেনো? নাকি আপনারা নতুন করে ষড়যন্ত্র করছেন?

তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ কোথায় ছিল আর আজ কোথায় এসেছে। ৬০০ ডলারের নিচে মাথাপিছু আয়ে ছিল। আজ ২৫০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। রপ্তানি ছিল ৮ বিলিয়নের নিচে এখন সেটা বেড়ে ৪৪ বিলিয়ন হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে ৬ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স ছিল, আজ বাংলাদেশের রেমিটেন্স ৪৩ বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। দেশে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হচ্ছে, কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে, পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে। দেশের অবকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু এসব বিএনপির চোখে পড়ে না।

এর আগে ত্রি-বাষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি।

এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS