ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ইউপি নির্বাচন : দ্বিতীয় ধাপে তিন বিভাগে আ.লীগের প্রার্থী যারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৫ এএম
ফাইল ছবি

আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে সিলেট বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের একটি ইউনিয়ন ও ঢাকা বিভাগের আটটি জেলায় মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি সভায় এ নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়।

পরে রাতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সিলেট বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের একটি ইউনিয়ন ও ঢাকা বিভাগের আটটি জেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো।


ঢাকা বিভাগ

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউপিতে নূরুজ্জামান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারাতে আহাম্মদ আল ফরিদ, বানিয়াজানে রফিকুল ইসলাম তালুকদার, যদুনাথপুরে মীর ফিরোজ আহমেদ, পাইস্কাতে মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ধোপাখালীতে আকবর হোসেন, মুশুদ্দিতে আবুল কায়ছার, বলিভদ্রে রফিকুল ইসলাম তালুকদার। সখিপুর উপজেলার যাদবপুরে এ, কে, এম আতিকুর রহমান, বহরিয়াতে গোলাম কিবরিয়া, বহেরাতৈলতে ওয়াদুদ হোসেন, কাকড়াজানে তারিকুল ইসলাম। দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়াতে মাসুদুল হাসান তালুকদার, দেউলীতে দেঃ তাহ্ মিনা, পাথরাইলে রামপ্রসাদ সরকার, লাউহাটিতে হাবিবুর রহমান, দেলদুয়ারে মাসুদ-উজ্জামান খান, ডুবাইলে ইলিয়াছ মিয়া, এলাসিনে বেলায়েত হোসেন, ফাজিলহাটিতে শওকত আলী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়াতে নূরুল ইসলাম, ভাগ্যকুলে কাজী মনোয়ার হোসেন, রাড়িখালে বারী (বারেক), বারৈই খালীতে ফারুক হোসেন, কুকুটিয়াতে আক্তার হোসেন মিন্টু, তন্তরে জাকির হোসেন, আটপাড়াতে রকিবুল ইসলাম মাসুদ, পাটাভোগে মুন খান, বীরতারাতে আজিম খান, শ্যামসিন্ধিতে শফিকুল ইসলাম মামুন, ষোলঘরে আজিজুল ইসলাম, হাঁসাড়াতে আহসান হাবীব, শ্রীনগরে মোখলেছুর রহমান।

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউপিতে দেলোয়ার হোসেন সরকার, চরদিঘলীতে দেলোয়ার হোসাইন। রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জে শাহানা বেগম, বাঁশগাড়ীতে আশরাফুল হক, চরসুবুদ্ধিতে নাসির উদ্দিন, চরমধুয়াতে নূর আলম ফকির, হাইরমারাতে কবির হোসেন, মির্জানগরে হুমায়ুন কবির সরকার, মির্জারচরে ফিরুজ মিয়া, নিলক্ষাতে তাজুল ইসলাম, পাড়াতলীতে ফেরদৌস কামাল, শ্রীনগরে রিয়াজ মোর্শেদ খান।

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউপিতে আমজাদ হোসেন, উজানচরে গোলজার হোসেন মৃধা।

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউপিতে আশরাফ আলী, যদুনন্দীতে আবদুর রব মোল্যা, গট্টিতে হাবিবুর রহমান লাবলু, ভাওয়ালে ফারুকউজ্জামান, সোনাপুরে খায়রুজ্জামান, আঠঘরে শহীদুল হাসান খান, মাঝারদিয়াতে আফছারউদ্দীন মাতুব্বর, বল্লভদীতে নুরুল ইসলাম। নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদীতে কামরুজ্জামান,পুরাপাড়ায় বেলায়েত হোসেন মিয়া,কোদালিয়া শহীদনগরে খোন্দকার জাকির হোসেন (নিলু), ফুলসুতীতে আরিফ হোসেন, কাইচাইলে মোস্তফা খাঁন, তালমাতে রনজিৎ কুমার মন্ডল, রামনগরে মান্দার ফকির, ডাঙ্গীতে কাজী আবুল কালাম, লস্করদিয়াতে এসকেন্দার মাতুব্বর।

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুরে লুৎফর রহমান মিয়া, পারুলিয়াতে মকিমুল ইসলাম, মাহমুদপুরে মাসুদ রানা, সাজাইলে কাজী জাহাঙ্গীর আলম, কাশিয়ানীতে মশিউর রহমান খান, রাতইল বিতে এম হারুন অর রশিদ পিনু, রাজপটে মিল্টন মিয়া।

মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ীতে আবদুল্লাহ আল মামুন, লক্ষ্মীপুরে মজিবর রহমান মোল্যা, চর দৌলতখানে চাঁন মিয়া সিকদার, শিকারমঙ্গলে সিরাজুল আলম মৃধা, কয়ারিয়াতে জাকির হোসেন, সাহেবরামপুরে কামরুল আহ্সান সেলিম, রমজানপুরে বি এম মিল্টন ইব্রাহীম, আলীনগরে সাহীদ পারভেজ, বালিগ্রামে ইসতিয়াক হোসেন খান, নবগ্রামে বিভূতি ভূষণ বাড়ৈ, কাজীবাকাইতে সাইদুল ইসলাম, ডাসারে রেজাউল করিম শিকদার, গোপালপুরে দেলোয়ার হোসেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুরে আবদুস সালাম খান, চিতলিয়াতে হারুন-অর-রশিদ, আংগারিয়াতে আসমা আক্তার, ডোমসারে মিজান মোহাম্মদ খান, পালং’এ আবুল হোসেন দেওয়ান, তুলাসারে জামাল হোসাইন, রুদ্রকরে সিরাজুল ইসলাম, বিনোদপুরে আব্দুল হামিদ সাকিদার, শৌলপাড়াতে আলমগীর হোসেন খান, মাহমুদপুরে শাহ আলম।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার আজমিরীগঞ্জ ইউপিতে মোবারুল হোসেন, বদলপুরে সুষেনজিৎ চৌধুরী, জলসুখাতে শাজাহান মিয়া, কাকাইলছেওতে মিসবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, শিবপাশাতে তফছির মিয়া।

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগরে মোহাম্মদ জায়েদ আনোয়ার চৌধুরী, পশ্চিম জুড়ীতে শ্রীকান্ত দাশ, পূর্ব জুড়ীতে আবদুল কাদির, গোয়ালবাড়ীতে শাহাব উদ্দিন আহমদ, সাগরনালে আবদুল নূর।

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউপিতে মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ইছাহাক, হাটখোলাতে মুশাহিদ আলী, মোগলগাঁওতে হিরন মিয়া, কান্দিগাঁওতে নিজাম উদ্দিন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর পূর্ব ইউপিতে মুল্লুক হোসেন, তেলিখালে নুর মিয়া (চেয়ারম্যান), ইছাকলসে এখলাসুর রহমান, উত্তর রণিখাইতে ফয়জুর রহমান, দক্ষিণ রণিখাইতে ইকবাল হুসেন ইমাদ। বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পৈলনপুরে শিহাব উদ্দিন, বোয়ালজুড়ে আনহার মিয়া, দেওয়ানবাজারে ছহুল আবদুল মুনিম, পশ্চিম গৌরিপুরে হাজী আমিরুল ইসলাম (মধু), বালাগঞ্জে জুনেদ মিয়া, পূর্ব গৌরিপুরে হিমাংশু রঞ্জন দাস।

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার ইসলামপুরে আব্দুল হেকিম, ছাতকে রঞ্জন কুমার দাস, কালারুকতে অদুদ আলম, খুরমা উত্তরে বিল্লাল আহমদ, চরমহল্লাতে কদর মিয়া, খুরমা দক্ষিণে আবদুল মছব্বির, জাউয়াবাজারে নুরুল ইসলাম, দোলারবাজারে সায়েস্তা মিয়া, গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাওতে সুন্দর আলী, ছৈলা আফজালাবাদে গয়াছ আহমদ। দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁওতে অসিত কুমার দাস, পান্ডার গাঁওতে আবদুল ওয়াহিদ, দোহালিয়াতে আনোয়ার মিয়া আনু, লক্ষ্মীপুরে আবদুল কাদির, বোগলাবাজারে মোহাম্মদ মিলন খান, সুরমাতে এম এ হালিম বীর প্রতীক, বাংলাবাজারে মানিক মিয়া, নরসিংপুরে নুর উদ্দিন আহমদ, দোয়ারাবাজারে আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

এসএস/টিআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মির্জা ফখরুল সরকারের বিরুদ্ধে সকাল-বিকাল বিষোদগার করেন- তথ্যমন্ত্রী
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের বিরুদ্ধে সকালে একবার বিষোদগার করেন, বিকেলে একবার করেন, আবার মাঝেমধ্যে সন্ধ্যার পরও করেন। সরকারের বিরুদ্ধে নানা কথা বলেন। বিএনপির নেতারা সারাদেশে ঘুরে ঘুরে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন। এর চেয়ে বেশি রাজনৈতিক স্বাধীনতা তারা আর কী চান? উনারা কি অবাধে গাড়ি পোড়ানোর অধিকার চান, যেটা উনারা ১৩, ১৪, ১৫ সালে করেছেন। উনারা কি দিনের পর দিন হরতাল করে মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখতে চান, যেগুলো মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছেন। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের দামপাড়া পুলিশ লাইনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এদিন তিনি সিএমপির প্রযোজনায় নির্মিতব্য ‘দামপাড়া’ চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। প্রধানমন্ত্রী মহানুভবতা দেখিয়ে তার দণ্ড স্থগিত রেখে তাকে মুক্ত রেখেছেন। তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) তার মতো করেই, তার পরিবার এবং তার দলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। সরকার এবং সরকারের অধীনে থেকে তার চিকিৎসা হচ্ছে না। ‘সুতরাং বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যহানি হলে বিএনপি এবং তার পরিবার কিংবা তার ডাক্তার যারা তাকে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন, তারাই দায়ী হবেন’, বলেন হাছান মাহমুদ। এ সময় পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এমএন
মির্জা ফখরুল সরকারের বিরুদ্ধে সকাল-বিকাল বিষোদগার করেন- তথ্যমন্ত্রী
পঁচাত্তরের পর সাম্প্রদায়িকতা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে- নৌ প্রতিমন্ত্রী
পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জাতির উপর সাম্প্রদায়িকতা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি। এ সময় সংস্কৃতি চর্চাও বাধাগ্রস্ত হয়েছিল বলে জানান তিনি। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বিশ্বভরা প্রাণ’ এর নিজেদের চতুর্থ বর্ষপূর্তিতে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী আমাদের উপর হামলা ও বারবার আঘাত করেছে। যেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে আমরা পরাজিত করেছিলাম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। এটা আমাদের মীমাংসিত একটি বিষয় ছিল এবং এই মীমাংসা করতে আমাদের ৩০ লক্ষ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে। আমাদের লক্ষ লক্ষ মা- বোন তাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছে। কিন্তু এ মীমাংসিত বিষয়টি নিয়ে আবার লড়াই করতে হচ্ছে আমদের। কারণ মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি যিনি আমাদের জাতিসত্তার পরিচয় দিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। এরপর আমাদের উপর যে জিনিসটি চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে তা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। মীমাংসিত বিষয়টিকে আবার চাপিয়ে দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় এটা ধীরে ধীরে আমাদের সমাজে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের কারণে একাত্তরে মীমাংসিত বিষয়গুলো আবার আমাদের উপর চেপে বসেছে। তারা ধীরে ধীরে অনেক শক্তিশালী হয়েছে। কারণ তারা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশে আমরা কিন্তু আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং সংস্কৃতিকে সাহসের সঙ্গে উচ্চারণ করতে পারি। বীরত্বগাঁথা রচনা করা বীর মুক্তিযোদ্ধারাও পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে নিজেদের পরিচয় দেয়ার একটা ভীতিকর পরিবেশের মধ্যে ছিল। আজকে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা গর্ব করে বলতে পারে আমি মুক্তিযোদ্ধা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিয়েছেন। তারা রাষ্ট্রীয় সম্মানে সম্মানিত হচ্ছেন। রাষ্ট্র তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। যেটা পঁচাত্তর পরবর্তীতে ছিল না। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন খ্যাতিমান আবৃতি ও অভিনয় শিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। সংগঠনের আন্তর্জাতিক কমিটির প্রধান উপদেষ্টা কবি ইমরোজ সোহেল চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শওকত আলী, সঙ্গীত শিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা, আবৃতি শিল্পী অধ্যাপক রূপা চক্রবর্তী, নাট্যজন টুটুল চৌধুরী, সংগঠনের সভাপতি জাহান বশির, সাধারণ সম্পাদক নিপা মোনালিসা। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন প্রতিমন্ত্রী। এমএন
পঁচাত্তরের পর সাম্প্রদায়িকতা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে- নৌ প্রতিমন্ত্রী
‘লুটের টাকা দেশের তহবিলে থাকলে হাত পাততে হতো না’
‘লুটের টাকা যদি দেশের তহবিলে থাকতো তাহলে বিদেশিদের কাছে হাত পাততে হতো না’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত ১০ বছরে দেশ থকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। দেশের শেয়ারবাজার ও ব্যাংকের টাকা লুট হয়েছে। এই পরিমাণ টাকা যদি দেশের তহবিলে থাকতো তাহলে বিদেশিদের কাছে আমাদের হাত পাততে হতো না। তিনি বলেন, কারা টাকা পাচার করেছে, লুট করেছে, এরসঙ্গে কারা জড়িত। এ বিষয়ে জানতে অর্থমন্ত্রী তদন্ত কমিটি গঠন করলেন। তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে অর্থমন্ত্রী বললেন- ‘এ রিপোর্ট তো প্রকাশ করতে পারব না’। এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ লোকজন জড়িত আছে। এরা কারা জনগণ জানতে চায়। খালেদা জিয়ার বিষয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, খালেদা জিয়ার কিছু হলে তাকে যারা ভালোবাসেন তারা যে কী করবেন আমরা তা জানি না। আমরা দেশে বিশৃঙ্খলা চাই না বলে তাদের অনুরোধ করছি। সরকারকে বলি মানবিক হোন, দানবিক হবেন না। খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। আরএ/টিআই
‘লুটের টাকা দেশের তহবিলে থাকলে হাত পাততে হতো না’
‘খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা না’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়াকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠালেও তিনি স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে থেকে যান। তিনি মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জের ছাতকে শেখ রাসেল পৌর মিনি স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন পরবর্তী সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। মোজাম্মেল হক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাইরে অবস্থান করছিলেন। জিয়াউর রহমান তাকে নিয়ে যেতে লোক পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি যেতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, তিনি বলেছিলেন যুদ্ধকালে এলাকায় থাকা নিরাপদ নয়। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ক্যান্টনমেন্টে এসে অবস্থান নিয়েছিলেন। স্বেচ্ছায় যারা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থান নিয়েছে, তারা কখনওই মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। এর আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে খুনি মুশতাক ও জিয়া পিছিয়ে দিতে চেয়েছিল। ইসলামের অপব্যবহার করা হয়। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকার সময় দুর্নীতিতে চার বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তাদের কাছে এতিমের টাকাও নিরাপদ নয়। সেই সাজায় জেল খাটছেন তিনি। কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।   মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, তারা ক্ষমতায় ছিল ২৯ বছর। কোনো উন্নতি করেনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ নিরাপদ। আমরা ক্ষমতায় আসার পর কী পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে, তা একটু চারিদিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন। সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চার তলাবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ভবন করে দিয়েছে। উন্নয়নে জোয়ার বইছে। এই সরকার আরও ক্ষমতায় থাকলে আরও বেশি উন্নতি হবে।  তিনি বলেন, আমি যখন মন্ত্রী হই তখন আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাইদের ভাতা ছিল মাত্র তিন হাজার টাকা। সেটা এখন ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আমরা সব বধ্যভূমিকে সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কবর সংরক্ষণ করা হবে, যাতে ৫০ বছর পর কেউ দেখলে বোঝা যায় এটা মুক্তিযোদ্ধার কবর। রাজাকারের তালিকা করা হবে যেহেতু আপনারা অভিযোগ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজও করব। জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব,  সুনামগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য শামীমা শাহরিয়ার, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ছাতক পৌর আ.লীগের আহবায়ক আবদুল ওয়াহিদ মজনু, সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নূরুল মোমেন প্রমুখ। এনএইচ/ টিআই
‘খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা না’
বিএনপির উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদেরের স্পষ্ট বার্তা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্পষ্টভাবে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, সরকার পতন, আন্দোলন এসব মুখরোচক শব্দবৃষ্টি করে কোনো লাভ নেই। তাই অলি-গলি পথে না হেঁটে নির্বাচনমুখী হোন। ‘সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে ওয়ার্মআপ চলছে, মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে নিজ বাসভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে জনগণের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যান আর আন্দোলনে চরম ব্যর্থতাই বিএনপির একমাত্র প্রাপ্তি। কোনো ওয়ার্মআপেই কাজ হবে না। নেতিবাচক ও হঠকারী রাজনীতির কারণে জনগণ বিএনপিকে চিনে ফেলেছে। তিনি বলেন, দেশবিরোধী সব অপশক্তির অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে বিএনপি, যারা নিজেরাই স্বাধীনতার চেতনা নস্যাতে জন্মলগ্ন থেকেই অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি এ দেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন করে মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছিল। হরণ করেছিল কৃষক শ্রমিকের অধিকার। ভোট না দেওয়ার অভিযোগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল, আগুন-সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষের স্বাধীন চলাচলের অধিকার হরণ করেছিল। আরএ/টিআই
বিএনপির উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদেরের স্পষ্ট বার্তা
আরও পড়ুন
মির্জা ফখরুল সরকারের বিরুদ্ধে সকাল-বিকাল বিষোদগার করেন- তথ্যমন্ত্রী
পঁচাত্তরের পর সাম্প্রদায়িকতা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে- নৌ প্রতিমন্ত্রী
সিটি করপোরেশন এলাকাকে গ্রিন সিটিতে রূপান্তরিত করব : আইভী 
‘খালেদা জিয়া স্বেচ্ছায় ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা না’