Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২ কার্তিক ১৪২৮

সরকারের সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দেব কোথা: বিএনপি

বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ণ প্রকল্প নয়, কাবিখা, কাবিটা, কর্মসৃজন প্রকল্প, বিধবা-দুস্থ-বয়স্ক-প্রতিবন্ধী ভাতা নিয়েও সরকারি দলের লোকেরা লুটপাট ও দুর্নীতি জড়িয়ে পড়েছে। আসলে ‘সরকারের সর্বাঙ্গে ব্যথা, ঔষধ দেব কোথা‘।

আজ শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ভূমিহীন গরিব মানুষের জন্য নির্মিত ঘর, যা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, সেই ঘর নিয়েও যে সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, স্বেচ্ছাচারিতা ও দলীয়করণ হয়েছে তা গণমাধ্যমের কল্যাণে জাতি তা জানতে পেরেছে। এই ঘরগুলো হস্তান্তরের আগেই বা হস্তান্তরের পর দু’তিন মাস যেতে না যেতেই যেভাবে ধসে পড়তে দেখা গেল, তাতেই প্রমাণ হয় দেশে উন্নয়নের নামে হরিলুট চলছে।

তিনি বলেন, গরিব মানুষের হক নিয়ে যারা দুর্নীতি করে তাদের দ্বারা আর যাই হোক জনকল্যাণ হতে পারে না। ভূমিহীন গরিব-অসহায় মানুষকে ঘর প্রদান নিয়ে যদি দুর্নীতি, লুটপাটের এই চিত্র হয়, তবে অন্যান্য ক্ষেত্রে কি ধরনের দুর্নীতি ও লুটপাট চলছে তা সহজেই অনুমেয়।

প্রিন্স বলেন, গরিব মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বরাদ্দ তালিকায় নাম ওঠানো হয়েছে। জায়গা-জমি-বাড়ি-ঘরের মালিক এমনকি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের নামও অর্থের বিনিময়ে বরাদ্দের তালিকায় তোলা হয়েছে। অনেকে মাথা গোজার একটু ঠাঁই পাবার আশায় পালিত গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগী, আসবাবপত্রসহ শেষ সম্বল বিক্রি করে সেই অর্থ ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের হাতে তুলে দিয়েছে। সরকারি বরাদ্দের পুরো টাকা কাজে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। প্রয়োজন মতো রড, সিমেন্ট না দিয়ে বালি-মাটি এবং পুরনো ইট দিয়ে ঘর নির্মাণ করার ফলে হস্তান্তরের আগেই সেগুলো ধসে পড়ছে।

প্রিন্স বলেন, ঘর প্রতি ৪০ ব্যাগ সিমেন্ট বরাদ্দ থাকলেও দেওয়া হয়েছে ১০/১২ ব্যাগ। বাকিটা বালি, মাটি দেওয়া হয়েছে। জনগণের ভোট ছাড়াই মহাদুর্নীতির মাধ্যমে অনুগত প্রশাসন দিয়ে দিনের ভোট রাতে করে জোর করে জনগণের কাঁধে চেপে বসেছে যে সরকার, তাদের পক্ষে দুর্নীতি রোধ সম্ভব না।

এসএস

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS