Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০ বৈশাখ ১৪২৮

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জাপা নেতাদের বৈঠক

Meeting of JPA leaders with Narendra Modi
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে জাপা নেতারা

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে দুই দিনের জন্য ঢাকায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে তিনি একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। স্মৃতিসৌধের কর্মসূচি শেষে আবার হেলিকপ্টারে ঢাকায় রওনা দেন নরেন্দ্র মোদি।

ঢাকায় পৌঁছে ধানমন্ডি-৩২ এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন মোদি। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে হোটেল সোনারগাঁওয়ে যান। সেখানে বেলা দেড়টায় প্রধান বিরোধী দল জাপার নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বিকালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মোদি।

জাপার চিফ প্যাট্রন রওশন এরশাদের একান্ত সচিব মামুন হাসান জানান, ‘জাপার চার জনের একটি প্রতিনিধি দল এ বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। জাপার প্রতিনিধি দলে রয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিরোধী দলীয় উপনেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, কো–চেয়ারম্যান এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার।’

বৈঠক শুরু হওয়ার আগে সাবেক জাপা মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিন্ন নদীর হিস্যা, তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ও বাণিজ্য বৈষম্যসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আমরা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবো।’

শনিবার (২৭ মার্চ) সকালে নরেন্দ্র মোদি সাতক্ষীরার সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজা দিতে যাবেন। যশোরেশ্বরী মন্দিরে পূজা দেয়ার পর সকাল ১০টার দিকে তিনি মন্দির ত্যাগ করবেন। এরপর তিনি হেলিকপ্টারে করে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন। সেখানে বঙ্গবন্ধুর সমাধি ও কাশিয়ানী উপজেলার মতুয়া সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান শ্রীধাম ওড়াকান্দি ঠাকুরবাড়ি পরিদর্শন করবেন।

এছাড়া বাংলাদেশ সফরে তিনি ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। তার এ সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে অনেকগুলো চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরমধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতা অন্যতম। এছাড়া তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারত দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে আসবে বলেও জানা গেছে। শনিবার রাতে বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন নরেন্দ্র মোদি।

উল্লেখ্য, গেলো বছরের মার্চ মাসে মুজিববর্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির আসার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সেই সফর স্থগিত হয়। তবে এ বছর বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব জন্মশতবর্ষ উদযাপনে বাংলাদেশে এসেছেন মোদি। তাকে বহনকারী বিমানটি সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার দেয়া হয়েছে। এই বছর বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বেরও ৫০ বছরপূর্তি হচ্ছে। তাই মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

এনএস

RTV Drama
RTVPLUS