logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

ভোলা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

  ১৪ নভেম্বর ২০২০, ১৬:২৩
আপডেট : ১৪ নভেম্বর ২০২০, ১৬:৫৫

ভোলা জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল

Bhola district BCL, committee canceled, rtv news
প্রতীকী ছবি
নানা অভিযোগে অভিযুক্ত ভোলা জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি অবশেষে ওই কমিটি বাতিল করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। আজ শনিবার এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নতুন কমিটির দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলনকারী নেতাকর্মীরা।

১২১ জনের কমিটিতে ২০১৫ সালে সভাপতি ও সম্পাদকসহ মাত্র ১০ জনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এক বছর না যেতে ওই ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই  বিয়ে করেন। গতকাল শুক্রবার রাতে এক জরুরি বৈঠকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ভোলার মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সাম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা  হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ছাত্রলীগের ভোলা জেলা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।

এছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে সভাপতি ও সম্পাদক পদে আগ্রহী পদ-প্রত্যাশীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সেলে ডাকযোগে অথবা ই-মেইলের মাধ্যমে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কমিটির সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা যায়, নতুন ভোলা জেলা কমিটির পদ প্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্ত সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হবে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত বয়স, যারা ছাত্র এবং যাদের ক্লিন ইমেজ রয়েছে তাদের সমন্বয়ে নতুন কমিটির গঠন করা হবে বলেও জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে বাতিল কমিটির সভাপতি ইব্রাহীম চৌধুরী পাপন, সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদসহ ১০ সদস্যের ওই কমিটি বাতিলের দাবিতে সাধারণ ছাত্রলীগের ব্যানারে ভোলায় কয়েক দফা মিছিল, মানববন্ধনও করা হয়েছিল।

এই কমিটি বিলুপ্ত হওয়ায়র পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে পোস্ট দেয়ায় ঝড় ওঠে। ২০১৫ সালের ৯ মে সম্মেলনের মাধ্যমে ইব্রাহীম চৌধুরী পাপনকে সভাপতি এবং রিয়াজ মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে ১০ সদস্যবিশিষ্ট একবছর মেয়াদী কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম।

গেলো পাঁচ বছরে ওই ১০ নেতারা পূর্ণাঙ্গ কমিটিও গঠন করতে পারেননি। এমনকি এদের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, বোনের সম্পত্তি দখল, অপরহরণ, চাঁদাবাজি ও হত্যা মামলা হয়েছে একাধিক। এ নিয়েও ক্ষোভ দেখা দেয় সাধারণ ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে। গেল সপ্তাহে সভাপতি পাপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে তার একমাত্র ছোট বোন সংবাদ সম্মেলেন করেন। তাকে বাবার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তোলের পাপনের বিরুদ্ধে।

জেবি/পি

RTVPLUS