ঢাকা-১৮ আসনে ৭০ হাজার ভোটে আ.লীগ প্রার্থীর জয়

প্রকাশ | ১২ নভেম্বর ২০২০, ১০:২৭ | আপডেট: ১৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৪

আরটিভি নিউজ
বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিব হাসান

ঢাকা-১৮ সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে ৯২ শতাংশ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিব হাসান। বৃহস্পতিবার রাতে (১২ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরা কমিউনিটি সেন্টার থেকে ঢাকা-১৮ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম সাহাতাব উদ্দিন এই ফল ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৮১ হাজার ৮১৮টি। কোনো ভোট অবৈধ ছিল না। ভোটের হার ১৪ দশমিক ১৮ শতাংশ। এর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ভোট ৫ হাজার ৩৬৯ ভোট।

অপরদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলে দেখা যায়, ঢাকা ১৮ আসনের উপনির্বাচনে আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী বাকি প্রার্থীদের মধ্যে সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন সরকার লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩২৫ ভোট। 

এছাড়া, গণফ্রন্টের কাজী মো. শহীদুল্লাহ মাছ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২৬ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. ওমর ফারুক ডাব প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯১ ভোট এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) মো. মহিববুল্লা বাহার বাঘ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮৭ ভোট।

এর আগে, সকাল ৮টা থেকে কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হয়। আসনের সবগুলো ভোটকেন্দ্রেই ভোট নেওয়া হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে।

নির্বাচন কমিশন এর তথ্য  মতে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১, ১৭, ৪৩, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৪৯, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং বিমানবন্দর এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৮ আসন গঠিত। আসনটিতে ১৪টি ওয়ার্ডে মোট ২১৭টি কেন্দ্রের ১ হাজার ৩৫৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার ৫ লাখ ৭৭ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৯৬ হাজার ১৩৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৫৩ জন।

অপরদিকে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন (এমপি)। গত ৯ জুলাই তার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়।

বিধি অনুযায়ী কোনো সংসদীয় আসন শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। তবে দুর্যোগ বা কোনো অনিবার্য কারণে সেই সময়ে নির্বাচন আয়োজন না করতে পারলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া, করোনাভাইরাসের কারণে প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা পূরণে গত ২৮ সেপ্টেম্বর এই দুই আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
এমএমএইচ/পি