Mir cement
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১০ মে ২০২১, ২৭ বৈশাখ ১৪২৮

ধর্ম ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩০
আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩৯

যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় না

যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় না
যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় না

বিশ্বজুড়ে এখন রমজান মাস চলছে। রমজান হচ্ছে মুসলিমবাসীর জন্য অতিরিক্ত সওয়াব লাভের সময়। এ মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত অন্যান্য সময়ের থেকে বেশি। রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সৃষ্টিকর্তার ইবাদতে একটু বেশিই ব্যস্ত থাকে।

হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘৩ ব্যক্তির দোয়া কখনো ফিরিয়ে দেয়া হয় না। যখন রোজাদার ব্যক্তি ইফতার করে, ন্যায় পরায়ণ শাসক ও নির্যাতিত ব্যক্তির দোয়া।’ (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি)

রমজানে সম্ভবপর সকল মুসলিমই রোজা থাকে। এই সময় এমন কিছু কাজ ভুল করে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়ে যায় যার জন্য মনে হয় রোজা ভঙ্গ হয়েছে। অথবা যে কাজগুলোকে আমাদের কাছে রোজা ভঙ্গের কারণ হিসেবে মনে হয়। অথচ সেসব কাজের জন্য রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।

যে কাজগুলো প্রকৃত অর্থে রোজা ভঙ্গের কোনো কারণ নয় সেসব এবার জেনে নেয়া যাক-

  • অনিচ্ছাকৃত বা ভুল করে গলার ভেতরে ধুলা-বালি, মশা-মাছি অথবা ধোঁয়া প্রবেশ করা।
  • অনিচ্ছাকৃত বমি অথবা ইচ্ছাকৃত অল্প বমি করা। তবে মুখ ভর্তি নয়।
  • বমি আসার পর আপনা-আপনি (নিজে নিজে) ফিরে যাওয়া।
  • অনিচ্ছাকৃতভাবে কানের ভেতর পানি প্রবেশ করা।
  • ইনজেকশন নেয়া।
  • ভুলক্রমে পানাহার বা ভুল করে কিছু খেয়ে ফেলা।
  • চোখে ওষুধ নেয়া বা সুরমা ব্যবহার করা।
  • কোনো কিছুর ঘ্রাণ নেয়া কিংবা সুগন্ধি ব্যবহার করা।
  • নিজ মুখের থুথু, কফ ইত্যাদি গলাধঃকরণ করা।
  • শরীর ও মাথায় তেল ব্যবহার করা।
  • ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ হলে।
  • ঠান্ডার জন্য গোসল করা।
  • মিসওয়াক করা। তবে মিসওয়াক করার ফলে দাঁত থেকে বের হওয়া রক্ত যেন গলার ভেতর না যায়।
  • স্ত্রীকে চুম্বন করলে, বীর্যপাত যদি না হয় (রোজা না ভাঙলেও এটা রোজার উদ্দেশ্যের পরিপন্থী)।
  • স্ত্রীলোকের দিকে তাকানোর ফলে যদি কোনো কসরত ছাড়াই বীর্যপাত হয়।
  • দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা গোশত খেয়ে ফেলা (পরিমাণে কম হলে), তবে পরিমাণ যদি বেশি হয় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS