Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন ২০২১, ৩ আষাঢ় ১৪২৮

ইফতারের দোয়া ও সুন্নত

ইফতারের দোয়া ও সুন্নত
ইফতারের দোয়া ও সুন্নত

‘ইফতার’ হলো আরবি শব্দ, এর অর্থ রোজা ভঙ্গ করা। অর্থাৎ ইফতার অর্থ রোজা ভঙ্গ করার জন্য বা ছাড়ার জন্য খাদ্য গ্রহণ করা। ইফতারের পূর্বে মানসিকভাবে রোজা ছাড়ার নিয়ত করা এবং হালাল ও সুন্নতী খাবার গ্রহণ করার মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ করা।

ইফতারের দোয়া :

আরবি দোয়া’র বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা, ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্বের মাধ্যমে ইফতার করছি।

ইফতারের বাংলা নিয়ত : হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার শুরু করছি। তারপর “বিসমিল্লাহি ওয়া’আলা বারাকাতিল্লাহ” বলে ইফতার করা।

সূত্র : মোয়াজ ইবনে জুহরা বলেন, তাঁর কাছে পৌঁছেছে যে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইফতারের সময় এই দোয়া পাঠ করতেন। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)

ইফতারের সুন্নত : খেজুর বা খুরমা দিয়ে ইফতার করা উত্তম। তবে এটা সম্ভব না হলে যেকোনো মিষ্টিজাতীয় হালাল খাদ্য দিয়ে ইফতার করা উচিত। যদি এটাও কোনো কারণে সম্ভব না হয় তাহলে অন্য কোনো হালাল খাদ্য বা শুধু পানি দিয়েও ইফতার করা যায়।

নবী (সা.) এরশাদ করেছেন যে, যখন তোমরা ইফতার করো, তখন খেজুর বা খুরমা দিয়ে ইফতার করো। কেননা, খেজুর বা খুরমার মধ্যে বরকত রয়েছে, আর যদি খেজুর বা খুরমা না পাওয়া যায় তাহলে পানি দিয়ে ইফতার করা ভালো; কারণ পানি পবিত্রকারী। এছাড়া হাদিসে পানিমিশ্রিত দুধ দিয়ে ইফতার করার হুকুমও বর্ণিত রয়েছে। মাগরিবের নামাজ আদায় করার পূর্বে ইফতার করা মুস্তাহাব বা উত্তম।

ইফতার নিয়ে অপেক্ষা করা : ইফতারের আগে রোজাদার ব্যক্তির ইফতার নিয়ে তাসবিহ-তাহলিল ও তাওবা-ইসতেগফার করা আল্লাহর কাছে পছন্দনীয়। ইফতার সামনে নিয়ে আল্লাহ’র কাছে কিছু চাওয়া হলে আল্লাহ তার বান্দার ইচ্ছা পূরণ করেন।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS