চ্যানেল যতই চাইবে ততই অনুমোদন দিয়ে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ | ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২০:০০ | আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ২০:১৮

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: পিআইডি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখনও অনেকে টেলিভিশন চ্যানেল চাইছে। এ নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর (ড. হাছান মাহমুদ) সঙ্গে কথা হচ্ছিল। বললাম যত চাইছে দিয়ে দিতে। আর কিছু না হোক কিছু লোকেরতো কর্মসংস্থান হবে। এ কারণে যত চাইবে ততই অনুমোদন দিয়ে দেবো।

শুক্রবার বিকেলে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারাসহ মন্ত্রী-এমপিরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রিন্ট মিডিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব কিছুই বিশ্বে দ্রুত বিবর্তন হচ্ছে। সংবাদপত্রও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রযুক্তি সারা বিশ্বের মানুষের জন্য নানা সুযোগ সৃষ্টি করেছে। আধুনিকতার জায়গায় নিয়ে গেছে। সে কারণে অনলাইন পত্রিকার চাহিদা বাড়ছে। সারা বিশ্বে অনেক নামি-দামি পত্রিকা (প্রিন্ট ভারসন) বন্ধ হয়ে গেছে। তারা এখন অনলাইন পত্রিকার ওপর জোর দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বে এখন অনেক পত্রিকা কেবল অনলাইনে চলে এসেছে। ছাপা বন্ধ হয়ে গেছে, এটা প্রযুক্তির প্রভাব। প্রযুক্তি ও আধুনিকতার প্রভাবে বিবর্তন আসতে থাকবে। বিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। এটা আমরা ইচ্ছা করলেই ঠেকাতে পারব না।

তিনি বলেন, আমরা সবকিছু ডিজিটালাইজড করে দিয়েছি, স্যাটেলাইটও হয়েছে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমেও টিভি চালানো যায়। তিন মাসের জন্য বিনা পয়সায় (টিভি চ্যানেল) চালানোর প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। কিন্তু চ্যানেলগুলো সেভাবে নিচ্ছে না। অথচ বিদেশি জায়গায় অনেক টাকা দিচ্ছে। কিভাবে আমাদের স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অল্প খরচে টেলিভিশন চালানো যায়, সেজন্য কথা চলছে।

তিনি আরও বলেন, এখন প্রতিযোগিতার যুগ। যারা ভালো অনুষ্ঠান করবে তারা টিকে থাকবে। ভালো খবর যারা দেবে, তাদের চ্যানেল মানুষ দেখবে। আমাদের দেশে ১৬ কোটি মানুষ। সুতরাং গ্রাহক কখনও কমবে না বরং বাড়বে।

নবম ওয়েজবোর্ড-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওয়েজবোর্ডের ব্যাপারে সরকারের যা করণীয় ছিল সেটা সরকার করে দিয়েছে, বাকিটা মালিকপক্ষের। সেখান থেকে সাংবাদিকরা যা আদায় করে নিতে পারেন, সেটা তাদের ব্যাপার।

পি