Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮

করোনা : বাংলাদেশে টিকা উৎপাদন কী সম্ভব?

করোনা : বাংলাদেশে টিকা উৎপাদন কী সম্ভব?
করোনা : বাংলাদেশে টিকা উৎপাদন কী সম্ভব?

সহায়তা পেলে বাংলাদেশেই মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধের টিকা ‘রাশিয়ার আবিষ্কৃত টিকা স্পুটনিক ভি’ উৎপাদন সম্ভব বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, বিশ্ব মানের ওষুধ প্রস্তুতে সক্ষম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে রয়েছে। ফলে বাংলাদেশেই করোনার টিকা উৎপাদন সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ যে উৎস থেকে টিকা পাচ্ছিল ভারত সেই টিকা রপ্তানি বন্ধ করায় টিকাদান কর্মসূচি কিছুটা হুমকির মুখে পড়েছে। অন্য মাধ্যমে টিকা সংগ্রহে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা এবং কূটনৈতিক যোগাযোগ চলছে।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে রাশিয়ার স্পুটনিক টিকা উৎপাদনের প্রস্তাব দিয়েছে মস্কো। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে রপ্তানি করার মতো টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা রাশিয়ার নেই বলে এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা। তাদের প্রস্তাবে আমরা রাজি হয়েছি তবে এখনো চূড়ান্ত কিছু হয়নি। সবকিছু ঠিক থাকলে দেশে উৎপাদন করা এই টিকা সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যাবে এবং মানেও ভালো হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

প্রস্তাব মোতাবেক, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো রাশিয়া টিকা উৎপাদন সংক্রান্ত প্রযুক্তি সরবরাহ করে দেশেই করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদন করবে।

টিকা উৎপাদন সম্ভব : বিশেষজ্ঞরা মনে করেন রাশিয়া আশ্বাস দিয়ে থাকলে এবং সহায়তা করলে বাংলাদেশেই করোনার টিকা উৎপাদন সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, রাশিয়া যদি বাংলাদেশে টিকা তৈরির প্রস্তাব দিয়ে থাকে তাহলে এর অনুমোদন দেয়া দরকার। বাংলাদেশে অন্তত তিন থেকে চারটা ওষুধ কোম্পানি রয়েছে যারা করোনার টিকা উৎপাদনে সক্ষম।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বমানের কোম্পানিও রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ওষুধও রপ্তানি করে থাকে বাংলাদেশ। টিকা উৎপাদনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানাই, কেননা বাংলাদেশে মেশিনপত্র, ফ্যাক্টরি ও দক্ষ জনবল রয়েছে। এখন যদি প্রযুক্তি পাওয়া যায় তাহলে টিকা উৎপাদন সম্ভব। আর এক্ষেত্রে টিকার মানের পরিবর্তন হবে না বলেও মনে করছেন তিনি।

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS