• ঢাকা রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬

আনন্দ মিছিলের পর ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা
|  ১০ অক্টোবর ২০১৮, ১৯:৩১ | আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০১৮, ০৮:৩৭
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে(চবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দেয়ার পরবর্তী আনন্দ মিছিলের পরে এই ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছেন। 

whirpool
বুধবার দুপুরে প্রথমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এরপর  বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফের ওই দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়।

জানা যায়, বগিভিত্তিক সংগঠন সিএফসি ও বিজয় গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। উভয় গ্রুপ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে জানা যায়।

সংঘর্ষে আহত হন, সিএফসি গ্রুপের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শরীফ ইসলাম (১৩-১৪ সেশনে) ও  আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাদাফ খান (২০১৪-১৫ সেশন) ও বিজয় গ্রুপের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম চৌধুরী (২০১৬-১৭ সেশনে), একই সেশনে অর্থনীতি বিভাগের মো. মোহাইমিনুল ইসলাম,  মার্কেটিং বিভাগের রেদওয়ান ইবনে সাত্তার (২০১৩-১৪ সেশনে)। 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা রায়ের পর দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকা স্টেশন চত্বর থেকে চবি শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজনের নেতৃত্বে বিজয় গ্রুপ আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিলটি প্রক্টর কার্যালয়ে সামনে গিয়ে শেষ হয় তারপর সুজন নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রক্টরের কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় হঠাৎ বাহিরে বিজয় গ্রুপের কিছু নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিবাদে জড়ায় সিএফসি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। তারপর  দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনার জের ধরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শাহ আমানত হল আর সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে ওই দুই গ্রুপ।

চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিজয় গ্রুপের নেতা ফজলে রাব্বী সুজন বলেন, গ্রেনেড হামলার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের মধ্যে থাকা জামাত-শিবিরের অনুচররা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। যারা হামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের মারধর, ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি, মোবাইল ল্যাপটপ চুরি ও ভর্তি জালিয়াতির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক সহসভাপতি ও সিএফসি গ্রুপের জামান বলেন, আমাদের নেতা নওফেলের নাম ভাঙিয়ে ক্যাম্পাসে নিয়োগ ও টেন্ডার বাণিজ্য করছে সুজন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসব বরদাশত করবে না, তাই আজ ক্যাম্পাসে তাকে প্রতিহত করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতিশীলকারীদের কোনও ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়