ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

দ্রুতগতির গাড়ি তৈরি করে গিনেস স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশি মোহাইমেনুলদের টিম

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:১৭ এএম
দ্রুত গতির গাড়ি

প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টায় ৭৯৭ মাইল পাড়ি দিয়ে গিনেস বিশ্ব রেকর্ড ভেঙেছে ডিউক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের তৈরি করা একটি বৈদ্যুতিক গাড়ি। গেল জুলাইয়ের ৯ তারিখে গিনেস নতুন রেকর্ডটি নিশ্চিত করে।

গাড়ির এই সফল রান সম্পন্ন হয় বেনসন, এনসি’র গ্যালট মোটরস্পোর্টস-এ। টীম মিউনিখের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির টিইউ-ফাস্টকে পরাজিত করে জয়ী হয় ডিউকের টিম। এই টিমের সদস্য সংখ্যা মোট সতের জন। এর মধ্যে আছেন বাংলাদেশের ছেলে ও ডিউক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাইমেনুল ইসলাম।

ডিউকের এই টিমে ছিলেন ইলেকট্রিক ভেহিকেলস প্রেসিডেন্ট গ্যারী চ্যান ও শমিক ভার্মা, পাশাপাশি সদ্য গ্রাজুয়েট প্যাট্রিক গ্রাডি ও অনিরুদ্ধ মারেল্লাপুডি এবং মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র ইয়ুকাই কিয়ান ও ওলগা সুচানকোভার।

গাড়ি নৈপুণ্যের (ভেহিকেল ইফিশিয়েন্সি) জন্য এটা হচ্ছে দ্বিতীয় গিনেস বিশ্ব রেকর্ড। এই টিমটি এর আগেও একটি রেকর্ড ভেঙেছিল। গত জুলাইয়ে ম্যাক্সওয়েল নামে একটি হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল গাড়ি তৈরির মাধ্যমে ছাত্রদের পরিচালিত দল ‘ডিউক ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল ক্লাব’-ডিইভি ফুয়েল এফিসিয়েন্সির জন্য নতুন রেকর্ড অর্জন করে।

ওই বছর গাড়িটি সোনোমায় শেল ইকো-ম্যারাথন আমেরিকাস কমপিটিশন জিতে নেয় এবং পাশাপাশি এর অনন্য ফুয়েল সেল ডিজাইনের জন্য অর্জন করে টেকনিক্যাল ইন্নোভেশন পুরষ্কার।

ইলেকট্রিক্যাল এন্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র চেন উল্লেখ করেন, যখন হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল সিস্টেমগুলো খুঁতখুঁতে ভাব তৈরি করে তখন ইলেকট্রিক ব্যাটারি টেকনোলজি পরীক্ষিত, বিশ্বস্ত ও প্রত্যাশিত হয়। এ কারণেই দলটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গাড়িটির এরোডাইনামিক্স সমৃদ্ধ করার কাজে মনোযোগ দিতে বিশেষভাবে সক্ষম হয়েছিল। এরাডাইনামিক্স পারফরম্যান্সের ৩৯ শতাংশ উন্নতি সাধন করে দলটি নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়।

নতুন গাড়িটির ডিজাইন করতে আলটেয়ার নামে একটি গ্লোবাল আইটি ভিত্তিক কোম্পানির কম্পুটেশনাল ফ্লুইড ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কিয়ানের সাপ্তাহিক আলোচনাগুলো বেশ কাজে দিয়েছে।

এ বিষয়ে গ্রাডি বলেন, ইয়ুকাইয়ের এরোডাইনামিক্স ইমপ্রুভমেন্টগুলো ছাড়া এই রেকর্ড কোনভাবেই ভাঙা সম্ভব হতো না।

কিয়ান আরও বলেন, আমাদের ২০১৮ সালের রেকর্ড কার ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায় নতুন কারটিতে সম্পূর্ণ আলাদা ধরনের ফ্রন্ট হুইল ফেয়ারিংস ডিজাইন ব্যবহার করা হয়েছে। ম্যাক্সওয়েলে হুইল ফেয়ারিংস খাঁড়াভাবে সাজানো পাখায় কাজ করতো এবং পাখার শীর্ষে ব্যাপক ঘূর্ণি তৈরি করতো। নতুন ফেয়ারিংস খুবই কম ঘূর্ণিবাতাস উৎপন্ন করে।

ডিউক স্টুডেন্ট ক্লাবের জন্য তৈরি করা দি ফাউন্ড্রি নামক স্থানে কাজ করার সময় দলটি ট্রেইলিং এজ (লেজ এবং সামনের ফেয়ারিংস থেকে সবচেয়ে দূরের অংশ) ধারালো করেছিল, যা কার্বন ফাইবার শেল উৎপাদনকে আরও কঠিন করে তুলেছিল। সেসময় দলটি আবারও বাইরের বিশেষজ্ঞ- ভিএক্স এরোস্পেস-এর সঙ্গে আলোচনা করে। তারা এসময় গাড়িটির সঠিক কাঠামো এবং মসৃণ উপরিভাগের জন্য রেজিন ইনফিউশন নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহারের উপদেশ দেয়।

কিয়ান বলেন, শেষ তবে সর্বশেষ নয়, খাড়া অবস্থার পরিবর্তে গাড়ির সামনের প্রান্তকে ঢালু করে এর নিচ দিয়ে বাতাস প্রবাহ চালনা করার মাধ্যমে আমরা চাপ পরিবর্তন কমাতে সক্ষম হয়েছিলাম এবং সামনের দুইটি ফেয়ারিংস এর মধ্যে জায়গা বাড়াতে পেরেছিলাম।

এক্ষেত্রে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মিতসুবা’র বিশেষভাবে ডিজাইন করা একটি মোটর ব্যবহার করে দলটি হাই-ইফিশিয়েন্সি প্রোটোটাইপ ভেহিক্যালস এর জন্য। এতে রয়েছে সরাসরি ড্রাইভিং সিস্টেম সমৃদ্ধ জেনারেটিভ ব্রেকিং, যা ২৫ শতাংশের বেশি কর্নারিং লস কমিয়ে দেয়।

গাড়িটির ডিজাইনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে এর টায়ার। চেন-এর মতে ভেহিক্যাল ইফিশিয়েন্সি ধারণার এই যুগে এই বিষয়টি স্বীকৃত যে কেবলমাত্র একধরনের টায়ারই প্রয়োজনীয় পারফরম্যান্স দিতে পারে যা ম্যাচেলিনের তৈরি এবং ব্লাক ম্যাচেলিন নামে পরিচিত।

যেহেতু একের পর এক টায়ার ট্র্যাকে ফেটে যায়, তাই টিমের কাছে থাকা ব্লাক ম্যাচেলিনের মজুদ অনেকটাই কমে আসে। প্রতিযোগিতার জন্য কিছু দামি ওই টায়ার রেখে দিতে টিমটি একটি ইনফরমাল পরীক্ষা চালায় এটি দেখার জন্য যে ক্ষয় হয়ে যাওয়ার আগে ব্লাক ম্যাচেলিন কতটুকু অপব্যবহার সইতে পারে। এরপর তারা সস্তা টায়ার কিনে সেগুলো বেশি করে ফুলিয়ে দেয় এবং চাকার পরিধির সাথে জুড়ে দেয়। কাজটি করা হয় এটা বুঝে নিতে যে কেন তাদের এতো টায়ার নষ্ট হচ্ছে- তবে নতুন জুড়ে দেয়া টায়ারগুলো আর ক্ষয় হলো না।

দলটি সন্দেহ করলো পুরনো ও টায়ারের পেট্রোলিয়াম ভিত্তিক রাবারগুলো কেবলমাত্র নিঃশেষ হতে শুরু করেছে, আর চেন দ্রুতই এটা বুঝতে পারলো যে সারা বিশ্বে বিভিন্ন টিমের মজুদ করে রাখা অনেক টায়ার আর হয়তো ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠবে না।

চেন বলেন, এটাই ছিল আমাদের জানালা। যেকোনও টিমের জন্য যারা আমাদের ইফিশিয়েন্সি রেকর্ডকে পেছনে ফেলার চেষ্টা করতে চান, তাদের উচিত আরও দ্রুত কাজ করা কেননা ওই জানালাটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ডিউক ইউনিভার্সিটির মেকানিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড মেটেরিয়ালস সায়েন্স ফ্যাকাল্টি মেম্বার নিকো হল্ট্জ, যিনি একজন জ্বালানি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং ২০১৮ সাল থেকে ডিউক ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ডিইভি) প্রকল্পে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তিনি এ ব্যাপারে বলেন, রেকর্ড করার চাইতেও এ দলটির অনেক কিছু করার আছে। কিভাবে ডিউক ও প্রাট স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং সফলভাবে একটি পরিবেশ তৈরি করতে পারে যেখানে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা জ্বালানি সমস্যার সমাধানে তাদের নিজস্ব উদ্ভাবনী সমাধান দিতে পারে, সাফল্য লাভ করতে পারে ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে- তার একটি বড় উদাহরণ হচ্ছে ডিইভি টিম। এই পরিবেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ডিউকের ‘এনার্জি ইনিসিয়েটিভ’- যা ছাত্র-ছাত্রী, ফ্যাকাল্টি মেম্বার, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও তহবিলের উৎসগুলোকে একে অন্যের সাথে যুক্ত হতে ও সমর্থন দিতে সাহায্য করে- যার মাধ্যমে ডিইভি’র মতো ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন টিম সফল হয় এমনকি বিশ্বরেকর্ডও করে ফেলতে পারে।

জিএ/ এমকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)