logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সোনালী এক্সচেঞ্জে এসেছে ৪৭ মিলিয়ন ডলার

কামরুজ্জামান হেলাল, যুক্তরাষ্ট্র
|  ৩০ জুন ২০১৯, ১৯:৪৯ | আপডেট : ৩০ জুন ২০১৯, ২২:৩৯
সোনালী এক্সচেঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র থেকে গত ছয় মাসে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিটেন্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক’-র মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪৭ মিলিয়ন ডলার এসেছে।

প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পাশাপাশি নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেটে সোনালী এক্সচেঞ্জ প্রবাসীদের অর্থ প্রেরণেও শীর্ষে উঠেছে। এদিকে নানা সুযোগ-সুবিধা প্রদানের টোপ দিয়েও বেসরকারি রেমিটেন্স কোম্পানিগুলো প্রবাসীদের তেমন একটা আকৃষ্ট করতে সক্ষম হচ্ছে না। উল্টো কোনও কোনও কোম্পানির অসৎ আচরণে ক্ষোভের মাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। যার ভিকটিম হচ্ছে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কর্মরত রেমিটেন্স কোম্পানিগুলো। 

সোনালী এক্সচেঞ্জ ইনক জানিয়েছে, ২৪ জুন পর্যন্ত সোনালী এক্সচেঞ্জের ১০টি শাখা থেকে ৬৫ হাজার ২৭১ জন প্রবাসী বাংলাদেশে প্রায় ৪৭ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছর এই একই সময়ে ৬২ হাজার ৯৭৪ জনে পাঠিয়েছিলেন ৪৫.৬২ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ দেশে টাকা প্রেরণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রেরিত অর্থের পরিমাণও এবার বেড়েছে। এটি সম্ভব হয় সোনালী এক্সচেঞ্জ প্রশাসনের জনসংযোগে অধিকতর মনোযোগী হবার কারণে।

হুন্ডির মাধ্যমে কষ্টার্জিত অর্থ স্বজনের কাছে পাঠানোর মধ্যে সাময়িক কিছু ফায়দা থাকলেও দীর্ঘ বিচারে তার সুফল আসে না। পাশাপাশি নিজের মধ্যে সব সময় একটা অপরাধবোধ কাজ করে বলে সাধারণ প্রবাসীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন সোনালী এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তারা। শুধু তাই নয়, দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে অর্থ প্রেরণেও শতভাগ কৃতিত্ব সোনালী এক্সচেঞ্জ সাম্প্রতিক সময়ে অর্জন করেছে বলে সুধীজন মনে করছেন। আর তারই সুফল আসছে রেমিটেন্সে।

২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ৫৭ হাজার ৪৭ প্রবাসী পাঠিয়েছিলেন প্রায় ৩৯ মিলিয়ন ডলার। সে সময়ে সিইও ছিলেন মো. আতাউর রহমান। গত বছর জানুয়ারি থেকে সিইও’র বদলির পর সে দায়িত্ব পালন করছেন জ্যাকসন হাইটস শাখার ম্যানেজার মো. জহুরুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, নিউ ইয়র্ক অঞ্চলের কয়েকটি রেমিটেন্স কোম্পানি থেকে একবার কেউ স্বজনের কাছে টাকা পাঠালে পরবর্তীতে তার নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে বিপুল অর্থ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। অর্থাৎ প্রবাসীর অগোচরে এমন অনৈতিক কাজ করা হচ্ছে। এ নিয়ে দেন-দরবারও হয়েছে কয়েক দফা। কিন্তু সংশোধন না হওয়ায় প্রবাসীরা সোনালী এক্সচেঞ্জকেই নির্ভরযোগ্য মনে করছেন।

কারণ সামান্য কিছু টাকার জন্যে কেউই বিপদ ডেকে আনতে চান না বলেও সংশ্লিষ্ট প্রবাসীরা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে অর্থ গন্তব্যে পৌঁছার পর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বোনাস প্রদানের ঘোষণায় সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রতি আকর্ষণ ক্রমান্বয়ে বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়