logo
  • ঢাকা রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

এবার নিজস্ব মুদ্রা চালুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলো ফেসবুক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৮ জুন ২০১৯, ১৮:৩২ | আপডেট : ১৮ জুন ২০১৯, ২১:৩৩
সংগৃহীত ছবি
অবশেষে নিজস্ব মুদ্রা (ক্রিপ্টোকারেন্সি) চালুর পরিকল্পনার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানালো ফেসবুক। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে ডিজিটাল এই পেমেন্ট সিস্টেম চালুর বিষয়টি জানায় তারা।

ফেসবুকের নিজস্ব এই মুদ্রার নাম হবে লিবরা। এর সাহায্যে কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই বিশ্বের ১৭০ কোটি মানুষ লেনদেন করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মূলত বিটকয়েনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই এ সেবা চালু করতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।

মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সুরক্ষিত একটি ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক। এই সেবার মাধ্যমে মূলধারার গ্রাহকরা উপকৃত হবেন।

নিজেদের মুদ্রা লিবরা ব্যবস্থাপনার জন্য ক্যালিবরা নামের প্রতিষ্ঠান চালু করেছে ফেসবুক। এছাড়া এটা সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ‘লিবরা এসোসিয়েশন’ নামের স্বতন্ত্র একটি এসোসিয়েশন গঠন করেছে যেখানে কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আছে।

আগামী বছর ফেসবুকের নিজস্ব এই মুদ্রা চালু হবে। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ক্যালিবরা নামের অ্যাপে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমটি ব্যবহার করা যাবে। ২০২০ সাল থেকে এটা পুরোদমে চালু হলেও চলতি বছরের শেষের দিকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করবে ফেসবুক।

এর আগে ক্রিপ্টোকারেন্সি চালু বিষয়ে গত মাসে ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর মার্ক কার্নির সঙ্গে দেখা করেন। এসময় তিনি ক্রিপ্টো-কারেন্সি চালুর সুবিধা এবং ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এ বিষয়ে পরামর্শ চেয়েছে ফেসবুক।

ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই মানুষ যেন সহজেই টাকা আদান-প্রদান করতে পারে সেজন্য মাস্টারকার্ড, পে-পাল হোল্ডিংস, উবার টেকনোলজিস এবং স্পটিফাই টেকনোলজিসকে পার্টনার হিসেবে নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে লিবরা ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। আর এই অ্যাকাউন্ট খুলতে প্রয়োজন হবে সরকার থেকে সরবরাহকৃত আইডি কার্ডের। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে প্রক্রিয়াটি অনেক জটিল হয়ে যাবে এবং সেবাটি নিয়ে বিশ্বের ১৭০ কোটি মানুষের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাবে।

ডি/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়