ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশে জুলাইয়ে চালু হচ্ছে আমিরাতের অনটাইম সার্ভিস

মাহাবুব হাসান হৃদয়, ইউএই প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ মে ২০১৯, ০৩:৫৪ পিএম

আমিরাতের জনপ্রিয় সরকারি অনটাইম সার্ভিস এই প্রথম আমিরাতের বাইরে বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি সার্ভিস সেন্টার চালুর জন্য স্বাক্ষর করেছে। আগামী জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার দুবাইয়ে এ বিষয়ে দুবাই অনটাইম অফিসে এক প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় অনটাইম এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালিদ বিন আব্দুল কারীম বলেন, আমরা আপনাদের অনটাইম সরকারি এই সার্ভিসের প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমের ব্যাপারে জানাতে চাই। এই প্রতিষ্ঠান মূলত যেমন- দুবাই কোর্ট, ইজারি, দুবাই ইকোনমি, এমপ্লোয়ারদের ভিসা প্রসেসিং, মেডিকেল, নতুন আইডি, ডকুমেন্ট ক্লিয়ারিং, নতুন ব্যবসা শুরুসহ সরকারি নানা কাজসমূহ ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদান করে থাকে। তিনি আর বলেন, এই প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং সরকারি নির্ধারিত ফি এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। তবে আপনাদের মনে রাখতে হবে এই সংস্থা জনশক্তি রপ্তানি করে না।

বিশেষ করে ভিসা ও চিকিৎসা পরীক্ষা প্রক্রিয়াকরণসহ সরকারি অন্যান্য কার্যক্রম দুবাই ভিত্তিক এই ‘অনটাইম গভর্নমেন্ট সার্ভিসেস’ ২৭টি শাখার মাধ্যমে ২৩ লাখ গ্রাহককে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অনটাইম কার্যক্রম প্রক্রিয়াকরণ সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখে, যেন তার গ্রাহক অর্থাৎ অভিবাসীরা, ব্যবসায়ী ব্যক্তি এবং নিয়োগ এজেন্টগুলো সম্পূর্ণরূপে আইনানুগ এবং অনুমোদিত পরিবেশে ভিসা, চিকিৎসা, লাইসেন্সিং, নবায়ন এবং অন্যান্য পরিসেবাগুলো যথাযথভাবে করতে পারে। অনটাইম সম্প্রতি তার সেবাসমূহ গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম বিদেশে সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। সেই লক্ষ্যে তারা সর্বপ্রথম বাংলাদেশে এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি শাখা স্থাপনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।

অনটাইম মূলত অনাবাসী ব্যক্তিদেরকে ফেয়ার মাইগ্রেশনে সাহায্য করার লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রম বাংলাদেশে প্রসারিত করতে যাচ্ছে। এতে গ্রাহকদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে ভিসা বাবদ খরচ হ্রাস হবে, প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাবে। এছাড়া বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় মেডিকেলসহ অন্যান্য কার্যাদি সম্পাদন করতে পারবে। এক্ষেত্রে রিক্রুটিং এজেন্টসহ ব্যবসায়ীরা তাদের প্রয়োজনীয় আমিরাত ভিত্তিক সকল সরকারি কার্যক্রম বাংলাদেশে বসে সম্পাদন করতে পারবে। অনটাইম সেবা গ্রহণকারীকে আমিরাতের সরকারি কার্যক্রমসমূহ নিরাপদ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা প্রদানে ইতোমধ্যে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বলে স্বীকৃত।

অনটাইম হচ্ছে মূলত অন্যান্য দেশের ভিসা প্রসেসিং (ভিএসএফ) করণের মতই একটি প্রতিষ্ঠান মাত্র। যারা মূলত সেই দেশের সরকার, ব্যুরো অব ম্যান পাওয়ার, রিক্রুটিং এজেন্ট সমূহকে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে সহযোগিতা করে থাকে। এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ ভিসা গ্রহণকারীরা নিরাপদভাবে তাদের অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবে, অন্যের দ্বারা প্রতারিত হওয়া থেকে রেহাইও পাবে।

প্রেস কনফারেন্স অনটাইম বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, অনটাইম সরকারি এই সার্ভিসটি দুবাই সরকার বিদেশে অনটাইম শাখা করার যে পদক্ষেপ নিয়েছে এটি একটি সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশিদের জন্য দ্বিতীয় শ্রম বাজার। দেশের একটি বড় অংশ এই আমিরাতে বিভিন্ন কাজ-কর্ম ব্যবসায় জড়িত আছেন। তাই তাদের সুবিধার্থে আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের ঢাকা ও চট্টগ্রামে অনটাইমের শাখা উদ্বোধন এর মধ্য দিয়ে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে যাবে দুবাইয়ের সরকারি অনটাইম সার্ভিস।

তিনি বলেন, অনটাইম সার্ভিস বাংলাদেশের মাধ্যমে আমাদের প্রবাসীরা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আমিরাত সরকারের সার্ভিসসমূহ পাবে। প্রতারক চক্রের হাত থেকে রেহাই পাবে এবং অনেক কিছুর খরচও সাশ্রয় হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অনটাইম সার্ভিসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালিদ বিন আব্দুল করীম, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও অনটাইম বাংলাদেশের প্রতিনিধি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
বরিশাল নগরীতে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সারিয়া আক্তার (১৪) নামের এক পরীক্ষার্থী। আজ মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে দুপুরে নিজ বাড়িতে সে  আত্মহত্যা করে। আত্মহননকারী সারিয়া আক্তার নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা বরিশাল কলেজের সাবেক ভিপি শাহীন হাওলাদারের মেয়ে। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম আত্মহত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জিপিএ-৫ না পেয়ে নিজ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিহত স্কুল ছাত্রীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের লাশ সংরক্ষণ কক্ষে রাখা হয়েছে। এজে
জিপিএ-৫ না পেয়ে জেএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের জেএসসি পরীক্ষায় এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বছর ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৩১ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, এ বছর বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮০ শতাংশ। এ বোর্ডে এবার ফলাফলে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাসের হার ৮৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং মেয়েদের পাসের হার ৮৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ বছর এক হাজার ৯২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, কুমিল্লা বোর্ডের ৬টি জেলার মধ্যে কুমিল্লা জেলার ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করেছে যা বোর্ডের মধ্যে সেরা। এজে
জেএসসিতে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮.৮০ শতাংশ
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
নবগঠিত ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত জেএসসি পরীক্ষার প্রথম ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে পাশের হার ৮৭ দশমিক ২১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন হাজার ৯০৩ জন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের হাতে ফলাফল তুলে দেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর কিরীট কুমার দত্ত, কলেজ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান, উপ-সচিব মশিউল আলম, মনিরুজ্জামান ও সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহসিনা বেগম। ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষায় এক হাজার ৪৮৪ টি স্কুলের এক লাখ ৬১ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজার ৭১৭ জন পাস করেছে।  বিভাগের মধ্যে পাসের হার শেরপুর জেলায় ৯০ দশমিক ০৫ শতাংশ, জামালপুরে ৮৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৮৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮৫ দশমিক ৭১ শতাংশ। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একটি স্কুল থেকে তিনজন পরীক্ষার্থী ছিল তাদের কেউ পাশ করেনি।  জেবি
এই প্রথম ফল প্রকাশ করলো ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে এবছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ৯৪.১০ শতাংশ। এর মধ্যে মেয়েদের পাশের হার ৯৪.৮৭ এবং ছেলেদের পাশের হার ৯৩.৩০ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টায় রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের কনফারেন্স রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর জেএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৯৪.৫৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে ছিল ৯৫.৫৪ শতাংশ। এবারে পাশের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪.১০ শতাংশ। এবছর মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২৭৮ জন ছেলে এবং ৯ হাজার ২০০ জন মেয়ে শিক্ষার্থী। শুধুমাত্র রাজশাহী জেলায় মোট ২ হাজার ৬৪৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এবারের মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬৮৩ জন। এদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৬ জন। এজে
জেএস‌সি‌তে রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৯৪.১০ শতাংশ
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি (পিইসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবার প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এসব তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রাথমিকে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ আর ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন, ইবতেদায়িতে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। এবার সমাপনীতে মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র ও ১২ লাখ ৭১ ৫৮৯ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে তিন লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। এদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৪১ হাজার ৪৫১ ও ছাত্রী এক লাখ ৮৪ ৬৩৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়িতে এবার তিন লাখ চার হাজার ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে পাস করেছে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৩৬ জন। এদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৫০ হাজার ৮৩৫ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪১ হাজার ৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৮৭৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৫৬৮৫ জন ও এক হাজার ১৯২ জন ছাত্রী। ফল বিশ্লেষণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, এবার ইবতেদায়ি পরীক্ষায় ছাত্রদের সংখ্যা বেশি হলেও গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। সর্বোচ্চ পাসের হার বিবেচনায় ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় দেশের আট বিভাগের মধ্যে রাজশাহী বিভাগ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। নওগাঁ জেলায় পাসের হার শতভাগ। তিনি আরও বলেন, এবার সারাদেশে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ২৪০ জন এবং ডিআরভুক্ত হয়ে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে ১৯৭ জন পাস করেছে। তার মধ্যে ছাত্র ১১৪ জন এবং ছাত্রী ৮৩ জন। এ স্তরে পাসের হার ৯২ দশমিক ০৬ শতাংশ। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির, মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা। পি
প্রাথমিকে পাস ৯৫.৫০ শতাংশ, ইবতেদায়িতে ৯৫.৯৬ (ভিডিও)
আরও পড়ুন
বিজয় দিবস কুস্তি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
ধর্ষণ ও গণধর্ষণ বেড়েছে দ্বিগুণ: আসক
ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি হলেন অমিত হাসান
শতাধিক দেশ ঘুরেছেন খুলনার মেয়ে আসমা