• ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

রোজা রেখে কী ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ১৫ মে ২০১৯, ১৮:০৮
ফাইল ছবি
রোজা ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম। প্রতিটি মুসলমানের জন্য রোজা ফরজ করেছেন আল্লাহ তায়ালা। তবে অসুস্থ ব্যক্তিদের রোজার ব্যাপারে কিছুটা শিথিলতা আছে।

whirpool
কোনো ব্যক্তি যদি বেশি অসুস্থ থাকেন, তাহলে তার জন্য রোজা জরুরি নয়। আবার কিছু কিছু রোগ আছে কষ্টদায়ক হলেও একটু সতর্ক থাকলে রোজা রাখা সম্ভব।

হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগে আক্রান্তদের রোজা রাখা অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, হাঁপানি রোগীদের ব্যবহার করতে হয় ইনহেলার।

অনেকে এটা নিয়ে টেনশনে থাকেন যে, রোজায় কীভাবে ইনহেলার ব্যবহার করবেন।

রোজা রেখেও ইনহেলার ব্যবহার করা যায়। চলুন যেনে নিই কিভাবে ইনহেলার ব্যবহার করা যায়-

শ্বাসকষ্ট দূর করার জন্য মুখের ভেতরে ইনহেলার স্প্রে করতে হয়। ওষুধটি যদিও স্প্রে করার সময় গ্যাসের মতো দেখা যায়। কিন্তু বাস্তবিক পক্ষে তা দেহবিশিষ্ট তরল ওষুধ। অতএব তরল ওষুধ মুখের ভেতর স্প্রে করার দ্বারা রোজা ভেঙে যাবে।

তবে মুখে স্প্রে করার পর না গিলে যদি থুতু দিয়ে ফেলে দেয়া হয়, তা হলে রোজা ভঙ্গ হবে না। এভাবে কাজ চললে বিষয়টি অতিসহজ হয়ে যাবে। এতে শ্বাসকষ্ট থেকে রেহাই পাওয়ার পাশাপাশি রোজা ভঙ্গ হবে না।

এবিষয়ে কিছু চিকিৎসকের মতামত হচ্ছে- সেহরিতে এক ডোজ ইনহেলার নেয়ার পর সাধারণত ইফতার পর্যন্ত আর ইনহেলার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। তাই এভাবে ইনহেলার ব্যবহার করে রোজা রাখা যায়।

তবে কারও অবস্থা যদি এমন মারাত্মক আকার ধারণ করে যে, ইনহেলার নেয়া ব্যতীত ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা করা কষ্টকর হয়ে পড়ে, তা হলে তাদের ক্ষেত্রে শরিয়তে এ সুযোগ রয়েছে যে, তারা প্রয়োজনভেদে ইনহেলার ব্যবহার করবে এবং পরবর্তী সময় রোজা কাজা করে নেবে।

আর কাজা করা সম্ভব না হলে ফিদিয়া আদায় করবে। আর যদি ইনহেলারের বিকল্প কোনো ইনজেকশন থাকে, তা হলে তখন ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করবে। কেননা রোজা অবস্থায় ইনজেকশন নিলে রোজা ভাঙবে না।

এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়