• ঢাকা মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

৫৫ বছর পর দেড় বিঘা জমি ফিরে পেলো ঢাকেশ্বরী মন্দির

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১০ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৩৫ | আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০১৮, ২২:০২
ফাইল ছবি
অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ২৬ দিনের মাথায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরের বেহাত হওয়া ২০ বিঘা জমির মধ্যে দেড় বিঘা ফিরে পেয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

শনিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জি এই তথ্য জানান।

western নির্মল কুমার চ্যাটার্জি বলেন, ‘২০ বিঘা জমির মধ্যে আমরা পাঁচ বিঘার কিছু বেশি জমি ভোগ করছিলাম। এখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আরও দেড় বিঘা পেলাম। সেখান থেকে বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। মন্দিরের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেড় বিঘা জমি আমরা ফিরে পেয়েছি। এখন মন্দিরের মোট জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬.১ বিঘা।’

অবশিষ্ট ১৩.৯ বিঘা জমি ফিরে পেতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘মন্দিরের ভূমি সমস্যা নিয়ে ১৯৬৩ সালে দায়ের হওয়া এক মামলার কার্যক্রম চলছে এখনও। নাভানা গ্রুপের দখলে থাকা দুই বিঘা জমি ছাড়াও পাকিস্তান আমলে মমিন মোটরসের দখলে থাকা তিন বিঘা জমি নিয়ে মামলা নিয়ে লড়াই করছে পূজা উদযাপন পরিষদ।’

ঢাকেশ্বরী দেবীর প্রতিমা যেখানে স্থাপিত সেসব জায়গা ঘিরে ভাওয়াল রাজা রাজেন্দ্র নারায়ণ রায় বাহাদুরের আমলে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের জন্য ২০ বিঘা জমি দেবোত্তর ভূমি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। দেশে আনুষ্ঠানিক ভূমি জরিপ শুরু হলে মন্দিরের পুরো জায়গা দেবোত্তর ভূমি হিসেবে ঢাকাস্থ মৌজায় সিএস ৩০ থেকে ৪৩ নম্বর দাগে রেকর্ডভুক্ত হয় এবং নকশায় স্পষ্ট করে পাকা পিলারসহ সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এরপর পাকিস্তান আমলে অনুষ্ঠিত এসএ জরিপে লালবাগস্থ মৌজায় ৯৪-৯৭ ও ১০১-১১৭ নং দাগগুলো এসএ রেকর্ডভুক্ত হয়।

১৯৬৩ থেকে ২০১৮ প্রায় ৫৫ বছর পর উদ্ধার হলো ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের বেহাত হওয়া দেড় বিঘা জমি।

আরও পড়ুন :

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়