ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইন্টারনেটে ধীরগতি শুরু

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ১২:০৭ পিএম
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৭, ০১:১০ পিএম

দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪) মেরামত কাজের জন্য ইন্টারনেটে ধীরগতি শুরু হয়েছে। গ্রাহকরা এরই মধ্যে বিভিন্ন ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযোগ জানাতে শুরু করেছেন।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, আমাকে প্রতিরাতেই প্রবাসে থাকা বাবার সঙ্গে ইন্টারনেটে কথা বলতে হয়। কিন্তু গতকাল রাত থেকে ঠিকমতো কথা বলা যাচ্ছে না। যখন কথা বলতে যাচ্ছি তখনই বারবার কেটে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাজে ইন্টারনেটেও ঢুকতে পারছি না।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন ফাতেমা খান লুবনা। তিনি বলেন, গতকাল রাতে সমস্যা বেশি ছিল। বারবার চেষ্টা করেও কোনো ফাইল ডাউনলোড করতে পারছিলাম না। তবে আজ একটু স্বাভাবিক মনে হচ্ছে।

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি এর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক আরটিভি অনলাইনকে জানান, সোমবার রাত ১২টা ১৯ মিনিটে সাবমেরিন ক্যাবল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ সমস্যা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ইন্টারনেট গতিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তবে কিছু ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে ভালো কাজ করায় বেশি প্রভাব পড়তে পারেনি।

“আমরা আগে থেকে গ্রাহকদের জানিয়েছিলাম ২৪ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর মোট তিনদিন প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই-৪’ মেরামত করায় ইন্টারনেটে ধীরগতি দেখা যাবে।

ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অপটিমাক্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী ইকবাল বাহার আরটিভি অনলাইনকে জানান, যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে কথা হচ্ছিল, তাই আমরা আমাদের গ্রাহকদের আগে থেকে মেইল করে জানিয়েছিলাম। তবে এরই মধ্যে আমাদের কাছে গ্রাহকদের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় ইন্টারনেটে গতি খুব কম পাওয়া যাচ্ছে বলে তারা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) ও ভারত থেকে আমদানি করা ব্যান্ডউইথ দিয়ে ইন্টারনেট ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হবে। বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দৈনিক চাহিদা ৪৫০ জিবিপিএস (গিগা বাইট প্রতি সেকেন্ড)। এর মধ্যে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল থেকে ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়। বাকি ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ভারত থেকে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল) কোম্পানির মাধ্যমে আমদানি করা হয়।

বিএসসিসিএল এ পর্যন্ত দুবার সাবমেরিন ক্যাবলের মেরামত কাজের তারিখ পিছিয়েছে। প্রথমে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মেরামত শুরু করার কথা থাকলেও পরে আরেক দফা সময় বদল করা হয়। এই ক্যাবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে অবস্থিত। সেখান থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ মেরামত কাজ চলবে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের (সাউথ ইস্ট এশিয়া-মিডিল ইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ-৪) সঙ্গে সংযুক্ত হয়। ২০০৫ সালে চালুর পর প্রথমবারের মতো এ সাবমেরিন ক্যাবল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়ে এর মেরামত করা হবে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল।

এমসি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন নিজেও
বউ এবং দুই সন্তানকে নিয়ে ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন ইতালি প্রবাসী কামরুল ইসলাম নিলয়। মক্কায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দুই ছেলের পর নিজেও চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বৃহস্পতিবার সড়ক দুর্ঘটনার পর নিলয় গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকার পর স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় মারা যান। এর আগে দুর্ঘটনার দিনই ঘটনাস্থলে নিহত হন নিলয়ের স্ত্রী তানিয়া হোসেন(৩০) এবং তাদের ছেলে ইউসা হোসাইন(৮) ও আযান হোসেন(৩)। তারা ওমরাহ করতে ইতালি থেকে গত শনিবার সৌদি আরবে গিয়েছিলেন বলে জেদ্দা কনস্যুলেটের লেবার কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, নিলয়ের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের পৌর এলাকার মুন্সেফপাড়ায়। নিহতদের মরদেহ মক্কার আল-হেরা ও আল-নূর হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। মক্কা প্রবাসী নয়ন শেখ জানান, বৃহস্পতিবার ওমরাহ পালন শেষে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা যাচ্ছিলেন নিলয়। পাহাড়ি পথে তাদের প্রাইভেট কারের চাকা পাংচার হয়ে পাশের খাদে পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। জুয়েল নামে নিলয়ের এক স্বজন ওই গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনিও আহত হয়েছেন। নিলয়ের চাচাতো ভাই সরকার আমিন জানান, দুর্ঘটনার পর মারাত্মক আহত অবস্থায় নিলয়কে উদ্ধার করে মক্কা কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়। এপি/কে
স্ত্রী-সন্তানের পর চলে গেলেন নিজেও
মালয়েশিয়ার হাসপাতালে পড়ে থাকা এই বাংলাদেশি কে?
গেলো দশ মাস ধরে হাসপাতালের বিছানায় পড়ে আছে আলতাফ নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি। তার ঠিকানা কেউ জানে না। মানসিক ভারসাম্যহীন এই প্রবাসীকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে কুয়ালালামপুরের অদূরে ক্লাং এর তোয়াংকো আম্পোয়ান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনও। হাইকমিশনের শ্রম শাখার দ্বিতীয় সচিব ফরিদ আহমেদ বলছেন, আলতাফের কাছে বৈধ-অবৈধ কোনো ধরনের কাগজপত্র নেই। সে শুধু কুমিল্লা ও বাংলাদেশ শব্দ দুটি লিখতে পারছে। এতে করে আলতাফ বাংলাদেশি অনুমান করা গেলেও তার কোনো ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে না। তার কোনো আত্মীয়-স্বজন যোগাযোগ করলে হাইকমিশন আলতাফকে দেশে পাঠাতে সবধরনের সহযোগিতা করবে বলেও মন্তব্য করেন ফরিদ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছরের-ই ২৮ ফেব্রুয়ারি কয়েকজন লোক রাস্তা থেকে কুড়িয়ে আলতাফ হোসেনকে হাসপাতালে রেখে চলে যান। সেখানেই ৭/সি ওয়ার্ডের ৩৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, আলতাফ স্ট্রোক করে রাস্তায় পড়ে গেলে কে বা কারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিতসায় সে সুস্থ হয়ে গেলেও উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে তার শরীরের বাম হাত অবশ হয়ে যায় এবং সে আংশিক স্মৃতিশক্তি ও বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আলতাফ হোসেনের অভিভাবকের খোঁজ না পেয়ে ৪ ডিসেম্বর কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করে। দূতাবাসের কল্যাণ সহকারী মো. মোকসেদ আলী হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি আলতাফ হোসেনের খোঁজ-খবর নেন। হাইকমিশনের এ কর্মকর্তাকে দেখে তিনি হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। তার কাছে কোনো কাগজপত্র নেই বলে আলতাফ কাগজে লিখে জানান। আলতাফের সন্ধান দিতে দূতাবাসের +৬০১২৪৩১৩১৫০ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এসজে/সি
মালয়েশিয়ার হাসপাতালে পড়ে থাকা এই বাংলাদেশি কে?
ফরহাদ মজহার দম্পতিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলা করায় কবি-প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ প্রসিকিউশনের মামলা আমলে নিয়ে তাদের আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আদাবর থানার নন-জিআর শাখায় এ প্রসিকিউশন মামলাটি ডাকযোগে পাঠান মামলার বাদি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম। তিনি ফরহাদ মজহার ও ফরিদা আক্তারকে পলাতক দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। ৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রসিকিউশন মামলা করার জন্য অনুমতি প্রদান করেন। গত ৩১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম আদালতে কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল সেটিতে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। অপরদিকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ও হয়রানির অভিযোগ দণ্ডবিধির ২১১ ও ১০৯ ধারায় ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলা দায়েরের অনুমতি চান তদন্ত কর্মকর্তা। গত ৩ জুলাই ভোরে শ্যামলীর রিং রোডের ১নং হক গার্ডেনের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ফরহাদ মজহার। পরে স্ত্রীকে নিজের মোবাইল ফোনে জানান, কে বা কারা তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। তাকে মেরেও ফেলা হতে পারে। সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়বার কল করে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়ে মোবাইল ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় এবং ১৯ ঘণ্টা পর যশোরের অভয়নগরে হানিফ পরিবহনের একটি বাস থেকে তাকে উদ্ধার করে। ফরহাদ মজহারের নিখোঁজের ঘটনায় ওই দিন রাতেই স্ত্রী ফরিদা আক্তার বাদি হয়ে আদাবর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৪। এর আগে তিনি জিডি করেছিলেন। জিডি নং-১০১। পি
ফরহাদ মজহার দম্পতিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
দুদকে ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ
কোচিংয়ের অনিয়ম অনুসন্ধানে রেটিনা,  ইউসিসি, সাইফুরসসহ ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সকাল ৯টা থেকে এ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে বলে আরটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য। দুদক সূত্র জানায়, ১১০ কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রশ্নপত্র ফাঁস, ভুয়া পরীক্ষার্থী সরবরাহ, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। কোচিং সেন্টার মালিকরা কীভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে, তাদের নামে কীভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদ থাকতে পারে- এসবই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করা হবে। তাদের কাছে সম্পদের হিসাব চাওয়া হবে। পরে ওই হিসাব যাচাই করা হবে। এ সময় যাদের নামে-বেনামে অবৈধ সম্পদ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গেছে, সারাদেশের কোচিং সেন্টারগুলোর মধ্যে সিংহভাগই গড়ে উঠেছে ঢাকা মহানগর এলাকায়। গেল ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অবৈধ ও অননুমোদিত বিলবোর্ড, পোস্টার, ফেস্টুন ও ওভারহেড সাইনবোর্ড অপসারণ না করায় ছয়টি কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃপক্ষ। এ ছয় কোচিং সেন্টার হল ফার্মগেটের ইউসিসি কোচিং সেন্টার, ইউনিএইড কোচিং সেন্টার, আইকন কোচিং সেন্টার, আইকন প্লাস কোচিং সেন্টার, ওমেগা কোচিং সেন্টার এবং প্যারাগন কোচিং সেন্টার। এমসি/পি
দুদকে ৩০ কোচিং সেন্টারের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ
জাবি সিনেটে শরীফ এনামুল কবীর সমর্থকদের জয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ২৫টি আসনের বিপরীতে নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের একাংশের প্যানেল ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। রোববার ভোর ৫টায় রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক সাময়িকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরিফ এনামুল কবীর ও কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বাধীন এই প্যানেল 'শরিফ-মোতাহার' প্যানেল নামেই বেশি পরিচিত।  ২৫টি আসনের মধ্যে এই প্যানেল থেকেই বিজয়ী হয়েছেন মোট ১৮ জন। অপরদিকে, বিএনপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের ‘স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী’ প্যানেল পেয়েছে ৬টি আসন। এদিকে, আওয়ামীপন্থী গ্র্যাজুয়েটদের অপর অংশ ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিশীল গ্র্যাজুয়েট মঞ্চ’ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ১ জন। একমাত্র বিজয়ী ব্যক্তি হলেন- মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী (প্রাপ্ত ভোট-১০২৭)। এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ৪৪জন। তবে কেউই নির্বাচিত হতে পারেননি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ প্যানেল থেকে নির্বাচিতরা হলেন- কেএইচ মাহিদ উদ্দিন (প্রাপ্ত ভোট-২১৪৪), মো. কায়কোবাদ হোসাইন (প্রাপ্ত ভোট-১৮৭৩), শরীফ এনামুল কবীর (প্রাপ্ত ভোট-১৬৮৫), ড. মোহাম্মদ আলমগীর কবীর (প্রাপ্ত ভোট-১৪৫৭), মো. সোহেল পারভেজ (প্রাপ্ত ভোট-১৪৩৪), আশীষ কুমার মজুমদার (প্রাপ্ত ভোট-১৪৩২), শামীমা সুলতানা (প্রাপ্ত ভোট-১৪১১), কৃষ্ণা গায়েন (প্রাপ্ত ভোট-১৪০২), পৃথ্বিলা নাজনীন নীলিমা (প্রাপ্ত ভোট-১৩৯৬), মহব্বত হোসেন খান (প্রাপ্ত ভোট-১২৩৮), শেখ মনোয়ার হোসেন (প্রাপ্ত ভোট-১১৯৪), মো. মোতাহার হোসেন (প্রাপ্ত ভোট-১১৩১), আবুল কালাম আজাদ (প্রাপ্ত ভোট-১১১৫), মোহাম্মদ মেহেদী জামিল (প্রাপ্ত ভোট-১০৮২), মো. এবায়দুল্লাহ তালুকদার (প্রাপ্ত ভোট-১০৭৭), ইন্দুপ্রভা দাস (প্রাপ্ত ভোট-৯৯৪), মো. মাসুদুর রহমান (প্রাপ্ত ভোট-৯৮০) এবং মো. আনোয়ার হোসেন মৃধা (প্রাপ্ত ভোট-৯৭৫) টি ভোট পেয়েছেন। বিএনপিপন্থী প্যানেল থেকে ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান (প্রাপ্ত ভোট-১৩৪২), শিহাব উদ্দিন খান (প্রাপ্ত ভোট-১৩০৭), শামীমা সুলতানা (প্রাপ্ত ভোট-১২০৭), মো. শামসুল আলম সেলিম (প্রাপ্ত ভোট-১১৮৪), সাবিনা ইয়াসমিন (প্রাপ্ত ভোট-১০৩০), ড. মো. নজরুল ইসলাম (প্রাপ্ত ভোট-১০১০) নির্বাচিত হয়েছেন। ফল প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল জোট’ প্যানেলের পক্ষে অধ্যাপক শরিফ এনামুল কবীর বলেন, "নির্বাচনের আগে আমরা যেসব সংকল্প করেছিলাম, সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। প্রথমে আমরা ক্যাম্পাসে বাণিজ্যিক পরিবেশ দূরীকরণে কাজ করবো। জাকসু নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে আমরা তৎপর থাকবো।" জাতীয়তাবাদী প্যানেলের পক্ষে অধ্যাপক শামসুল আলম সেলিম বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে আমরা একত্রে কাজ করবো। জাকসু নির্বাচনসহ সব প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর।" রিটার্নিং অফিসার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক বলেন, "সাময়িক ফল ঘোষণার তিন কার্যদিবসের মধ্যে কোনও প্রার্থী লিখিত অভিযোগ না করলে, এই ফলই চূড়ান্ত ফল বলে গণ্য হবে।" এসজে/পি
জাবি সিনেটে শরীফ এনামুল কবীর সমর্থকদের জয়
আরও পড়ুন
ডায়েট সম্পর্কে ৫টি ভুল ধারণা
বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ৩ জনের ১ শিশু: ইউনিসেফ
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বেড়েছে ১০০ গুণ
ইন্টারনেটের গতি কমতে পারে মধ্যরাত থেকে