Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

মা সর্বজনীন, যার উষ্ণতায় দূর হয় শীতলতা

যার উষ্ণতায় পৃথিবীর যাবতীয় শীতলতা দূরে থাকে, সে-ই তো আমাদের মা। কেউ বলেন, মাকে ভালোবাসতে আবার দিন লাগে? মা তো মা-ই। তবু বিশ্বব্যাপী পালিত হয় মা দিবস। উদ্দেশ্য, মাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া, ভালোবাসা। দিনটি উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে মাকে ভালোবাসা জানিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছে বহু মানুষ।

মাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য আলাদা দিনের প্রয়োজন পড়ে না। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণই মায়ের ভালোবাসা কাজ করে। এরপরও দেশে দেশে বিশেষ দিনে মা দিবস পালনের রীতি দেখা যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় রোববার নরওয়েতে, মার্চের চতুর্থ রোববার আয়ারল্যান্ড, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাজ্যে। আর বাংলাদেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার।

পুরো পৃথিবীর সঙ্গে সম্পর্কটা একদিকে আর মায়ের সঙ্গে অন্যদিকে। কারণ, মা হলো সেই ব্যক্তি, যার ভেতরে আমাদের পূর্ণতা পাওয়া। একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ রূপে পৃথিবীতে আসা। যার মধ্য থেকে আমাদের জন্ম, তার জন্য যা কিছু করা হোক না কেন, কম হয়ে যাবে। সব ধর্মে মায়ের মর্যাদা অনেক উপরে। ইসলাম মাতা-পিতাকে সর্বোচ্চ অধিকার ও সম্মান দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে মহাগ্রন্থ আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত না করতে এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে।’

মা দিবসের প্রবক্তা আনা জার্ভিস দিবসটির বাণিজ্যিকীকরণের বিরোধিতা করে বলেছিলেন, মাকে কার্ড দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর অর্থ হলো, তাকে দুই কলম লেখার সময় হয় না। কারণ, একজন মা-ই জানেন, নিজের উদরে একটি প্রাণকে বড় করে তুলে তাকে এই পৃথিবীর আলো দেখানোর কী আনন্দ! প্রচণ্ড কষ্ট, যন্ত্রণা ম্লান হয়ে যায় যখন সন্তানের মুখ একজন মা দেখতে পারেন। বড় হয়ে তাই প্রতিটি সন্তানের উচিত মায়ের জন্য কিছু করা। মায়ের ভালো থাকা নিশ্চিত করা। মাকে ভালোবাসা। কারণ, মায়ের মতো ভালোবাসা আর কেউ দিতে পারে না।

সন্তানদের জন্য নিজের পুরোটা উৎসর্গ করে দেওয়ার পরও মায়েদের কিছু চাওয়ার থাকে না। সন্তানের সুখেই নিজের সুখ খুঁজে নেন তারা। তবুও সন্তান হিসেবে মায়ের প্রতি কর্তব্য রয়েছে সবার। যে মানুষটি আপনাকে গড়ে তুলতে সবচেয়ে বেশি শ্রম দিয়েছেন, তার মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্বও আপনার। অবশ্য মায়েদের খুশি করতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন হয় না। একটি ফুল কিংবা কমদামী একটি চায়ের ছাঁকনিই মায়ের ঠোঁটে এনে দিতে পারে অমূল্য হাসি।

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS