logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭

গাঁজা দিয়ে ওষুধ তৈরি করার অনুমতি দিলো জাতিসংঘ

ছবি সংগৃহীত।
কঠিন ড্রাগের তালিকা থেকে বাধ হলো গাঁজার নাম। এর আগে জাতিসংঘে গাঁজা নিয়ে ভোট  হয়েছে। এখন থেকে তা ব্যবহার করা যাবে ওষুধ তৈরির গবেষণার কাজে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতিসংঘ। এত দিন ধরে গাঁজাকে যে ধরনের মাদকের তালিকায় রাখা হয়েছিল। সে ধরনের তালিকা  থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে গাঁজাকে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ। 

অন্যদিকে ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে জাতিসংঘকে সিদ্ধান্ত নেয়ার আর্জি জানিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) জাতিসংঘের নারকোটিক ড্রাগ কমিশনে এই ভোটাভুটি হয়। একটি দেশ সেখানে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং বাকি দেশগুলির ভোটে ২৭ থেকে ২৫ ফলাফল হয়। গাঁজাকে কঠিন ড্রাগ হিসেবে চিহ্নিত করার বিরোধী ২৭টি দেশ আর ২৫টি দেশ পক্ষে এর ফলে জয় হয় গাঁজার।

এতদিন কঠিন ড্রাগের চতুর্থ তালিকায় রাখা হতো গাঁজাকে। একই তালিকায় হেরোইন ও বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ড্রাগও রয়েছে। তবে এই ধরনের ড্রাগ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বলে জানিয়ে দিয়েছেন জাতিসংঘ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৯ সালে জাতিসংঘকে জানিয়েছিল গাঁজাও ওই একই তালিকায় থাকায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানান রকমের গবেষণায় সমস্যা হচ্ছিলো। 

বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি সম্ভব গাঁজা থেকে যা মানুষের জন্য খুব প্রয়োজনীয়। এত দিন কঠিন ড্রাগের তালিকায় নাম থাকার কারণে তা ব্যবহার করা যাচ্ছিলো না গবেষণার ক্ষেত্রে। এই কারণেই ভোটাভুটির ব্যবস্থা গ্রহণ করেন জাতি সংঘের নারকোটিক ড্রাগ কমিশনে।

কঠিন তালিকা থেকে গাঁজার নাম না বাধ দেওয়াতে গাঁজা প্রেমিদের খুশি হওয়ার কারণ নেই।

কারণ এখনো মাদকের তালিকাতেই রাখা হয়েছে গাঁজাকে। এছাড়াও সাধারণের ব্যবহারের জন্য সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়া হয়নি। শুধু মাত্র ওষুধ তৈরির জন্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।

 সাধারণ মানুষ গাঁজা বা গাঁজা গাছের রস থেকে তৈরি চরস সেবন করলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে। গাঁজার অতিরিক্ত নেশা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনে স্পষ্টই বলা হয়েছে এসব তথ্য।

 জিএম/এম  

RTV Drama
RTVPLUS