logo
  • ঢাকা রোববার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ৫ বৈশাখ ১৪২৮

মাদক ব্যবসা রোধে ড্রোন ব্যবহার করছে চীনের পুলিশ

Drone,
ড্রোন।

সরকারি নিয়ন্ত্রিত ব্রডকাস্টার সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে, একজন সন্দেহভাজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে আসার আগেই পালিয়ে যায়।

স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নিয়ে বিপুল সমালোচনা হয়। কেউ কেউ এমন মন্তব্য করে যে "কোথাও আর লুকানোর জায়গা নেই"। আবার অনেকে বলেছেন যে, অন্যান্য বড় অপরাধ মোকাবিলায় ড্রোনে অস্ত্র যোগ করতে। এতে করে অপরাধ প্রবণতা আরও কমে আসবে।

চীনের জাতীয় গণমাধ্যমে এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয় যেখানে ড্রোন অভিযানের কারণে পুলিশ গিলিন শহরে একটি পরিত্যক্ত ইটের কারখানায় অবৈধ ড্রাগ লেনদেনের চিত্র দেখতে পায়। পরবর্তীতে ফুটেজটি নিকটবর্তী পুলিশদের কাছে পাঠানো হয়।

বিগ ব্রাদার ওয়াচের ডিরেক্টর সিল্কি কার্লো বলেন, এই প্রযুক্তিটি হচ্ছে নজরদারি প্রযুক্তি। প্রযুক্তিগত সুবিধা ইউকে (ইউনাইটেড কিনডম) এর মতো চীনের জনগণকেও দিয়ে আসছে সরকার। তিনি আরও বলেন, এটা সুস্পষ্ট যে ড্রোন নজরদারির মধ্যে সবাইকে আনতে হলে অবশ্যই নতুন আইন প্রণয়ন করা দরকার।"

২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে, ১৭ বছর ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন এমন একজন ব্যক্তিকে ড্রোন দ্বারা শনাক্ত করা হয়েছিল। এতো বছর সে ইউনান প্রদেশের একটি গুহায় বসবাস করে আসছিলো।

কোভিড-১৯ মহামারিতে ড্রোন ব্যবহারে সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চীন জুড়ে জনসাধারণের মুখে মাস্ক পরানোর জন্য প্রথম এই ড্রোন ব্যবহার শুরু হয়। পরবর্তীতে এর সফলতার জন্য এটি নানা ধরনের অপরাধ দূর করতে ব্যবহার শুরু করে চীন প্রশাসন।

সূত্র- বিবিসি।

আরএস/এম

RTV Drama
RTVPLUS