logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, ১০ মাঘ ১৪২৭

নারীদের হার ক্ষয় রোধে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:১৭
নারীদের হার ক্ষয় রোধে করণীয়
ফাইল ছবি

শরীরের হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়াকে বোঝায় অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয়। এতে হাড় অতি দ্রুত ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মারাত্মক হাড় ক্ষয়ে হাঁচি বা কাশি দিলেও তা ভেঙে যেতে পারে। ৫০ বছর পেরুবার পর থেকে শরীরের হাড় ক্ষয় বা এর লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে থাকে। কারও কারও আগেও হয়।

যাদের ক্ষেত্রে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি তাদের দ্রুত হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে। নারীদের পিরিয়ডের পর হাড় ক্ষয়ের হার বেড়ে যায়।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে শরীরে হাড়ের সমস্যা দেখা দেয়। হাড়ের এই সমস্যাকে বলে অস্টিওপোরোসিস। সাধারণত পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। আধুনিক এবং সঠিক চিকিৎসায় হাড়ের ক্ষয় অনেকটা কমিয়ে আনা যায়।

হাড় গঠন শরীরের একটি চলমান প্রক্রিয়া। শরীরে সব সময় ব্যথার অনুভূতি বাড়িয়ে স্বাভাবিক হাঁটাচলা, কাজকর্মে বিঘ্ন ঘটিয়ে জীবনের ভোগান্তি বাড়ায়। ৫০ বছর বয়সের আগে হাড়ের বৃদ্ধি বেশি হয় আর ক্ষয় কম হয়। এরপর থেকে হাড়ের ক্ষয় বেশি হয়, বৃদ্ধি কম হয়। হাড় ক্ষয় নির্ভর করে হাড়ের ঘনত্বের সঙ্গে সঙ্গে ক্যালসিয়াম, ফসফেট, কোলাজেন ফাইবারের উপস্থিতির ওপর। 

গর্ভধারণ এবং মায়ের দুধ পান করানোর ফলে নারীদের শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। এ কারণে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া মেনোপজের সময় এস্ট্রজেন হরমোনের অভাবে শরীরে ক্যালসিয়ামের শোষণ কমে যায়। ফলে খুব দ্রুত হাড় ক্ষয় হতে থাকে।

এছাড়া আরও কয়েকটি কারণে হাড় ক্ষয় হতে পারে। যেমন- ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার কম খাওয়া, পর্যাপ্ত শরীর চর্চা না করা, অলসতাপূর্ণ জীবনযাপন করা, কিছু ওষুধ যেমন-  ডাই-ইউরেটিক্স, হেপারিন, জন্মনিয়ন্ত্রণের ইনজেকশন দীর্ঘদিন ব্যবহার করা ইত্যাদি কারণে হাড় ক্ষয়ের মাত্রা বেড়ে যায়।

হাড় ক্ষয় এড়াতে যা করবেন

একটু সতর্ক থেকে জীবনযাপন করলেই হাড় ক্ষয় এড়ানো সম্ভব। এজন্য প্রথমেই পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে দুধ, পনির, চিজ বা অন্যান্য দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম, ব্রকলি, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। 

নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। দীর্ঘ সময় শুয়ে-বসে থাকা যাবে না।
প্রেগনেন্সি এবং ল্যাক্টেশনের সময় ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিদিন প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতে হবে। 

দুধ খাওয়ার প্রয়োজন। নারীদের  দুধ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। ছোট মাছ, ফল খেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বয়স্ক লোক, অবসরে সারাদিন ঘরে বসে না থেকে একটু হাঁটাহাঁটি করতে হবে। যারা হাঁটতে চলতে পারেন না তারা ঘরেই হালকা ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন একটি লোক বিছানায় সারাদিন শুয়ে থাকেন। তিনি যদি শুয়ে না থেকে কিছুক্ষণ বসে থাকেন তাহলে ভালো। বয়স্কদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। চোখে যদি ঝাপসা দেখেন। তাহলে পড়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। কাজেই চশমা ব্যবহার করতে হবে।

বয়স চল্লিশের কোটা পার হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

এস/

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • লাইফস্টাইল এর সর্বশেষ
  • লাইফস্টাইল এর পাঠক প্রিয়