spark
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ৩১ আষাঢ় ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৩৩ জন, আক্রান্ত ৩১৬৩ জন, সুস্থ হয়েছেন ৪৯১০ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

কাঁঠালের যত গুণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২৯ জুলাই ২০১৮, ১১:১৩ | আপডেট : ২৯ জুলাই ২০১৮, ১১:৪১
কাঁঠাল বসন্ত ও গ্রীষ্মের প্রথমে কাঁচা অবস্থায় এবং গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ফলটি আকারে বেশ বড় হয়ে থাকে। এর পুষ্টিগুণের কোনও সীমা নেই। কাঁঠাল অপুষ্টি জনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপযোগী ফল। শিশু, কিশোর, কিশোরী এবং পূর্ণ বয়সী নারী- পুরুষ সব শ্রেণির জন্যই কাঁঠাল খুবই উপকারী ফল। গর্ভবতী এবং যে মা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য কাঁঠাল দরকারি ফল। চলুন জেনে নিই কাঁঠালের হরেক রকম উপকারিতার কথা।

১) কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল বেশি খেলেও তাই ওজন বাড়ে না।

২)  কাঁঠালে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : বৃষ্টিভেজা দিনে গরুর মাংসের খিচুড়ি
--------------------------------------------------------

৩) কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।

৪) কাঁঠালে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে।

৫) কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।

৬) কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

৭)  টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।

৮) বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।

৯) কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানি উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানির প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।

১০) চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।

১১) কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

১২) কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১৩) কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি-৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

১৪) ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।

১৫) প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী নারী ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়।

১৬) প্রচুর আঁশ থাকার কারণে কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

১৭) কাঁঠালে থাকা আয়রন যা শরীরের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

আরও পড়ুন :

কেএইচ/এসএস

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ১৯০০৫৭ ১০৩২২৭ ২৪২৪
বিশ্ব ১৩২৫৩০০৫ ৭৭২৩২১৭ ৫৭৫৮৮৯
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • লাইফস্টাইল এর সর্বশেষ
  • লাইফস্টাইল এর পাঠক প্রিয়