সরিষার তেল : খাবেন না মাখবেন?

প্রকাশ | ১৮ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:২৭ | আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০১৮, ১৫:৩৯

লাইফস্টাইল ডেস্ক

শুধু ঝাঁজেই নয়, মুখের রসনা বাড়াতে খাবারের স্বাদ রাঙাতে, ত্বকের যত্নে, এমনকি গাঁটের ব্যথা কমাতে সরিষার তেলের তুলনা নেই। সরষে ইলিশ থেকে শুরু করে মুড়িমাখা ও শরীরের সব জায়গায় মালিশ করা যায় সরিষার তেল। জেনে নিন কী কী উপকার মেলে এই তেল থেকে-

মগজ শানাতে

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, সরিষার তেল মস্তিষ্কের জন্য ভীষণ উপকারী। বিশেষ করে অবসাদ কাটাতে, স্মৃতিশক্তি আর মনঃসংযোগ বাড়াতে এই তেল যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আজকে থেকে রান্নাটা সরিষার তেলেই শুরু করুন।

খিদে বাড়াতে

খিদে বাড়াতে সরিষার তেলের কোনো তুলনা নেই। তাই ক্ষুধামন্দায় ভুগলে রান্নায় ব্যবহার করুন এ তেল।

হাড়ক্ষয় রোধে

সরিষার তেল মালিশে হাড়ক্ষয় রোধ হবে। ঈষদুষ্ণ তেল মাখলে কমবে আরথ্রাইটিস ও।

ক্যানসার প্রতিরোধে

বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা জানিয়েছে, ক্যানসার প্রতিরোধের অনেক গুণ সরিষার তেলে রয়েছে | এই তেলে থাকা লিনলেনিক অ্যাসিড ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিণত হলে তা স্টমাক আর কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে |

ব্যথা নাশে

আচমকা চোট পেয়ে হাত-পায়ের পেশি অবশ হয়ে গেলে সরিষার তেল হালকা গরম করে ব্যথার উপর মালিশ করুন| দ্রুত সাড়া ফিরে পাবেন।

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে

সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে মনো-স্যাচুরেটেড ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে| তাই রান্নায় রোজ সরিষার তেল খেলে হার্ট ডিজিজ হওয়ার প্রবণতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়| এছাড়াও, সরিষার তেল শরীরের খারাপ কোলেস্টরেল-এর পরিমাণ কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল-এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়| এতে হার্ট ভালো থাকে| চট করে হার্টের অসুখে ভোগার সম্ভাবনাও কমে যায়|

সর্দি কাশি কমাতে

সর্দি কাশি কমাতে সরিষার তেলে রসুন থেঁতো করে ফুটিয়ে নিন| ঈষদুষ্ণ অবস্থায় বুকে-পিঠে মালিশ করুন| রোজ রাতে শোয়ার সময় এই টোটকা ব্যবহার করলে বুকে জমা কফ উঠে আসবে।

প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবে

কী দরকার বাজারের ক্ষতিকারক সানস্ক্রিন ব্যবহার করার? হাতের কাছে সরিষার তেল থাকলে সানস্কিন হিসেবে নিশ্চিতে ব্যবহার করে ফেলুন।

ত্বকের যত্নে

সরিষার তেলে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল আর এন্টি ফাংগাল উপাদান এলার্জি, রাশ কমাতে সাহায্য করে| শীতে অনেকেই তাই সরষের তেল মেখে স্নান করতে পছন্দ করেন | এছাড়াও এই তেল মাখলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকে| ত্বক ফাটে কম।

কেএইচ/এমকে