Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮

ঘিয়ের যত ঔষধি গুণাগুণ

ফাইল ছবি

ঘি খুবই উপকারী একটি উপাদান। নিয়মিত ঘি খাওয়ার ফলে বিভিন্ন উপকারিতা পাওয়া যায়। গরম ভাতে অল্প একটু ঘি খাওয়ার উপকারিতা অনেক। পরোটা বা রুটি কিংবা তরকারিতে ঘি নেয়ার ফলে শুধু স্বাদ বৃদ্ধি করে না। এর উপকারিতাও রয়েছে অনেক। এবার তাহলে ঘি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

আরও পড়ুন : ছেলেদের উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পাঁচ কৌশল

ঘি-এ উপকারিতা রয়েছে বলে এখন বিশ্বের উন্নত দেশগুলোও ঘি-এর উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। কেউ কেউ ঘি’কে তরল সোনাও বলে থাকে। নিয়মিত খাবারের সঙ্গে ঘি খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্য সমৃদ্ধিতে ঝলমল হয়।

ঘি’তে প্রয়োজনীয় ফ্যাট-দ্রবণীয় ভিটামিন-ডি, কে, ই এবং এ দ্বারা সমৃদ্ধ। এ কারণে এই উপাদানগুলো শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ঘি-এ থাকা ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণসমৃদ্ধ উপাদান ভাইরাস, ফ্লু, কাশি, সর্দি ইত্যাদির বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়তা করে।

আরও পড়ুন : যে সাত কারণে আয়ু কমে যায়

বাট্রিক অ্যাসিডেন উপাদানের জন্য ঘি দুর্দান্ত একটি উৎস। এই উপাদানটি শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যা অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলি ডায়েটার ফাইবার বাটরেটকে ভাঙতে সহায়তা করে। এছাড়াও কোলন কোষগুলি শক্তির উৎস হিসেবে এই অ্যাসিড ব্যবহার করে। যা কিনা অন্ত্রের প্রাচীরগুলোকে শক্তিশালী করতে বিশেষ সহায়তা করে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান ত্বক ভালো রাখে, ত্বকের জ্বালাভাব দূর করে, পিগমেন্টেশন কম করে এবং বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলো বের করতে সহায়তা করে ঘি-এ থাকা এসব উপাদান। এছাড়াও প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও বেশ ভালো কাজ করে ঘি। সেই সঙ্গে যাদের হার্টে সমস্যা রয়েছে ও দৃষ্টিশক্তি দুর্বল তারা নিয়মিত ঘি খেলে ভালো উপকার পাবেন। ক্যানসার প্রতিরোধ ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও ঘিয়ের অবদান অনস্বীকার্য।

আরও পড়ুন : খালি পেটে থাকলে যে সমস্যা হতে পারে

সূত্র : হেলথলাইন

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS