logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১৯ ফাল্গুন ১৪২৭

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৯:৪২

মাত্র চার ঘণ্টায় ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে পেঁয়াজ

ছবি: সংগৃহীত

ডায়াবেটিস আক্রান্ত হওয়ার পর সহজে সুগার কমানো যায় না। এই সময় সুগার নিয়ন্ত্রণে আনা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। নিয়মিত হাঁটা, প্রয়োজনীয় এক্সারসাইজ ও বিশেষ ডায়েটের প্রয়োজন হয়। এছাড়াও খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন আনতে হয় সুগার নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য। সুগার নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে বিভিন্ন রকম সমস্যা হতে পারে। এজন্য সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ নজর রাখা উচিত।

অনেকেই জানেন না বাড়িতে থাকা রান্নায় ব্যবহার করা বিভিন্ন মসলা দিয়েই সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। হ্যাঁ, সত্যিই তাই বলা হচ্ছে। পেঁয়াজ ব্যবহার করেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে সুগার। এজন্য বিশেষভাবে পেঁয়াজ ব্যবহার করতে হবে।

পেঁয়াজের গুণাগুণ : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে পেঁয়াজ খাওয়ার ফলে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ব্লাড সুগার কমে। টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে পেঁয়াজ অনেক উপকারী। ইনভায়রনমেন্ট হেলথ জার্নালের এক প্রতিবেদন বলছে, প্রতি ১০০ গ্রাম লাল পেঁয়াজে মাত্র চার ঘণ্টায় রক্তে সুগারের মাত্রা কমানোর ক্ষমতা রয়েছে।

কিভাবে পেঁয়াজে ব্লাড সুগার কমে : গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (Glycaemic index) অনেক কম থাকে পেঁয়াজে। সাধারণত কোনও খাবার খাওয়ার পর রক্তে সুগারের মাত্রায় যে প্রভাব পড়ে তাকে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বলা হয়। যে সকল খাবারে এই উপাদান ৫৫ এর কম থাকে সেসব খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী। পেঁয়াজে এই উপাদান ১০ থাকে। তাই সুগারের ক্ষেত্রে এটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কার্বোহাইড্রেট টাইপ-২ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। পেঁয়াজে এই উপাদানের মাত্রা অনেক কম থাকে। হাফ কাপ কুচানো পেঁয়াজে কার্বোহাইড্রেট মাত্র ৫.৯ গ্রাম থাকে। তাই সুগারের জন্য এটি অনেক ভালো।

ডায়াবেটিসের জন্য ফাইবার সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়ার ফলে পেটের সমস্যা হয় না। প্রতিদিন পেঁয়াজ খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায় এবং হার্ট সুস্থ থাকে।

পেঁয়াজ খাওয়ার প্রক্রিয়া : কাঁচা পেঁয়াজ খেলে ব্লাড সুগারে ইফেক্ট পড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া যাবে না। তবে লাঞ্চ ও ডিনারে এই দুইবার কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারেন। এছাড়াও সালাদেও রাখতে পারেন। এদিকে জাম, এলাচ, ডিম, বাদাম. হলুদ, ব্রোকলি ও অ্যাপেল সিডার ভিনেগারেও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। তবে সমস্যা বেশি মনে হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে সময় নেবেন না।

সূত্র : এনডিটিভি

এসআর/এম

RTV Drama
RTVPLUS