ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পিরিয়ডের সময়ের শারীরিক সম্পর্ক উচিত না অনুচিত

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২১, ০৬:১১ পিএম
ছবি সংগৃহীত

চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা মনে করেন পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক সম্পর্কে ইনফেকশন হতে পারে। মাসিকের সময় জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না। তাই এটি খুব সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া ইসলামের দৃষ্টিতেও পিরিয়ডের সময় যৌনমিলন সম্পূর্ণ হারাম করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, তোমরা হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীগণ থেকে বিরত থাকো এবং যতক্ষণ না তারা পবিত্র হয়ে যায়।

তবে সম্প্রতি ভারতীয় এক গবেষণা বলছে, পিরিয়ডের সঙ্গে শারীরিকক সম্পর্কের কোনও শত্রুতা নেই। বরং পিরিয়ড চলাকালীন শারীরিক সম্পর্ক স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ভালো। ঋতুমতী অবস্থায় যৌনতার দুর্দান্ত চারটি সুফল রয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি টুয়েন্টি ২৪ এর খবরে বলা হয়, পিরিয়ডের সময় প্রচুর জ্বালা-যন্ত্রলণা হয়ে থাকে। পেটে, কোমরে অসহ্য যন্ত্রণা যেন জমাট বেঁধে রয়েছে। কোনও নড়নচড়ন নেই। সেইসময় আরাম দিতে পারে যৌনতা। এছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক সময়ই অনেকের খিঁচুনি হয়। শারীরিক সম্পর্ক তখন অব্যর্থ ওষুধের মতো কাজ করে। সেক্সের পর শরীর ও মন অনেকখানি রিল্যাক্স হয়ে যায়। যেটা খিঁচুনি অনেকাংশে কম করে। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে অনেকেই মানসিক অবসাদে ভোগেন। দেখা দেয় মানসিক চাপ। বিশেষ করে যখন যন্ত্রণা হয়, তখন মেজাজ খিটকিটে হয়ে যায়। সঙ্গীর সঙ্গে যৌনতা সেই মানসিক চাপ অনেকটাই দূর করে।

ভারতীয় এই গবেষণার বিপরীত মত বিশ্বের অনেক বড় বড় চিকিৎসা বিজ্ঞানীর।

বিবিসির খবরে বলা হয়, আইসিডিডিআরবি'র চালানো ন্যাশনাল হাইজিন সার্ভেতে বলা হয়েছে, পিরিয়ডের সময়ে পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে প্রায় কোন ধারণাই নাই বেশির ভাগ নারীর।এ সময় কোনোভাবেই একই কাপড় পরিষ্কার করে একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না। পিরিয়ডের সময় শরীর থেকে যে রক্ত প্রবাহিত হয়, তার মধ্যে ব্যাকটেরিয়া থাকে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, মাসিকের সময় জরায়ু ও যোনির অম্লভাব থাকে না। তাই এটি খুব সহজেই রোগজীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। পিরিয়ডের সময় শারীরিক সম্পর্ক হলে নারীদের জরায়ুতে ইনফেকশন হতে পারে। পিরিয়ড চলাকালীন শরীরিক সম্পর্ক হলে পিরিয়ডের যে রক্ত শরীরের ভেতর থেকে বের হয়, সেটি অন্য কোনো অংশে ঢুকে জমাট বেঁধে যেতে পারে। এতে হতে পারে বিভিন্ন ধরনের রোগ। এছাড়া পিরিয়ডের সময় শারীরিক সম্পর্ক হলে রক্তপাত স্বাভাবিকের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। তাই পিরিয়ড চলাকালীন শরীরিক সম্পর্ক নয়।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
    করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের কারণে অনেকেই ঘরোয়াভাবে নববর্ষ উদযাপনের পরিকল্পনা করেছেন। পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ঘরেই নববর্ষ উদযাপনের আগে ঘরটি যেভাবে সাজিয়ে নিতে পারেন, তার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো।    বেলুন টাঙানো ড্রয়িং রুমের দেয়ালে লাগাতে পারেন চিয়ার্স লেখা বেলুন। বাজারে ছোট, বড়, মাঝারি- বিভিন্ন মাপের চিয়ার্স বেলুন কিনতে পাওয়া যায়।   সেলফি তোলার নির্দিষ্ট জায়গা  বাড়িতে বন্ধুরা আসবে আর ছবি উঠবে না তা হয় নাকি। তাই বাড়ির কোনো একটি ফাঁকা জায়গায় তৈরি করে নিন সেলফি তোলার নির্দিষ্ট স্থান। জায়গাটিকে রঙিন বেলুন, রঙিন ফিতে দিয়ে সাজিয়ে নিন। আলোয় সাজুক ঘর নতুন বছরের উদযাপনে ঘরজুড়ে থাকুক আলোর মেলা। টুনি বাল্বগুলো ঝুলিয়ে দিতে পারেন দেয়ালজুড়ে। কিংবা ঘরে যদি কোনো গাছ থাকে, তার ওপরও ঝোলাতে পারেন টুনি বাল্ব। এই বছরের পুরনো ছবিগুলি টাঙাতে পারেন বসার ঘরের দেওয়ালজুড়ে অথবা ঘরের এক কোণে দড়ি টাঙিয়ে এই বছরের ভালো মুহূর্তের কিছু ছবি ক্লিপ দিয়ে আটকে দিতে পারেন। ছবিগুলির ওপর দু-একটি টুনি বাল্বের তারও ঝুলিয়ে দিতে পারেন। বছর শেষের সন্ধ্যায় জ্বলুক সুগন্ধি মোমবাতি আজকাল বিভিন্ন নকশা করা সুগন্ধি মোমবাতি পাওয়া যায়, বছর শেষের সন্ধ্যায় মোমের আলোয় এবং গন্ধে সুরভিত হয়ে উঠুক বাড়ি। সোফাতে রাখুন রঙিন কুশন ঘরের হাল ফেরাতে সোফা জুড়ে থাকুক রঙিন রঙিন কুশন। কুশনগুলোকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে নয়, সোফার গায়ে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। সূত্র: আনন্দবাজার এনএইচ/টিআই
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ঘর সাজাবেন যেভাবে
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
ফ্রিজের বোটকা গন্ধে নাজেহাল হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বিভিন্ন ধরনের খাবার, কাঁচা মাছ-মাংস বা শাক-সবজি থেকে যেমন এই ধরনের গন্ধ তৈরি হতে পারে, তেমনই জমে থাকা বরফ পরিষ্কার না হলে বা ফ্রিজের ভেতরে জমে থাকা অবাঞ্ছিত আবর্জনা থেকেও এই গন্ধ তৈরি হতে পারে। কিন্তু কোন উপায় রেহাই পাবেন এই সমস্যা থেকে? রইল কিছু সহজ টোটকা। * যদি রান্না করা খাবার ফ্রিজে রাখতে চান, তা হলে অবশ্যই বায়ুরোধী পাত্রে রাখুন। খাবারের গন্ধের মিশেলে অনেক সময়ে ফ্রিজে গন্ধ হয়। * ফ্রিজের সঠিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে হবে। সাধারণত চার থেকে পাঁচ ডিগ্রি তাপমাত্রাই ফ্রিজের জন্য আদর্শ। অন্যথায় ফ্রিজের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জন্মায় যা বাজে গন্ধ তৈরি করতে পারে। * গরম জলে বেকিং সোডা গুলে তাতে ন্যাকড়া ভিজিয়ে মুছতে পারেন ফ্রিজ। এমনকি, এক বাটি জলে বেকিং সোডা গুলে ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিলেও গন্ধ কমে অনেকটাই। * ভ্যানিলা এসেন্স দিয়ে ভেজানো এক টুকরো তুলো রেখে দিতে পারেন ফ্রিজের এক কোনায়। তাতে বাজে গন্ধের বদলে ফ্রিজে থাকবে সৌরভ। একটি প্লেটে করে অল্প কফি গুঁড়ো চব্বিশ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিলেও মুক্তি মিলতে পারে দুর্গন্ধের সমস্যা থেকে। *  সর্বোপরি নিয়মিত পরিষ্কার করুন ফ্রিজ। শাক-সবজি বা মাছ-মাংস, এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজের ভেতর না রাখাই ভালো। এতে খাবারের গুণমান যেমন বজায় থাকে, তেমনই কমে দুর্গন্ধ সৃষ্টির সমস্যা। এসএস/টিআই
ফ্রিজ খুললেই নাকে আসছে দুর্গন্ধ? যা করবেন
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে অনলাইন ভিত্তিক ফ্যাশন হাউজ ব্লুচিজ এর (https://blucheez.com.bd) যাত্রা শুরু হলো।  মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট ফারুক হাসান কেক কেটে ব্লুচিজ’র আনুষ্ঠানিক পথ চলার শুভ সূচনা করেন। ক্রেতাদের চাহিদা ও অভিনব ডিজাইনের কথা মাথায় রেখে ব্লুচিজের অনলাইন স্টোরে রয়েছে অপূর্ব পোশাকের সমাহার। যারা ব্যস্ততার জন্য মার্কেটে যেতে পারেন না তারা বিভিন্ন পেমেন্ট পদ্ধতিতে পছন্দের পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিমিন জামান বলেন, আমরা বিশ্ব মানের ফ্যাশন ট্রেন্ডকে তুলে আনার লক্ষ্যে অনলাইন প্রক্রিয়াকে প্রধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি পণ্যের গুণগত মান অক্ষুন্ন রাখার জন্য ফেব্রিকগুলো ল্যাব টেস্টে মান যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া অনলাইনে অর্ডারের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড় এবং পণ্যের অর্ডারের পর ক্রেতার হাতে তুলে দেবার সময় বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো হবে। এতে ক্রেতার স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং ভুল অর্ডারের সংখ্যা এবং পণ্য বিনিময়ের সংখ্যা হ্রাস পাবে। এবং প্রতি অর্ডারের ক্ষেত্রেই ক্যাশ অন ডেলিভারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ড. মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ক্রেতাদের রকমারি ও মানসম্মত পণ্য হাতে তুলে দিতে আমরা নিজস্ব ডিজাইন কর্মীদের দিয়ে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছি। ব্লুচিজর এই পণ্য ধীরে ধীরে ফ্যাশন সচেতন ক্রেতাদের মন জয় করে মার্কেটে তার অবস্থান সুদৃহ করবে বলে আমার বিশ্বাস। আরএ/
অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ‌ব্লুচিজ’র পথচলা শুরু
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
ওজন কমাতে কেউ ছেড়েছেন খাওয়া, আবার কেউ সকাল-বিকেল ছুটছেন জিমে, হাঁটছেন পার্কে। তবুও ওজন কিছুতেই কমছে না। তবে আপনাকে যদি বলা হয় শরীরচর্চা নয়, ওজন কমবে পরোটা খেয়ে, তাহলে চক্ষু চড়কগাছ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ পরোটা মানেই ঘি বা তেল চপচপে খাবার। যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা তো এই ধরনের খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। তবে বলে রাখা ভালো এমন কিছু পরোটা আছে যা খেলে শুধু ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তা নয়, মেদ ঝরিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। পেঁয়াজের পরোটা পেঁয়াজে আছে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন ও ভিটামিন সি। যা শরীরের রোগপ্রতিরোধশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়ক। পালংশাকের পরোটা ভিটামিন বি, ই, এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং মাইক্রোনিউটিয়েন্ট সমৃদ্ধ পালংশাকের পরোটা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাছাড়া পালং শাকে ক্যালোরি কম থাকে। পালং শাক দীর্ঘ সময়ের জন্যে পেট ভর্তি রাখে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা খানিক কমে। মেথির পরোটা মেথিতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। মেথি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে ঠিক রাখে। এ ছাড়া মেথির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরকে ক্ষতিকারক উপাদান থেকে বাঁচায়। কীভাবে তৈরি করবেন এমন স্বাস্থ্যকর পরোটা? এই পরোটাগুলির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই বেশি তেল বা ঘি ব্যবহার করবেন না। পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন টকদই। হজম প্রক্রিয়া ভালো হবে। জোয়ার, বাজরা, বা রাগি আছে এমন ময়দা দিয়ে পরোটা বানান। কারণ এই উপাদানগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা। এসএস
রোগা হবেন পরোটা খেয়েই!
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
সারাদেশে শীত এখন জেঁকে বসেছে। শীতের বৈরী আবহাওয়া ত্বকের জন্য বয়ে আনে নানান ধরনের সমস্যা। হতে পারে বিভিন্ন রোগও। এই সময় সুস্থ থাকার জন্য ঋতুর এ পরিবর্তনে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটু সচেতন হতে হবে। কিন্তু শীতের কিছু সবজি, যা খেলে তরতাজা থাকবেন আপনি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীর ভেতর থেকে সুস্থ থাকলেই ত্বক উজ্জ্বল রাখা সম্ভব। শীতে কিছু খাবার আপনাকে সজীবতা ও সুস্থতা দেবে।  জেনে নিন এই খাবারগুলো কী : হালকা কুসুম গরম পানি পান করুন। মাঝে মাঝে ডাবের পানি, ফলের রসও পান করতে পারেন। তিন বেলার খাবারের মেন্যুতে রাখতে পারেন বিভিন্ন ধরনের স্যুপ, গরম দুধ, দুধ ছাড়া চা, তিন-চার ফোঁটা লেবুর রস। এটি পানির সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ করবে।  শীতের রোগবালাই দূর করতে মূলজাতীয় সবজি ভালো কার্যকর। বিট, মিষ্টি আলু, গাজর, শালগমের মতো নানা সবজি শীতে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। এসব সবজিতে থাকা ভিটামিন ও নানা পুষ্টি উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।  শীতের সময় বেশি করে টকজাতীয় ফল খেতে পারেন। কমলা, বরই, পেয়ারা ভিটামিন সির দারুণ উৎস হতে পারে।  ত্বক ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন ফ্যাটি এসিড। বাদাম, মাছ এই ধরনের খাবার বেশি করে খান। ব্যালেন্সড ডায়েট মেনে চলুন। এ ছাড়া মাছের সঙ্গে শিম যুক্ত করে খেতে পারেন। এই শীতে নিয়মিত শিম খেলে ত্বকও ভালো থাকবে। শীতের সময়ে খেতে পারেন পুষ্টিকর পালংশাক। পালংশাক ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। অতিরিক্ত ওজনও কমায়। এই সবজি শীতে আমাদের শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করে। শীতে খাওয়ার নিয়ম ঠিকঠাক না মেনে চললে শারীরিক সমস্যা দেখা দেবে। খাবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই শীতে খাবার খাওয়ার প্রতি খাবার বাছাইয়ে সচেতন হোন। এসকে
শীতে যেসব খাবার অবশ্যই খাবেন
আরও পড়ুন
হাতকড়াসহ যুবক পালানোর ঘটনায় দুই পুলিশ প্রত্যাহার
করোনার সুনামি আসন্ন : ডব্লিউএইচও
দেশে বাড়ছে করোনা শনাক্ত
ভালোবাসা একটা আইসক্রিমের মতন : মাহি