logo
  • ঢাকা রোববার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১০ মাঘ ১৪২৭

শীতে ঘিয়ের উপকারিতা

শীতে ঘিয়ের উপকারিতা
ফাইল ছবি
বিভিন্ন গবেষণার প্রতিবেদনে এটা স্পষ্ট যে, প্রতিদিন ১-২ চা চামচ ঘি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত ঘি খেলে শরীরে একাধিক উপকারী ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ হয়। এতে শরীর চাঙা হয়ে উঠায় ছোট খাটো কোনও অসুখ টিকে উঠতে পারে না। নিয়মিত ডায়েটে ঘি রাখলে শীতকালে বারবার সর্দি-কাশি এবং জ্বরের মতো রোগের আশঙ্কা হ্রাস পায় এবং অন্যান্য উপকার আসে।

অভ্যন্তর থেকে গরম রাখা : আয়ুর্বেদদের ভাষ্যমতে আমাদের খাবারগুলো নির্দিষ্ট প্রকৃতির হয়ে থাকে। যেমন- উষ্ণ, শীতল এবং নিরপেক্ষ। তবে ঘি উষ্ণতাযুক্ত খাবার। সবজির তরকারিতে বা এক চা চামচ করে নিয়মিত ঘি খাওয়ার ফলে শরীরে অভ্যন্তর থেকে উষ্ণতা বজায় থাকে।

ভিটামিনের শোষণ ঠিক রাখা : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ঘিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশের পর ভিটামিনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। এতে দেহের অন্দরে ভিটামিনের ঘাটতির আশঙ্কা থাকে না। সঙ্গে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

ক্যান্সার প্রতিরোধ : ঘি-এ থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের উপস্থিত ফ্রি রেডিক্যালদের ক্ষতি করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়। এতে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন আসে। যার জন্য শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেয়ার হার কমতে থাকে। অনেকে রান্নায় ব্যবহার করে থাকেন ঘি। এভাবেও ঘি খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। এর ‘স্মোকিং পয়েন্ট’ প্রচুর। তাই উচ্চতাপে রান্না করলেও ঘি’র উপকারী উপাদানে তেমন প্রভাব পড়ে না।

শক্তির উৎস : হঠাৎ করেই কি দুর্বলতা বা অসুস্থতা অনুভব করছেন? ঋতু পরিবর্তনও হতে পারে এর মূল কারণ। শীতকালে আপনাকে যথেষ্ট সচেতন হতে হবে। ডি কে পাবলিশিং হাউজের 'হিলিং ফুডস' বই বলছে, ঘি হচ্ছে শক্তির উৎস। ঘি-এ মাঝারি এবং শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। যা লরিক অ্যাসিড একটি শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল পদার্থ। নিয়মিত ঘি খাওয়ার ফলে এসব উপাদান প্রয়োজনীয় শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে।

ত্বকের যত্ন : ঘি-এর মধ্যে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এ উপাদানটি নিস্তেজ এবং শুষ্ক ত্বকের পুষ্টি জোগাতে অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও ত্বকের কোষগুলিকে হাইড্রেট করে। একটি পাত্রে ২ টেবিল চামচ ঘি, ২ টেবিল চামচে বেসন বা হলুদ এবং সামান্য প্রয়োজন অনুযায়ী পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর তা হাত-পা ও মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিটের মতো রাখুন এবং পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিজেই ত্বকের পরিবর্তনটা বুঝতে পারবেন।

সূত্র: এনডিটিভি

এসআর/এসএস

RTV Drama
RTVPLUS