logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি ২০২১, ৮ মাঘ ১৪২৭

কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকবেই না, পাঁচটি নিয়ম মানুন

Symbolic image
প্রতীকী ছবি
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট ও কোমরে ব্যথা হয়। ব্যথা হয় মলদ্বারেও। এছাড়াও চাপ পড়ে কোলনে। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে সেখান থেকে কোলন ক্যানসারও হতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট পরিষ্কার হয় না। ফলে গ্যাস হতেই থাকে। এছাড়াও খাওয়ার কোনও রুচি থাকে না।
শীতে খাওয়া দাওয়া নিয়ে সকলকেই সচেতন থাকতে হবে। যারা নিয়মিত ওষুধ খান তাঁদের শীতে এই সমস্যা একটু বেশি। শরীরে ডায়াবেটিস, থাইরয়েড বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি নাজেহাল করে। 

ঘরোয়া উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকার করবেন কেমন করে জানুন

পানি

বর্তমানে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা একটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য পানি পানের অভ্যাস করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঈষৎ উষ্ণ পানি খেলে হজমের সমস্যা দূর হয় ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে উপশম মিলতে পারে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ঈষৎ উষ্ণ পানিতে পাতি লেবুর রস ও এক চা চামচ লেবু বা ঈষৎ উষ্ণ জলে অল্প হলুদ দিয়ে খেলেও এই সমস্যা দূর হতে পারে।

ফাইবার যুক্ত খাবার খান

ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখে, হজমে সাহায্য করে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করতে পারে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। এগুলোতে শুধু ফাইবার থাকে তা নয়, থাকে, ভিটামিন ও মিনারেলসও। ব্রকোলি, পালং শাক, স্প্রাউটসেও প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে। প্রতি দিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়া জরুরি। পেঁপে, কলা, কমলা লেবু, নাসপাতি, অ্যাভোকাডোর মতো ফল খাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি সবুজ সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। 

প্রোবায়োটিক খাবার

প্রোবায়োটিক খাবার ইনটেস্টাইনে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সঞ্চার করে। এক্ষেত্রে দইয়ের মতো খাবার খাওয়া যেতে পারে। আমাদের শরীরে দু’ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে— ভালো ব্যাকটেরিয়া ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া। এই ভাল ব্যাকটেরিয়াই হল প্রোবায়োটিক। 

নিয়মিত ব্যায়াম বা যোগ অভ্যাস

হাঁটা, জগিং, ফ্রি-হ্যান্ড, সাইকেল চালানো বা সাঁতার কাটা- এই ব্যায়ামগুলো করলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে ভাল থাকা যেতে পারে। সুস্থ থাকতে যোগাসন বা যোগ ব্যায়ামের বিকল্প নেই। 

প্রাকৃতিক উপাদান 

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমলকী, অ্যালোভেরা জুস, কাঁচা হলুদ, তিল, ফ্ল্যাক্স সিড, ভেজানো চিয়া সিডস বা ত্রিফলার মতো খাবার ডায়েটে রাখুন। 

সূত্র- এই সময়

জিএ

RTV Drama
RTVPLUS