logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২১, ১৪ মাঘ ১৪২৭

সাবেক প্রেমিক-প্রেমিকার সঙ্গে বন্ধুর বিয়ে? আপনার ভূমিকা যা হবে

Symbolic image
প্রতীকী ছবি
একটা সময় প্রেমিক-প্রেমিকার বিচ্ছেদ হলে ভুলেও কেউ কারও সঙ্গে কথা বলতেন না। এখন এই অবস্থা বদলেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দৌলতে ছোট হয়ে গেছে পৃথিবী। ফলে ঘুরেফিরে সবার সঙ্গেই একবার না একবার দেখা হয়। হতেই পারে আপনার সাবেক পরবর্তীকালে আপনারই সহকর্মী হলো। তখন কি আপনি তাই বলে চাকরি ছেড়ে দেবেন? আপনার সাবেকের সঙ্গে আপনার কোনও এক বন্ধুর ভালো সম্পর্ক থাকতেই পারে। পরবর্তীকালে তারা যদি বিয়ে করেন, তাহলে কি আপনি রাগ করে বন্ধুত্ব ত্যাগ করবেন? সেই সময় কীভাবে রক্ষা করবেন সম্পর্ক, কীভাবেই বা ম্যানেজ করবেন সবকিছু রইলো তারই কিছু টিপস।

প্রেম নাকি বিয়ে

একটা প্রেমে যেমন জীবন শেষ নয় তেমনি একটা বিয়েতেও সব শেষ হয়ে যায় না। সম্পর্কে বনিবনাটাই আসল। সত্যিকারের বন্ধু বা মন থেকে ভালো চায় এমন একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। হতে পারে কোথাও গিয়ে আপনাদের মনে হয়েছে এই সম্পর্কে আপনারা খুশি নন, তাই বিচ্ছেদ হয়েছে। তাই বলে জীবন কিংবা সম্পর্ক শেষ নয়। নিজেদের যেটুকু ভালো গুণ ছিল সেটার স্মৃতি নিয়ে আঁকড়ে ধরে থাকুন, কল্যাণ কামনা করুন। বন্ধুর সঙ্গে সাবেকের বিয়ে হলেও ভালোভাবে মেনে নিন, হয়তো সামনে যেতে কষ্ট হবে তাই বলে অকল্যাণ কামনা করবেন না। 

বন্ধুত্ব আসল

বন্ধুত্ব হলো সবচেয়ে দামি সম্পর্ক। ভালো স্বামী-স্ত্রী হওয়ার আগে ভালো বন্ধু হওয়া প্রয়োজন। এককালের স্কুলের কোনও এক বান্ধবীর সঙ্গে পাঁচবছর প্রেম করেছেন। কিন্তু তারপর সম্পর্কটা টেকেনি। এখন প্রেমের ক্ষেত্রে তার কাছে যাবতীয় পরামর্শ নেন এমন মানুষও কিন্তু অনেকে আছেন।

প্রত্যাশা রাখবেন না

সম্পর্কে কখনও খুব বেশি প্রত্যাশা রাখবেন না। কারণ প্রত্যাশা থাকলেই সমস্যা বাড়ে। তেমনই প্রেমিক/ প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রীর ওপর কোনও প্রত্যাশা রাখবেন না। মনে রাখা দরকার কখনও কারও উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে পড়লে মুশকিল।

শত্রু বাড়াবেন না

আপনার সঙ্গে প্রেমিক/ প্রেমিকার সমস্যা হলে তা নিতান্ত ব্যক্তিগত। সেই সমস্যা পরবর্তীতে পাঁচকান করবেন না। এমনকি একে অপরের নামে নিন্দাও করবেন না। এতে আপনাদের শত্রু বাড়বে, মানুষ খারাপ ভাববে। অনেক সময় দেখা হয় সাবেকের বিয়ে হলে অনেক প্রেমিক তার নামে নানা কথা ছড়ান। এটা তার জন্য মানহানিকর। সূত্র: এই সময়।

জিএ/পি

RTV Drama
RTVPLUS