অফিস সময়ে কী খাবেন?

প্রকাশ | ০২ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৬ | আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৬

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ
রুবাইয়া পারভীন রীতি, পুষ্টিবিদ

সঠিক খাবার শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুস্থ থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, সেটা শুধু অসুস্থ হলেই বোঝা যায়। শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য সচেষ্ট হতে হবে নিজেকেই। আমরা যারা চাকরি করি তাদের দিনের বেশির ভাগ সময়ই অফিসে পার হয়। তাই এই সময়ে খাওয়ার ব্যাপারে নিজেকেই যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে। তবে অফিসে এমন কিছুই খাওয়া উচিৎ নয় যেটা খেলে আলসেমি লাগতে পারে।

সকালের নাস্তা

সকালে নাস্তার ওপর নির্ভর করছে সারাদিন একটি মানুষ কতটুকু কাজ করতে পারবেন। তাই সকাল বেলা খেতে হবে অনেক ভারী খাবার। যেমন রুটি, মিক্সড সবজি, ডিম এবং দুধ।

মধ্য সকাল

এরপর অফিসে মধ্য সকালের খাবারটা খুবই জরুরি। সকালের নাস্তার পর থেকে দুপুর বেলার খাবারের মধ্যবর্তী সময়কে মধ্য সকালের খাবার বলে। এইসময় ড্রাই ফ্রুটস খেতে পারলে ভালো। যেমন- কাঠ বাদাম, আখরোট, খেজুর চাইলে বিস্কুটও খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া যেকোনো মৌসুমি ফল খাওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে কলার গুণ অনেক। এটা শরীরে ইনস্ট্যান্ট অ্যানার্জি যোগায়। এর পাশাপাশি গ্রিনটি, রং চা, ব্ল্যাক কফি চিনি ছাড়া খাওয়া যেতে পারে। যাদের কাজ করতে করতে শরীর বেশি দুর্বল হয় তারা ডাবের পানি খেতে পারেন, যদি এটা সম্ভব না হয় তাহলে স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে।

লাঞ্চ

অফিসে লাঞ্চের বিষয়টি ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সবার আগে বলতে চাই পসিবল হলে সবার বাসা থেকে খাবার নিয়ে যেতে হবে। দুপুরের খাবারের জন্য ভাত, মিক্সড সবজি, ভর্তা, ডাল এবং মাছ অথবা মাংস খাওয়া যেতে পারে। অনেকেরই বিরিয়ানি পছন্দ, ইচ্ছা হলে সপ্তাহে একদিন বিরিয়ানি খাওয়া যেতে পারে। তবে এটিও খেয়াল রাখতে হবে যেদিন বেশি খাওয়া হবে সেদিনই ওই ক্যালোরি বার্ন করে ফেলতে হবে। 

বিকেলের নাস্তা

অফিসে বিকেলের নাস্তা হিসেবে অনেকেই বাইরের ভাজা-পোড়া খেতে পছন্দ করেন, সেটি বাদ দিতে হবে। নাস্তার মধ্যে ছোলা সিদ্ধ বা ভুনা রাখা যেতে পারে। এছাড়া কাঠবাদাম বা খেজুরও খাওয়া যেতে পারে। গ্রিন টি, আদা চা বা ব্ল্যাক কফিও রাখা যাবে নাস্তার আইটেমে। তবে যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তাদের বিকেলে কফি না খাওয়াই ভালো।       

আরও পড়ুনঃ

খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি ও শরীর ভালো রাখে কারিপাতা

লেখক: রুবাইয়া পারভীন রীতি, পুষ্টিবিদ
 

এসএস/এম