জীবনে তান্ত্রিক ঝামেলায় জ্যোতিষীক সমাধান

প্রকাশ | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:১৮

জ্যোতিষ শাস্ত্রী ফকির ইয়াসির আরাফাত
ক্যাটস আই

জীবনে তান্ত্রিক বাধা বিপত্তি, দাম্পত্য ক্ষেত্রে সন্দেহ আর অবিশ্বাস। রহস্যজনক ব্যয়, ঋণগ্রস্ততা, পছন্দর মানুষটির হঠাৎ করেই দূরে সরে যাওয়া, গোপন শত্রুতা, আইনগত জটিলতা, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার জ্যোতিষীক কারণ ও তার প্রতিকার।

জীবন চলার পথ কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ নয়। এ চলার পথে রয়েছে বাধা বিপত্তি ও যন্ত্রণা। কিন্তু সকল যন্ত্রণা কিন্তু এক নয়। পেশাগত জীবনে এমন কিছু যন্ত্রণার অভিজ্ঞতা হয়েছে যা সত্যিই নিজের বিবেককে চিন্তার মধ্যে ফেলে দেয়। কিছু করতে পারার তীব্র ইচ্ছা জাগ্রত হয়। মহাকালের কাছে এটা খুবই নগণ্য বিষয় হলেও দেখা যায় এর কারণেই জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় কত সুন্দর জীবন ও সংসার। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে এর প্রতিকার রয়েছে। কিন্তু সকলে এ শাস্ত্রের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করতে পারেনা বলে আমরা চাইলেও সমাধান করতে পারি না।

আমাদের দেশে যাদু-টোনা, বান এর কিছু অপপ্রয়োগকারী রয়েছেন। যারা আপনার জীবনকে হঠাৎ করেই করে দিতে পারে দূর্বিসহ। জীবনে এ সকল রহস্যজনক বাধাকে আমরা বলি তান্ত্রিক বাধা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিবাহিত জীবনে আপনার সাফল্য, সমৃদ্ধি, সুখ শান্তি দেখে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বা পরিচিতজনের মধ্যে কারো প্রবল হিংসা জাগ্রত হয়। এবং তিনিই এই অপপ্রয়োগকারীদের (তান্ত্রিকদের) দ্বারস্থ হয়ে আপনার উপর অপশক্তি প্রয়োগ করতে থাকেন  (সে ক্ষেত্রে রাশিগতভাবে আপনার সময় খারাপ হতে হবে)। পরিণামে আপনার জীবন হঠাৎ করেই হয়ে ওঠে ঝঞ্ঝাটপূর্ণ। আপনার দিনের সুখ, রাতের শান্তি উবে যায় কর্পূরের মতো। ব্যবসা বাণিজ্য ও কর্মময় জীবনে দেখা দেয় নানা রকম জটিলতা।

হঠাৎ করেই দাম্পত্য জীবনে দেখা দেয় ছন্দপতন। প্রেম প্রণয় ভালোবাসার বদলে জন্ম নেয় অবিশ্বাস, সন্দেহ, অসহ্যতা, পরস্পরের প্রতি ঘৃণা, বিদ্বেষ আর বিচ্ছেদের করুণ সুর। অনেক ক্ষেত্রে আবার দেখতে পাওয়া যায় পরনির্ভরতা বা পরের প্রতি আকর্ষণ। সন্তানদের কী পরিণতি হবে, সমাজ কী বলবে, পরিবারের লোকেরা কিভাবে সামলাবে তার প্রতি কোনো খেয়ালই থাকেনা। স্বামী স্ত্রীর এ দ্বন্দ্ব গড়ায় আর্থিক শোষণে। দেখা যায় গৃহের কর্তা ব্যক্তিটি জীবন সাথীকে সাংসারিক ব্যয় ভার নির্বাহের বা প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের অর্থ যোগান না দিয়ে তাকে দমন পীড়নের রাস্তাটি বেছে নেন। জীবন সাথীর কথাকে বিশ্বাস না করে বিশ্বাস করেন অপরের কথা। সকলের সামনেই জীবন সাথীকে অপমান অপদস্থ করতে থাকেন। জীবন সাথীর সামনেই অন্যের প্রতি আসক্তি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনা দেখে খুশি হয় সেই আত্মীয় বা পরিচিতজন। এ সব কিছুর মূলেই কিন্তু সর্বগ্রাসী সেই ঈর্ষা। যা থেকে আসে গোপন শত্রুতা।

আবার কারও তান্ত্রিক অপপ্রয়োগের ফলে আর্থিক ক্ষেত্রে নেমে আসে অস্থিরতা, ব্যয় বৃদ্ধি। ব্যয় সংকুলানের জন্য জাতক জাতিকা ঋণের জলে জড়িয়ে পড়েন। অথবা দেখা যায় আত্মীয়দের দ্বারা আইনগত জটিলতার শিকার হন। বছরের পর বছর চলতে থাকে এ জটিলতা। আর আর্থিক ভারসাম্য হয় ব্যহত। ব্যবসায়ীক অংশীদারের কারণে ব্যবসা বাণিজ্যে দেখা দেয় অব্যহত লোকসান, ভয়ংকর প্রতারণা  যার পরিণতি দেউলিয়া পর্যন্ত গড়ায়। ব্যাংক ঋণ শোধে ব্যর্থ হলে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হয়।

কর্মস্থলে হঠাৎ করেই কোনো সহকর্মীর প্রবল ঈর্ষার কারণে, তার তান্ত্রিক অপপ্রয়োগে কর্মক্ষেত্রে গোপন শত্রুতা, সম্মান ও মর্যাদাহানী, দুর্নাম বদনামসহ আর্থিক অনিয়মের দায়ভার কাঁধে নিতে হয়। আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা, দেনার দায় ভার কাঁধে নিয়ে অবশেষে আত্মহননের পথও বেছে নিতে হয়।

জীবনের এ ক্রান্তি লগ্নে হঠাৎ করেই, প্রিয় মানুষটি, শুভাকাঙ্খীরা দূরে সরে যেতে শুরু করে। বিশ্বাসী বন্ধুও শত্রুতা করতে পিছপা হয় না। ভ্রাতৃ বিরোধ, পিতৃ বিরোধ দেখা দেয়।

জ্যোতিষ শাস্ত্রে এ সবই ঘটে রহস্যজনক কেতুর প্রভাবে। এবং একবার এ আবর্তে ব্যক্তি পতিত হলে ধীরে ধীরে এর গভীরেই হারিয়ে যেতে থাকে, বের হয়ে আসার রাস্তা হয়ে যায় বন্ধ। বিবেক বুদ্ধি কাজ করে না। স্বাভাবিক চিন্তাশক্তিও লোপ পায়।

এ তান্ত্রিক জটিলতার কবলে পড়া জাতক-জাতিকার রাশিচক্র একজন অভিজ্ঞ জ্যোতিষী দেখলেই বুঝতে পারেন। অতি অভিজ্ঞ জ্যোতিষীরা তো চেহারা দেখেও বলতে পারেন।

প্রতিকার: আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি এ ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কান ক্রাইসোবেরিল গ্রুপের ক্যাটস আই ধারণে জাতক-জাতিকা, গোপন শত্রুর তান্ত্রিক অপপ্রয়োগের হাত থেকে নিজেকে ও সংসারকে রক্ষা করতে পারেন। আপনার যদি মনে হয় আপনিও এ সবের শিকার তাহলে দ্রুত একজন অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর স্মরনাপন্ন হলে ভালো ফল পাবেন।

আপনাদেরই জ্যোতিষী

ফকির ইয়াসির আরাফাত

প্রয়োজনে- ০১৭১৬৬০৮০৮২।

এম