ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

জর্জিয়ার ডোরাভিল সিটির মেয়র পদে লড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাসের

কামরুজ্জামান হেলাল, যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০১৯, ০২:২৯ পিএম
ছবি সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডোরাভিল সিটি কাউন্সিলের মেয়র পদে লড়ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী এম ডি নাসের। তিন বছর আগে একই সিটি কাউন্সিলের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কাউন্সিলম্যান পদে এই অঞ্চলের মূলধারায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস রচনা করেছিলেন নাসের।

আগামী মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) মেট্রো আটলান্টার ওই সিটি কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এম ডি নাসের বলেন, সবার সহযোগিতায় গত ২০১৫ সালে আমি এই ডোরাভিল শহরের কাউন্সিলম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সেবা কাজে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই মেয়াদ আমি সফলভাবে শেষ করেছি। তাই এ দেশের মূলধারার জনগণের সেবা কাজে নিজেকে আরও সক্রিয় করার প্রত্যাশা নিয়ে এবার আমি মেয়র পদে দাঁড়িয়েছি।

তিনি আরও বলেন, গতবারের মতো বাংলাদেশি ও অন্যান্য অভিবাসী গোষ্ঠীর ভোটাররা আমাকে ভোট দিলে আমার বিশ্বাস, আমি মেয়র পদেও নির্বাচিত হয়ে জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে সক্ষম হবো। এজন্য আমি এই শহরের বাংলাদেশিসহ সব ভোটারের সমর্থন কামনা করছি”।

---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : চীনে তৈরি শত শত ড্রোন উড্ডয়ন স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র
---------------------------------------------------------------------

এদিকে ডোরাভিলের মেয়র পদে গত আট বছর ধরে দায়িত্ব পালনকারী নারী মেয়র ডোনা পিটম্যান এবারও এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে নাসের ছাড়া আরও দুইজন হলেন জোসেফ গ্যারমান ও টম হার্ট। তাদের মধ্যে জোসেফ ২০১৭ সালে কাউন্সিলম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি এবার মেয়র পদে লড়ছেন। অন্যদিকে টম এক যুগেরও বেশি আগে সিটি কাউন্সিলে ছিলেন, তবে এরপর তিনবার মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েও জয়ী হতে পারেননি তিনি।

আট বছর আগের জনশুমারি অনুযায়ী, ডোরাভিল শহরের জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার। এর মধ্যে অর্ধেক হিস্পানিক, শতকরা ১৫ ভাগ এশিয়ান, ১১ ভাগ কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদবাকি শ্বেতাঙ্গ নাগরিক বাস করেন। তবে এই জনসংখ্যা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়ে এশিয়ান ও কৃষ্ণাঙ্গের হার আরও বেড়েছে বলে অনেকেই মনে করেন। আর এই হিসেবকে বিবেচনায় রেখে এম ডি নাসের অভিবাসীদের অধিকাংশ ভোট নিশ্চিত করতে পারলে জয়ের সম্ভাবনা থাকতে পারে বলে অনেকের ধারণা করছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের চট্টগ্রামে বেড়ে ওঠা নোয়াখালীর সন্তান ৩৮ বছর বয়সী নাসের ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং গত ১২ বছর ধরে তিনি আইন প্রয়োগকারী সরকারী সংস্থা ডিকাব কাউন্টির শরীফ অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যেই তিনি শুরু থেকে বসবাস করছেন। কর্মজীবনের ফাঁকে ফাঁকে মূলধারার জনসেবাসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা কর্মকাণ্ডে সর্বদাই সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন নাসের।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রে চার্চে বন্দুক হামলায় নিহত ২
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যে একটি চার্চে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। পরে নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে হামলাকারী নিহত হয়। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ফোর্ট ওর্থের হোয়াইট সেটেলমেন্টের ওয়েস্ট ফ্রিওয়ে চার্চে প্রার্থনা চলার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে গোলাগুলির দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং করে হামলাকারী। ওই হামলার পর গির্জা ও আশেপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা বলতে নারাজ পুলিশ। অন্যদিকে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট এই হামলার ঘটনাকে অশুভ চেষ্টা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, গোলাগুলির পর দুজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছর টেক্সাসেই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনাগুলো ঘটেছে। গত আগস্টে এল পাসোর শপিংমলে বন্দুকধারীর হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হন। হত্যকাণ্ডের শিকার বেশিরভাগই ছিলেন মেক্সিকান। এ
যুক্তরাষ্ট্রে চার্চে বন্দুক হামলায় নিহত ২
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে গণহারে হত্যার ঘটনা বেড়েছে রেকর্ড সংখ্যক
যেকোনো বছরের তুলনায় ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি ম্যাস কিলিং বা গণহারে হত্যার ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অ্যাসোসিয়েট প্রেস (এপি), ইউএসএ টুডে এবং নর্থ-ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি যৌথভাবে যে তথ্যভাণ্ডার জোগাড় করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে, মোট ৪১টি গণহারে হত্যার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে যাতে প্রাণ হারিয়েছে মোট ২১১ জন। খবর বিবিসি বাংলার। গণহারে হত্যা বলতে যে হামলার ঘটনায় হামলাকারী ব্যতীত চার বা তার চেয়ে বেশি পরিমাণ মানুষ মারা গেছে সেসব ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। ২০১৯ সালে যেসব ঘটনা সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী ছিল সেগুলো হচ্ছে- গত মে মাসে ভার্জিনিয়া সৈকতে হামলায় ১২ জন এবং আগস্টে এল পাসোতে হামলায় ২২ জনের মৃত্যু। ২০১৯ সালের ৪১টি ঘটনার মধ্যে ৩৩টিতে আগ্নেয়াস্ত্র জড়িত ছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। স্টেট এর ভিত্তিতে দেখলে সবচেয়ে বেশি গণহারে হত্যার ঘটনা ঘটেছে ক্যালিফোর্নিয়ায়। মোট আটটি ঘটনা ঘটেছে সেখানে। ২০০৬ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গণহারে হত্যার ঘটনা পর্যায়ক্রমে শনাক্ত করে এই তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। তবে ১৯৭০ এর দশকের কোনও গবেষণাতেও এতো বেশি গণহারে হত্যার ঘটনা সম্বলিত কোনও বছরের উল্লেখ পাওয়া যায়নি, বলছে এপির প্রতিবেদন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গণহারে হত্যার ঘটনা- মোট ৩৮টি ঘটেছিল ২০০৬ সালে। তবে ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি হত্যার ঘটনা ঘটলেও এ ধরনের হামলায় সবচেয়ে বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল ২০১৭ সালে। চলতি বছর ২১১ জন মারা গেলেও ওই বছর বিভিন্ন ঘটনায় ২২৪ জন মানুষ মারা যায়। সে বছর যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে গুলির ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছিল। লাস ভেগাসে একটি উৎসবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল ৫৯ জনকে। গবেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অনেক গণহারে হত্যার ঘটনা সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয় না। কারণ ওই সব ঘটনায় পারিবারিক দ্বন্দ্ব, মাদক ব্যবসা বা গ্যাং সহিংসতা জড়িত থাকে এবং এগুলো জনসমক্ষে ঘটে না। যুক্তরাষ্ট্রে মোট হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা কমলেও গণহারে হত্যার ঘটনা বেড়ে চলেছে, বলেন মিনেসোটার মেট্রোপলিটন স্টেট ইউনিভার্সিটির অপরাধবিজ্ঞানী অধ্যাপক জেমস ডেনসলি। এপিকে তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের শতকরা হার হিসেবে এই গণহারে হত্যার ঘটনাগুলো বেশি হারে প্রাণহানির জন্য দায়ী। অধ্যাপক ডেনসলি বলেন, মার্কিন সমাজের ‘ক্রোধ এবং হতাশার’ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে হঠাৎ করে এ ধরনের ঘটনার বৃদ্ধি। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অপরাধের প্রবণতা হচ্ছে ঢেউয়ের মতো করে একটার প্রভাবে আরেকটা ঘটতে থাকা। এই সময়টা হচ্ছে গণহারে গুলির ঘটনার সময়। মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর সময় বন্দুকের মালিকানার অধিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং গণহারে গুলির ঘটনা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সংস্কার আনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আইন-প্রণেতাদের তেমন প্রভাবিত করেনি। গত আগস্টে ডেটন, ওহাইও এবং টেক্সাসের এল পাসোতে প্রাণঘাতী হামলার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন যে, আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকদের ‘অর্থবহভাবে’ অতীত অনুসন্ধান করে দেখার বিষয়ে কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে ‘জরুরী আলোচনা’ হবে। কিন্তু আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে থাকা প্রভাবশালী লবি গ্রুপ- ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ওয়েনি লা পিয়েরের সঙ্গে লম্বা ফোনালাপের পর ওই প্রতিশ্রুতি থেকে চুপচাপ সরে এসেছিলেন ট্রাম্প। ওই ফোনালাপের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ‘বর্তমানে খুব কঠোরভাবে অতীত অনুসন্ধান করে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে,’ এবং বলেন যে, গণহারে গুলির ঘটনা এক ধরনের ‘মানসিক সমস্যা’। এ
চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে গণহারে হত্যার ঘটনা বেড়েছে রেকর্ড সংখ্যক
যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫
যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা রাজ্যে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৩ জন। দুর্ঘটনায় বিমানটির এক আরোহীকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে।  শনিবার রাজ্যের লাফায়েত নামক এলাকায় ওয়ালমার্ট সুপারমার্কেটের কাছেই ছোট আকারের ওই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এরপর বিমানটি একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। বিমানটি বিধ্বস্তের সময় পাশেই থাকা পোস্ট অফিসের জানালা উড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপর ওয়ালমার্ট সুপারমার্কেট খালি করে ফেলা হয়।  নিহতদের একজন স্পোর্টস রিপোর্টার কার্লি অ্যান ম্যাককর্ড। বার্তা সংস্থা এপি’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী।  দুর্ঘটনায় হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে টুইট করেছেন লুইজিয়ানার গভর্নর জন এডওয়ার্ডস। এমএ/এসএস
যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫
মঙ্গলগ্রহের মতো শীতল যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা
যুক্তরাষ্ট্রের আলস্কার বিটলসে গত প্রায় ১০ দিন ধরে তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়ামের ওপরে ওঠেনি। গত রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল মাইনাস ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর আজ সকালে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শীতকালে মঙ্গলগ্রহে গড়ে এই তাপমাত্রা থাকে। শুধু বিটলসই নয়। আলাস্কার আরও অন্যান্য অংশে কোথাও কোথাও তাপমাত্রা মাইনাস ৩৫ থেকে মাইনাস ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায়ও তাপমাত্রা খুব একটা ওঠে না। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠছে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে আগামী দুই-একদিনের মধ্যে তাপমাত্রা কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে। তবে আলাস্কায় এমন ঠাণ্ডা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। কেননা বিটলসে বছরে গড়ে ১১ রাত তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায়। যদিও ১৯৫০ সালে বিটলসে এক বছরে গড়ে ২০ রাত তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ছিল। এ/পি
মঙ্গলগ্রহের মতো শীতল যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা
মেলানিয়ার জন্য বড়দিনের উপহার কিনতে ভুলে গেছেন ট্রাম্প
বড়দিনের কয়েক ঘণ্টা আগেও উপহার কেনা হয়নি ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের জন্য! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমনটাই জানিয়েছেন। মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে ভিডিও টেলিকনফারেন্সে কথা বলতে গিয়ে এই নিয়ে প্রশ্ন শুনে ট্রাম্প বলেছেন, মেলানিয়ার জন্য এখনও কিছু কেনা হয়নি। ফ্লোরিডার পাম বিচের রিসোর্ট থেকে ট্রাম্প বলেন, একটা সুন্দর কার্ড কেনা রয়েছে বটে। তবে তার বেশি কিছু নয়। ট্রাম্পের কথায়, আমি এখনও ওটা নিয়েই ভাবছি। হাতে সময় খুব একটা নেই। চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বড়দিনের উপহার’ দিতে পারে বলে জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া। তা নিয়ে প্রশাসনে আলোচনা চললেও সব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের সামনে ঠাট্টার সুরে বলেছেন, দেখা যাক, কী হয়। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ভুলে যান। হয়তো বা তিনি (কিম জং উন) একটা সুন্দর ফুলদানি পাঠাবেন আমায়। কিছুই বলা যায় না! তবে ফার্স্ট লেডিকে উপহার দেয়া নিয়ে এর আগেও রসিকতা করতে দেখা গেছে ট্রাম্পকে। ২০১৮ সালের এপ্রিলে তিনি একটি সাক্ষাৎকারে স্ত্রীর জন্মদিনে উপহার দেয়ার প্রসঙ্গে বলেছিলেন, এই সব কিছুর মধ্যে ঢোকা উচিত নয়। কারণ আমি ঝামেলায় পড়তে চাই না। এত সব বুঝিও না। সে বারও তিনি খুব ব্যস্ত থাকায় কার্ড আর ফুল দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। এ
মেলানিয়ার জন্য বড়দিনের উপহার কিনতে ভুলে গেছেন ট্রাম্প
আরও পড়ুন
দক্ষিণ আফ্রিকায় চার বছরে ৪৫২ বাংলাদেশি নিহত
ঠাকুরগাঁওয়ে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত
মহারাষ্ট্রে ৯ নারীসহ ১২ ‘বাংলাদেশি’ গ্রেপ্তার
ভারতে ভিসা শেষে অবস্থান করলে বাংলাদেশি মুসলিমদের ২১০০০, হিন্দুদের ‍১০০ রুপি জরিমানা