ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

করোনার টিকা ন্যায্য ও সাশ্রয়ী প্রাপ্তি নিশ্চিতের আহ্বান বাংলাদেশের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২০, ০৬:২৯ পিএম
সংগৃহীত

কোভিড-19 ভ্যাকসিন যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সেখানে এর সাশ্রয়ী ও ন্যায্য বন্টন নিশ্চিতের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। এক্ষেত্রে একটি ন্যায্যতাভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়নেরও আহ্বান জানান তিনি।

বিভিন্ন দেশে করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে যারা কাজ করছেন তাদের অগ্রগতিসমূহকে খুবই উৎসাহব্যঞ্জক আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, কোভিড-19 ভ্যাকসিনকে ‘গ্লোবাল পাবলিক গুড’ হিসেবে পরিণত করতে নিঃসন্দেহে সুদৃঢ় বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা প্রয়োজন। ২২ জুলাই ‘কোভিড-19 ভ্যাকসিনের গবেষণা, উন্নয়ন, সরবরাহ এবং এর সমতাভিত্তিক বন্টন কাঠামো’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে এসকল কথা বলেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।

ইভেন্টটি যৌথভাবে আয়োজন করেন যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ ও জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তারিক আহমেদ এবং ইউনাইটেড ন্যাশন্স ফাউন্ডেশন এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও রাষ্ট্রদূত এলিজাবেথ কাউসেনস। অনুষ্ঠানটিতে কোভিড-19 এর সম্ভাব্য ভ্যাকসিনসমূহের সার্বজনীন প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়ে ব্রিফ করেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার টিকা, ভ্যাকসিন ও বায়োলজিক্যালস এর পরিচালক কেট ও ব্রায়েন এবং গ্যাভী এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যারি-অ্যাঞ্জে সারাকা-ইয়াও।

রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, কোভিড-19 মহামারি আমাদেরকে আবারও জোরালোভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে এই বিশ্বের সকলে এক অপরের সঙ্গে সংযুক্ত। অতএব, বৈশ্বিক এই স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একতাবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি সতর্কতা ব্যক্ত করে বলেন, আমরা যদি পুনঃসংক্রমণ রোধ করতে চাই, তাহলে প্রস্তুতি, প্রতিরোধ ও পুনরুদ্ধার বিষয়ে আমাদেরকে একসাথে এবং কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এবং দ্রুত অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ভ্যাকসিনের অপরিসীম গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন তিনি।

প্রফেসর সারাহ গিলবার্টের নেতৃত্বে কোভিড-19 এর ভ্যাকসিন আবিষ্কারে অক্সফোর্ড জেনার ইনস্টিটিউট টিমের মহতী কাজের ভূয়সী প্রসংশা করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। কোভিড-19 এর একটি কার্যকর ও নিরাপদ ভ্যাকসিন তৈরির পদক্ষেপ হিসেবে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনটির তৃতীয় ট্রায়াল সফলকাম হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

গত মাসে যুক্তরাজ্য আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল ভ্যাকসিন সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির উদাহরণ টেনে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্যাভী, এবং অন্যান্য বেসরকারি অংশীদার গৃহীত ‘এসিটি অ্যাক্সিলেটর অ্যান্ড কোভাক্স ফ্যাসিলিটি’ পদক্ষেপটিতে বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এসময় বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ওষুধ শিল্পের কথা তুলে ধরেন স্থায়ী প্রতিনিধি।

তিনি বলেন, এসব ওষধ কোম্পানি আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে ১৪৫টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুরসহ ওইসিডিভুক্ত দেশসমূহ। বাংলাদেশের বর্তমান চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ ভ্যাকসিন উৎপাদনে এসব ওষুধ কোম্পানির সক্ষমতা ও সামর্থ্যরে কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, যদি মেধাসত্ত্বের অধিকার অবলোপন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি হস্তান্তর করা হয় তবে বাংলাদেশি ঔষধ কোম্পানিগুলো বৈশ্বিক সরবরাহের জন্য কোভিড-19 ভ্যাকসিন উৎপাদন করতে সক্ষম।

বৈশ্বিকভাবে ঝুঁকি ভাগ করে নেয়ার পদক্ষেপ ‘দ্য এটিসি অ্যাক্সিলারেটর ফর থিরাপিউটিক্স এন্ড কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটি’সহ কোভিড-19 এর প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও আর্থিক বিনিয়োগ কীভাবে সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নেয়া যায় সে বিষয়ে দৃষ্টিপাত করেন আলোচকগণ।

তারা জোর দিয়ে বলেন, এসডিজি অর্জন এবং বিশ্বকে কোভিডপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে এটিই প্রথম পদক্ষেপ যা অপরিহার্য। উচ্চ এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য বিশ্ববাজারে সমতাভিত্তিক প্রবেশাধিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্যাভী কাজ শুরু করেছে মর্মে জানান তারা।

সভায় বলা হয় ২০২১ সালের শেষ অবধি বিশ্বব্যাপী প্রায় দুই বিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজের প্রয়োজন হবে। ব্রিটিশ সরকার বিশ্বব্যাপী কোভিড-19 ভ্যাকসিনের সমতাভিত্তিক বন্টন বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের জন্য বন্টন নিশ্চিত করবে মর্মে প্রতিশ্রুতির কথা জানান যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ্ ও জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী তারিক আহমেদ।

তিনি আরও বলেন, তার সরকার ইতোমধ্যে কোভিড-19 সংক্রান্ত বিষয়ে ৭৬০ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ করেছে। জাতিসংঘ সদস্য দেশসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি, অন্যান্য কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবর্গ এবং বেসরকারি ও সিভিল সোসাইটি সংস্থার বিপুল সংখ্যক প্রতিনিধিবর্গ সভাটিতে অংশগ্রহণ করেন।

এ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
নতুন বছরের শুরু থেকে টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় হাইকমিশন। হাইকমিশনের দূতাবাস প্রধান রুহুল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশটির সরকারি বিধি-নিষেধ অনুযায়ী কুয়ালালামপুরের আম্পাং শাখার পাসপোর্ট অফিসের কার্যালয় শুক্রবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী রোববার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত সাময়িকভাবে সবধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দূতাবাসের কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ার পর পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রম আরও বেগবান করার মাধ্যমে প্রত্যাশীদের সেবা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, যারা অ্যাপয়ন্টমেন্ট নিয়ে রেখেছেন তাদের নতুন করে অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন নেই বলেও জানানো হয়। এক্ষেত্রে ১০ জানুয়ারির পর কাছাকাছি সময়ে নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন পুনরায় নির্ধারণ করে যথাসময়ে অবহিত করা হবে। পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ২ ও ৩ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ার জহুর বারু প্রদেশে পাসপোর্ট ডেলিভারি সেবার কার্যক্রম অব্যহত থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়। এফএ
টানা ১০ দিন বন্ধ মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট সেবা
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভারতের আসাম প্রদেশে ৭০০ মাদরাসাকে স্কুলে রূপান্তর করবে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। বিজেপি সরকার বলছে, মসজিদের ঈমামের চেয়ে ভারতে ডাক্তার, পুলিশ, আমলা ও শিক্ষক বেশি প্রয়োজন। তাই মাদরাসার সিলেবাসকে নিম্নমানের শিক্ষা আখ্যায়িত করে স্কুলে রূপান্তরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি।  এই সংক্রান্ত একটি বিল বৃহস্পতিবার আসামের আইনসভায় পাস হয়েছে। আসামের শিক্ষামন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বাস শর্মা প্রাদেশিক আইনসভাকে জানিয়েছেন, নতুন বছরের এপ্রিলের মধ্যে ৭০০ এর অধিক মাদরাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে সেখানে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর গার্ডিয়ান। হেমন্ত বিশ্বাসের দাবি মাদ্রাসায় পার্থিব বা বৈষয়িক কোনো বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা মাদ্রাসা বন্ধ করে স্কুল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বিষয়টিকে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ট দেশে মোদি সরকারের মুসলিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন। ওয়াজেদ আলী চৌধুরী নামে কংগ্রেসের একজন আইনপ্রণেতা বলেন, ‘এটা মুসলিমদের শেকড় উপড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত।’ এফএ
ভারতে ৭০০ মাদরাসা স্কুলে রূপান্তর করবে বিজেপি
ভয়ংকর যুদ্ধবিমান বানালো পাকিস্তান
পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে বেশ কয়েক মাস ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে নিজেদের তৈরি করা ভয়ংকর অত্যাধুনিক চতুর্থ প্রজন্মের  যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ থানডার ব্লক-৩ প্রদর্শন করলো পাকিস্তান। গেলো বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশটির বিমানবাহিনীর দূরবর্তী উচ্চ রাডার প্রযুক্তি ও ফায়ারিং ক্ষমতা সম্পন্ন ১৪টি যুদ্ধবিমান পাকিস্তান অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্স হস্তান্তর করা হয়। পাকিস্তানের প্রভাবশালী মিডিয়া ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মুজাহিদ আনোয়ার খান জানান, জাতীয় বহরে দেশের ইতিহাসে এটি গুরুত্বর্পূণ মাইলফলক। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে ভারতীয় বিমান বাহিনী যখন আঞ্চলিক ভূখণ্ড লঙ্ঘন করে, সেসময় জেএফ-১৭ থানডার যুদ্ধবিমান যুদ্ধক্ষেত্রে তার সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।   একই সঙ্গে পাকিস্তান বিমানবাহিনী প্রধান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উৎপাদন ও চীনা বিমান শিল্পের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেন। এম
ভয়ংকর যুদ্ধবিমান বানালো পাকিস্তান
অন্তর্বাসের রঙে বর্ষবরণ করে যে দেশ
মহামারি করোনা ভাইরাসকে সাথে করেই পেছনে ফেলতে হচ্ছে আরও একটি বছর। শুরু হবে নতুন বছর। ইংরেজি নতুন বছরকে বরণ করার জন্য বিভিন্ন রকম রীতি রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। অবাক করার বিষয় হল, বিশ্বে এমন কিছু দেশ রয়েছে যাদের বর্ষবরণ উদযাপনের রীতি একদমই ব্যতিক্রম। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ উদযাপনের রীতিনীতি তুলে ধরা হল নিচে- ১. কলম্বিয়ায় খালি স্যুটকেস নিয়ে বেরিয়ে পড়া: দেশটির মানুষ ঘুরতে অনেক ভালোবাসেন। তাদের কাছে ভ্রমণ এতটাই পছন্দ যে, নতুন বছর উদযাপনেও তাদের প্রত্যাশা থাকে ঘুরতে যাওয়া। থার্টি ফাস্ট নাইটে রাত ১২টা বাজলে কলম্বিয়ার মানুষ একটি খালি স্যুটকেস হাতে নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। বাড়ির চারপাশে হাঁটাহাঁটি করেন তারা। নতুন বছরের কোনো এক সময় এই খালি স্যুটকেস পূর্ণ হবে- এ আশাতেই পালন করেন এই রীতি। ২. জাপানে প্রাকৃতিক সাজসজ্জা : জাপানে নতুন বর্ষবরণ করাকে বলা হয় ‘ওশোগাতসু’। দেশটিতে এই উৎসবটি পরিবারের সাথে উদযাপন করা হয়। সেখানে পরিবারের সবাই একসাথে ঘরকে পরিষ্কার এবং সজ্জিত করে। এরপর তারা নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার জন্য  প্রাকৃতিক সাজসজ্জা যেমন পাইন শাখা, বরই ফুল এবং বাঁশগুলি প্রস্তুত করতে থাকে। ৩. ইকুয়েডরে বিখ্যাতদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো : ইকুয়েডরের মানুষরা বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর রাতে রাস্তায় বের হয়ে ‘কুশপুত্তলিকা’ পুড়িয়ে থাকে। দেশের রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় এবং অভিনয়শিল্পীসহ বিখ্যাত সকল ব্যক্তিদের কুশপুত্তলিকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে উল্লাস করা হয়। আগামী বছর এ উদযাপন ভাগ্য ফেরাবে বলে বিশ্বাস তাদের। ৪. চীনে প্রবেশ দরজা লাল রঙ করা : দেশটিতে নতুন বছরে সুখ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে প্রবেশ দরজা লাল রঙ করা হয়ে থাকে। দেশটিতে লাল রঙকে সুখ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে ধরা হয়। আর এভাবেই দেশটিতে বরণ করা হয় নতুন বছর। ৫. জার্মানিতে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হয় সিসার টুকরায় : জার্মানিতে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য বছরের শেষ মুহূর্তে সবাই ভাগ্য পরীক্ষার খেলায় মেতে উঠেন। ভাগ্য পরীক্ষার এই প্রক্রিয়াটিও ব্যতিক্রম। শুরুতে সিসার টুকরা গরম করে গলিয়ে তাতে পানি ঢেলে ঠাণ্ডা করা হয়। পরে সিসার আকৃতি অনুযায়ী ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে বিশ্বাস জার্মানদের। সিসা হৃদয়ের মত হলে ভালোবাসা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর মুকুটের মত হলে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক হবেন- এমনটাই বিশ্বাস করেন তারা। ৬. সুইজারল্যান্ডে মেঝেতে ক্রিম ফেলে রাখা : দেশটির মানুষজনের নতুন বছর উদযাপন এক অদ্ভুত সাংস্কৃতির। তারা নতুন বছর উপলক্ষে না খেয়ে মেঝেতে ক্রিম ফেলে রেখে দেয় এবং তাদের বিশ্বাস নতুন বছরে ঐশ্বর্য আসবে। ৭. লাতিন আমেরিকায় অন্তর্বাসের রঙের ওপর ভাগ্য নির্ধারণ : লাতিন আমেরিকার দেশ অর্থাৎ মেক্সিকো, ব্রাজিল, বলিভিয়া ইত্যাদি দেশগুলোয় বছরের শেষ মুহূর্তে নতুন অন্তর্বাস কেনার জন্য সবাই মার্কেটে ভিড় জমায়। তাদের বিশ্বাস, বর্ষ বরণে নতুন অন্তর্বাস পড়নে থাকলে নতুন বছরে ভালো কিছু আসবে। তবে এই অন্তর্বাসের জন্য নির্দিষ্ট দুটি রঙও রয়েছে- লাল ও হলুদ রঙ। লাল পড়লে ভালোবাসা পাবে এবং হলুদ বয়ে আনবে সফলতা। ৮. ফিলিপাইনে অদ্ভুত খাবার খাওয়া : ফিলিপাইনে নতুন বর্ষবরণে সকল বয়সী মানুষ গোলাকার খাবার খায়। এছাড়াও তারা এদিন পকেটে মুদ্রা রাখে এবং প্রচুর পোশাক পড়েন। গোলাকার আকৃতি মূলত নতুন বছরে আর্থিক উৎসাহ বৃদ্ধি করবে বলে বিশ্বাস তাদের। ৯. ইতালিতে ঘরের আসবাব ছুড়ে ফেলা: ইতালিতে নববর্ষে দেশটির নেপলস শহরবাসীরা উদ্ভটভাবে নতুন বর্ষকে বরণ করেন। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য যে, তারা বছরের শেষ দিন ঘরের আসবাব, রান্নাঘরের থালা-বাসনসহ বিভিন্ন তৈজসপত্র বাইরে ছুড়ে ফেলেন। পুরাতন সব কিছু ফেলে দিয়ে নতুন কিছু বরণ করে নেওয়ার প্রতীকী অর্থে এসব করেন ওই শহরের বাসিন্দারা। ১০. স্পেনে আঙুর খেয়ে বর্ষবরণ: স্পেনের নাগরিকদের বর্ষবরণ বলা যেতে পারে অনেক স্বাস্থ্যসম্মত। ৩১ ডিসেম্বর রাতে ১২টি করে আঙুর খেয়ে থাকেন স্প্যানিশরা। নতুন বছরে উন্নতি হবে এমন আশায় নির্দিষ্ট-সংখ্যক আঙুর খাওয়ার রীতি পালন করে থাকেন তারা। ১৯০৯ সাল থেকে দেশটির আলিকান্তে শহরের ওয়াইন প্রস্তুতকারীরা ব্যতিক্রমী এই রীতি চালু করেন। যা এখনো প্রচলিত রয়েছে দেশটিতে। এসআর/এমকে
অন্তর্বাসের রঙে বর্ষবরণ করে যে দেশ
এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন পানি ব্যবসায়ী
এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় রয়েছেন করোনা ভ্যাকসিনের টিকা প্রস্তুতকারী ফার্ম ও বোতলজাত পানি ব্যবসায়ী ঝং শানশান। ই–কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মাকে পেছনে ফেলেছে। ২০২০ সালেই ঝংয়ের সম্পদ বেড়েছে ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। ঝং শানশানের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন ৭ হাজার ৭৮০ কোটি মার্কিন ডলার। সূত্র বিবিসি ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় ঝং শানশান। যিনি বিশ্বের ১১তম শীর্ষ ধনী। ঝং পরিচিত বেশি লোন উলফ নামে। ঝংয়ের কর্মজীবন বেশ বৈচিত্র্যময়। সাংবাদিকতা, মাশরুমের চাষ এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে কাজ করেছেন তিনি। এপ্রিলে ভ্যাকসিন কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনার তিন মাস পর হংকংয়ের শেয়ারবাজারে আনেন তার বোতলজাত পানির প্রতিষ্ঠান নোংফু স্প্রিংকে। ১৯৯৬ সালে ঝেজিয়াং প্রদেশে এটি প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। বাজারে আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫৫ শতাংশ বেড়েছে নোংফুর শেয়ার। বেইজিং ওয়ানটাই বায়োলজিক্যালের শেয়ার বেড়েছে দুই হাজার শতাংশের বেশি। করোনার ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হলো এটি। ৬৬ বছর বয়সী ঝং শানশান সেপ্টেম্বরে জ্যাক মাকে সরিয়ে চীনের শীর্ষ ধনীর অবস্থান নেন। এবার মুকেশ আম্বানিকে সরিয়ে এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন। এফএ
এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন পানি ব্যবসায়ী
আরও পড়ুন
দেশে করোনায় আরও ২৮ জনের মৃত্যু
মানিকগঞ্জে পথচারীদের ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ
সিনোফার্মের করোনা টিকা অনুমোদন দিলো চীন
করোনা শনাক্তের এক বছরের দিনে মৃত্যুর রেকর্ড