logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু ১৫ জন, আক্রান্ত ২০২৯ জন সুস্থ ৫০০ জন, নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৩১০টি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

চারদিনেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ মানুষ: ডব্লিউএইচও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ২৪ মার্চ ২০২০, ১৪:৪৫
one lakh infected in coronavirus in only four days say WHO
সংগৃহীত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও হুঁশিয়ার করেছে যে, করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট মহামারি আরও ‌'বেগবান' হচ্ছে। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে অন্তত তিন লাখ ৮১ হাজারের বেশি মানুষ।

কভিড-19 এ আক্রান্ত হওয়া প্রথম ব্যক্তি থেকে শুরু করে এই সংখ্যা এক লাখে পৌঁছাতে সময় লেগেছিল ৬৭ দিন। পরের ১১ দিনে আরও এক লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়, আর পরের এক লাখে পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র চার দিন।

কিন্তু ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক টেড্রোস আডনম গ্রেব্রেইয়েসাস বলেন, এখনও এর গতিপথ পাল্টে দেয়া সম্ভব।

তিনি দেশগুলোকে কভিড-19 শনাক্তের পরীক্ষা এবং আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কৌশলের ক্ষেত্রে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক বলেন, আমরা কী পদক্ষেপ নেই সেটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়ে একটা ফুটবল ম্যাচ জেতা যায় না। প্রতিরক্ষার সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণও করতে হবে।

ফুটবল খেলোয়াড়দের নিয়ে ‌'কিক আউট করোনাভাইরাস' বা 'করোনাভাইরাসকে দূর কর'- এমন একটি কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফিফার প্রেসিডেন্ট গিয়ান্নি ইনফানতিনোর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ড. টেড্রোস বলেন, মানুষকে ঘরের ভেতরে থাকতে বলা এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো পদক্ষেপ ভাইরাসের সংক্রমণের গতি কমিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এগুলোকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা জিততে সাহায্য করবে না।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দেশগুলোকে 'আগ্রাসী ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ' নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, জয় পেতে হলে আমাদের আগ্রাসী আর সুনির্দিষ্ট কৌশল গ্রহণ করতে হবে-প্রতিটি সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরীক্ষা করতে হবে, শনাক্ত হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইসোলেশন ও যত্নে রাখতে হবে, আর তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করে কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে।

বিশ্বজুড়ে ব্যাপক হারে চিকিৎসা কর্মীদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ড. টেড্রোস। ধারণা করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামাদি বা পিপিই পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকার কারণেই সংক্রমণের শিকার হয়েছেন তারা।

ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীরা তখনই তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারবেন যখন তারা নিজেরা নিরাপদে থাকতে পারবেন।

তিনি বলেন, আমরা যদি অন্য সবকিছুই ঠিকঠাক করি কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত না করি, তাহলে অনেক মানুষ মারা যাবে কারণ যে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের সেবা দিতো তারাই অসুস্থ।

RTVPLUS

সংশ্লিষ্ট সংবাদ : করোনাভাইরাস

আরও
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪০৩২১ ৮৪২৫ ৫৫৯
বিশ্ব ৫৭৮৮৯২৮ ২৪৯৭৯৫৩ ৩৫৭৪২৬
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়