logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৪ আশ্বিন ১৪২৭

কোয়ালা, সাপ, ইঁদুরসহ বিভিন্ন বণ্যপ্রাণী বিক্রি হতো উহানের সেই মার্কেটে

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

|  ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:০১ | আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০২০, ১৫:৪৫
Various wildlife including koalas, snakes, rats, were sold in huanan market
ছবি সংগৃহীত
চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের যে সিফুড মার্কেট থেকে সার্সের মতো প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে সেখানে জীবিত কোয়ালা, সাপ, ইঁদুর ও নেকড়ের বাচ্চা বিক্রি করা হতো। উহানের হুয়ানান সিফুড মার্কেট থেকে ওই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে থাকতে পারে চীনা কর্মকর্তাদের এমন আশঙ্কার পর সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এরপর এই মার্কেটের জায়গাকে ‘গ্রাউন্ড জিরো’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত চীনে ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বিশ্বের অন্তত ১৬টি দেশে সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ওই মার্কেটে যেসব বন্যপ্রাণী বিক্রি হতো তার যে তালিকা রয়েছে, তাতে সেখানে- জীবন্ত শেয়াল, কুমির, নেকড়ের বাচ্চা, বড় সালামান্ডার, সাপ, ইঁদুর, ময়ূর, সজারু, কোয়ালা এবং শিকার করা প্রাণীর মাংস।

ওই মূল্য তালিকায় দেখা যায়, কোয়ালার মাংসের দাম ৭০ রেনমিনবি। ওই মার্কেটে বন্যপ্রাণী বিক্রি করা দেখে অনেক চীনা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীও বিস্ময় প্রকাশ করেছে। চীনা ভাষায় ওয়েবসাইট উইবু’তে একজন লিখেছেন, ভাইরাল হওয়া বন্যপ্রাণীর তালিকাটা দেখুন একবার-তারা কোয়ালাও খায়। এমন কিছু নেই যা চীনারা খায় না।

ওই তালিকায় ১১২ জীবন্ত প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য রয়েছে। শিকার করা প্রাণী বিক্রি করা হয় একটি দোকানের মূল্য তালিকায় লেখা রয়েছে- 'তাজা জবাই, ফ্রোজেন মাংস আপনার দরজা পৌঁছে দেয়া হয়।’

চীনের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক গাও ফু বলেন, ওই সিফুড মার্কেটের কোনও বন্যপ্রাণী থেকে’ এই ভাইরাসটি ছড়িয়ে থাকতে পারে। চীনে নির্দিষ্ট কিছু বন্যপ্রাণী পাচার নিষিদ্ধ বা সেগুলো পরিবহনে বিশেষ লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কোনও বন্যপ্রাণী বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হলে সেক্ষেত্রে নিয়মে কিছুটা শৈথিল্য রয়েছে।

বেইজিং নিউজ জানিয়েছে, ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার পরও সেখানে বন্যপ্রাণী বিক্রি হয়েছে। তবে ওই এলাকা নির্বীজ করার জন্য বন্ধ করা হলে তখনই সেখানে বিক্রি বন্ধ হয়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম দিককার ব্যক্তিরা ওই মার্কেটের কর্মী ছিলেন।

এখনও নিশ্চিতভাবে জানা না গেলেও ধারণা হচ্ছে বাদুড় থেকেই এই ভাইরাস ছড়িয়েছে। ২০০২-০৩ সালে এশিয়ায় বিশেষ করে চীনে যে সার্স ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটিও বাদুড় থেকে ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

এ/ এমকে

RTVPLUS

সংশ্লিষ্ট সংবাদ : করোনাভাইরাস

আরও
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৩৪৪২৬৪ ২৫০৪১২ ৪৮৫৯
বিশ্ব ৩,০১,২৬,০২০ ২,১৮,৭৪,৯৫৭ ৯,৪৬,৭১২
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়