logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

নিজেকে নিরপরাধ দাবি করে ২ ঘণ্টায় ১২৩ টুইট ট্রাম্পের

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

|  ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:৫২ | আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৯:১৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ছবি সংগৃহীত
এতদিন তবু কিছুটা রাখঢাক রেখে বলছিলেন। কিন্তু হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের বিচার বিভাগীয় কমিটি তার ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের দুটি ধারায় সবুজ সংকেত দিতেই মেজাজ হারালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিরোধী ডেমোক্র্যাট আর সংবাদমাধ্যমের একাংশের ‘ষড়যন্ত্র’ নিয়ে মুখ খুলতে গিয়ে নয়া রেকর্ডও গড়ে ফেললেন টুইটারে। ২ ঘণ্টায় টুইট করলেন মোট ১২৩টি! যেগুলোর মূল বক্তব্য একটিই, কোনও ভুল না করা সত্ত্বেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশে ডেমোক্র্যাটরা যেভাবে আমাকে ইমপিচ করতে উঠে পড়ে লেগেছে, সেটা অন্যায়। ভয়ংকর এই দলটা আসলে দেশেরই ভাল চায় না।

ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, ২০২০ সালের নির্বাচনে সুবিধা পেতেই তাদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করাতে ইউক্রেনকে চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এখান থেকেই ইমপিচ পর্বের সূত্রপাত। বৃহস্পতিবার টানা ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন বিতর্ক হঠাৎ মাঝপথে থামিয়ে দেন কমিটির চেয়ারম্যান জেরি ন্যাডলার। পিছিয়ে দেন ভোটও। ভোট হয় শুক্রবার।

ওই ভোটে যে ‘সুখবর’ আসছে না, তা আগেভাগেই আন্দাজ করে নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। সেই মতো দিনের শুরু থেকেই তিনি বলতে শুরু করেন, কোনও অন্যায় করিনি। বরং প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেশকে সবচেয়ে পোক্ত অর্থনীতি দিয়েছি, ঢেলে সাজিয়েছি সেনাকে, চাকরি-চাকরি আর শুধু চাকরির বন্দোবস্ত করেছি সবার জন্য। তারপরও ইমপিচমেন্টের নামে এই ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র!

কাদের ষড়যন্ত্র? ভোটাভুটির ফলাফল ঘোষণা হতেই শুরু হলো ট্রাম্পের টুইট-বান। নাম উল্লেখ করে বিঁধলেন সংবাদমাধ্যমকেও। একইসঙ্গে হুমকি দিয়ে বললেন, খুব ভালো কথা। আগামী দিনে আসুক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট। হাউজের দখল তখন থাকবে রিপাবলিকানদের হাতে। তখন বুঝবেন, কত ধানে কত চাল! শুধু রাজনৈতিক ফায়দা নিতে ইমপিচ করতে চাইলে, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হবেই।

ইমপিচমেন্টই কি তাহলে ভবিতব্য ট্রাম্পের? বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, অংকটা ততটাও সরল নয়। কারণ বিচার বিভাগীয় কমিটির এই সিদ্ধান্ত প্রথমে হাউজের ফ্লোর টেস্টে যাবে। ডেমোক্র্যাটরা যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ। ট্রাম্প সেখানে ফের ধাক্কা খেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এরপর ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব যাবে সিনেটে। শেষ কথা বলবে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ এই সিনেটই। আর তাই আগেভাগে রক্ষণ সামলাতে মাঠে নেমেছে হোয়াইট হাউজও। তাদের অন্তত দুজন আইন বিষয়ক কর্মকর্তা গত বৃহস্পতিবার থেকেই সিনেটে যাওয়া-আসা করছেন বলে সূত্রের খবর। সিনেটের সংখ্যালঘু নেতা চাক শুমাখার অবশ্য বলেছেন, ইমপিচমেন্টের প্রস্তাব সিনেটে এলে তা নিয়ে নিরপেক্ষ রায় দিতে আমরা প্রত্যেক সিনেটরই বদ্ধপরিকর। পুরো দেশ সিনেটেরই মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৪৪৭৩৪১ ৩৬২৪২৮ ৬৩৮৮
বিশ্ব ৫৮৬১২৯৯৫ ৪০৫৭৫৯৪৭ ১৩৮৮৭১০
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়