
আজ ইতিহাসের কলংময় একটি দিন ‘নাইন ইলেভেন’। প্রায় দুই দশক আগে আজকের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারসহ চারটি স্থাপনায় আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন প্রায় তিন হাজার মানুষ। এই ঘটনায় এখনও কেঁপে ওঠে পুরো বিশ্ব।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। সকাল পৌনে ৯টা। যুক্তরাষ্ট্রের চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে ১৯ মুসলিম চরমপন্থী। আত্মঘাতী হামলা চালায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের টুইন টাওয়ারে। হামলা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনেও।
যুক্তরাষ্ট্রের বুকে দানবীয় এই থাবা বদলে দেয় পৃথিবীর মানবিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থা। এ ঘটনায় মারা যায় প্রায় তিন হাজার মানুষ। আহত হন আরো ছয় হাজার।
মর্মান্তিক ওই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেন। যার রেশ চলছে এখনও। নাটের গুরু ওসামা বিন লাদেনকে পাকিস্তানে হত্যা করা হলেও চলছে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নামে হত্যাযজ্ঞ!
---------------------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : জন বোল্টনকে বরখাস্ত করলেন ট্রাম্প
---------------------------------------------------------------------
নাইন ইলেভেনের পর বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ আরও উসকে যায়। সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেনসহ পুরো আরব বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে অস্থিরতা।
এদিকে নতুন করে তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় সন্ত্রাসবাদ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবার নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলায় মুসলিম হত্যার ঘটনায় ডানপন্থীদের যে উত্থান তা ভাবিয়ে তুলেছে সবাইকে।
আর ইউরোপজুড়ে যে অভিবাসন সংকট চলছে, সেটিও মূলত নাইন ইলেভেন পরবর্তী বিভিন্ন পদক্ষেপের রেশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্বশান্তির কল্যাণে সবাইকে এক হয়ে কাজ করার সময় এসেছে।
এ




