• ঢাকা শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯, ৭ আষাঢ় ১৪২৬

ভারতে তাপমাত্রার হাফসেঞ্চুরি, পুড়ছে রাজস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ০২ জুন ২০১৯, ১৩:৪৯
গরমের তীব্রতায় পানি ঢেলে শীতল হওয়ার চেষ্টা করছে এক শিশু (ছবি: এএফপি)
তাপমাত্রার পারদ বাড়ছে চড়চড়িয়ে, সেই সঙ্গে তাপপ্রবাহ। যার ছ্যাঁকায় নাস্তানাবুদ উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য ভারত। এর মধ্যে রাজস্থানের চুরুতে শনিবার তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৫০.৮ ডিগ্রিতে। আবহবিদরা বলছেন, এটিই দেশের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন।

whirpool
গলদঘর্ম হওয়া দক্ষিণবঙ্গ স্বস্তির আশ্বাস পেলেও পুরো উত্তর ভারতকে এখনও তেমন কোনও আশ্বাস দিতে পারেনি আবহাওয়া দপ্তর। উল্টো আরও দুই-একদিন উত্তর ভারতে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের উপর এই তাপপ্রবাহ চলবে আগামী কয়েকদিন এবং পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চন্ডীগড়, দিল্লি এবং দক্ষিণ উত্তরপ্রদেশে আগামী দুই-একদিন ধরে চলবে তাপপ্রবাহ।

এদিকে ভারতে এখন সবচেয়ে উষ্ণ অঞ্চল হচ্ছে রাজস্থানের চুরু। রোববার সেখানে তাপমাত্রা ৫০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস স্পর্শ করেছে; যা স্বাভাবিকের থেকে ৯ ডিগ্রি বেশি। এছাড়া বিকানির ও গঙ্গানগর, জয়সলমির, কোটা ও বারমের তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির ওপরে। জ্বলছে মহারাষ্ট্রের চন্দ্রাপুর এবং নাগপুরও। সেখানে তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে।

হরিয়ানা ও পাঞ্জাবের অবস্থাও বেগতিক। এই দুই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তাপমাত্রা ৪৫ থেকে ৪৬ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। হরিয়ানার নারনাউল এলাকায় তাপমাত্রা ৪৬.২ ডিগ্রি। প্রায় একই পরিস্থিতি ভিওয়ানি, হিসার, কারনাল ও অম্বালার। বুধবার চন্ডীগড়ে এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২.৪ ডিগ্রি।

পুড়ছে দক্ষিণ ভারতও। তেলেঙ্গানা পাল্লা দিচ্ছে পশ্চিম ভারতের সঙ্গে। রাজ্যের আদিলাবাদ জেলার তাপমাত্রা ৪৬.৩ ডিগ্রি। নালগোণ্ডা ও হানামকোণ্ডার তাপমাত্রা ৪৫.৮ ডিগ্রি, হায়দরাবাদের তাপমাত্রা ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাহাড়ি হিমাচল প্রদেশ জানান দিচ্ছে গরমের উপস্থিতি। উনাতে তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রি। জম্মুতে ৪২.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আরও কয়েকদিন এই লু চলবে। তাপপ্রবাহ জারি থাকবে বিদর্ভ, মধ্যপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, রাজস্থান, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ ও ওড়িশায়। আগামী ২-৩ দিন পরিস্থিতি বদলানোর কোনও সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে তারা।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়