logo
  • ঢাকা বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

রাজকীয় বিছানায় পাকিস্তানি যুবকের সঙ্গী সিংহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ৩১ মে ২০১৯, ১৫:৩৮ | আপডেট : ৩১ মে ২০১৯, ১৫:৪৭
ছবি: ডেইলি মেইল থেকে নেয়া
পাকিস্তানের মুলতান শহরের বাসিন্দা জুলকাইফ চৌধুরী ছয় মাস আগে একটি সিংহের বাচ্চা কেনেন। সেই সিংহশাবকটিকেই তিনি নিজের ঘরে ছেড়ে দেন রাজত্ব করার জন্য। ৩৩ বছর বয়সী এই যুবকের ‘ঘর রাজত্বের’ রাজা এখন জঙ্গলের রাজা সিংহ। খবর ডেইলি মেইলের।

whirpool
জুলকাইফ তার ওই সিংহের নাম দিয়েছেন বাবর। ছয় মাস পর এখন বাবরের ওজন ১৬৮ পাউন্ডের বেশি এবং প্রতিদিন সে ১৭ পাউন্ডের বেশি কাঁচা মাংস খায়। ‍

জুলকাইফের রাজকীয় বাঙ্গোলোয় নির্দ্বিধায় ঘুরে বেড়ায় বাবর। বাবরের রয়েছে নিজস্ব কিং-সাইজ বিছানা এবং রুমে এসিও রয়েছে। জুলকাইফের দুই বছরের একটি ছেলে রয়েছে। কিন্তু তিনি কখনও বাবরের গলার চেইন পড়াবেন না বলে জানিয়েছেন। তার ভাষায় তিনি বাবরকে কুকুরই মনে করেন।

পাকিস্তানি এই ‍যুবক বলেন, সে আমার সন্তানের মতো। যখন আমি বাবরকে আমার বাসায় নিয়ে আসি তখন ওর বয়স ছিল দুই মাস। সে আমার সঙ্গে ছয় মাস ধরে বাস করছে।

জুলকাইফ বলেন, আমি সিংহ খুব পছন্দ করি এবং আমার ইচ্ছা ছিল আমার একটি সিংহ থাকবে। আমি কখনও এ বিষয়ে আমার পরিবারের সঙ্গে আলাপ করিনি। একটি সিংহ কিনে আনার পর তাদের এ ব্যাপারে জানাই।

কিন্তু তারা সবাই বাবরকে দেখে খুশি হয়েছিল। তারা প্রতিদিন বাবরের সঙ্গে দেখা করতে আসে, বলেন জুলকাইফ। তিনি বলেন, সে আমাদের ওপর হামলা করা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন নই। এমনকি আমার ছেলেও বাবরের সঙ্গে খেলা করে। আমি কখনও বাবরের গলায় চেইন পড়াইনি এবং কখনও পড়াবোও না। কারণ আমি তাকে আমার সন্তানের মতো ভালোবাসি।

বাবরের প্রতি জুলকাইফের এই ভালোবাসা কিন্তু বেশ ব্যয়বহুল। তিন হাজার ২০০ পাউন্ডে (৩ লাখ ৪০ হাজার ৭৮৫ টাকা) কেনে বাবরের পেছনে জুলকাইফের প্রতিদিন খরচও অনেক। প্রতি মাসে বাবরের খাবারের পেছনে দুই হাজার ৪০০ পাউন্ড (দুই লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা) খরচ হয়।

জুলকাইফ বলেন, বাবর দ্রুত বেড়ে উঠছে। আমি তাকে খাসি, গরু এবং কখনও কখনও মুরগির মাংসও খেতে দেই। বাবরের পেছনে প্রতি মাসে আমার দুই হাজার ৪০০ পাউন্ড খরচ হয়।

এদিকে পোষ্য কুকুরের মতোই বাবরকে প্রশিক্ষণ দেয় জুলকাইফ। প্রতিদিন সকালে বাবরকে হাঁটতে নিয়ে যান তিনি। অহংকার করে বাবর বলেন, সে খুব বন্ধুবৎসল এবং আমাকে পছন্দ করে। সে আমার সঙ্গে খেলা করে এবং আমি সকালে ৫টা থেকে ৬টা পর্যন্ত তাকে হাঁটতে নিয়ে যাই।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়